নীড় পাতা » ব্রেকিং » দায়িত্বপালনের দ্বিতীয় বছরে সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত ডিসি মামুন

দায়িত্বপালনের দ্বিতীয় বছরে সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত ডিসি মামুন

রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদকে। শুক্রবার জুমা’র নামাযের পর জেলা প্রশাসকের কক্ষে ফুল ও কেক কেটে জেলা প্রশাসকের দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাকে শুভেচ্ছা জানায়।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নুরুল হুদা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শিল্পী রানী রায়, জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) উত্তম কুমার দাশসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে রাঙামাটি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান রাজন ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক হিসাবে একেএম মামুনুর রশিদ ২০১৮ সনের ৬ মার্চ যোগদান করেন। এর আগে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জোনাল এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে দায়িত্বপালন করেন।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স করেছে। মামুনুর রশিদ ২০০১ সালের ২০তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২৮ মে ঝালকাঠি জেলায় সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগ দেন।

এরপর ২০০৫-০৭ সনের নভেম্বর মাস পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় ম্যাজিস্ট্রেট এবং ২০০৮ সন থেকে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর প্রায় ৩ বছর ৮ মাস কুমিল্লার সেনানিবাসে ক্যান্টেমেন্ট বোর্ডের এক্সিকিউটিভ অফিসার, ২০১৬ সনে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০১৭ সনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জোনাল এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব করেন।

২০১৮ সনের ৬ মার্চ একেএম মামুনুর রশিদ রাঙামাটি জেলা প্রশাসক হিসেবে রাঙামাটি যোগ দেন। এরপর তিনি ভারী বর্ষণে প্রাণহাণি ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের এলাকায় ভারি বৃষ্টির মধ্যে নেমে মানুষকে সচেতন করে তুলেন, প্রাণহানি ঠেকাতে অনেককে জোর করে আশ্রয় কেন্দ্র নিয়ে নিয়ে যান, ভারি বৃষ্টিতে সবার সামনে রাঙামাটি চট্টগ্রাম সড়ক যখন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিল ঠিক সেই মুহূর্তে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে বৃষ্টির মধ্যে সেনাবাহিনী ও সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে তুমুল বৃষ্টির মধ্যে জেলা প্রশাসকও সড়ক রক্ষার কাজে নেমে পড়েন।

এছাড়াও বিভিন্ন সময় গরীব অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল পোশাক বিতরণ, পারাপারের জন্য ইঞ্জিনচালিত বোট প্রদান করেছেন। এছাড়া সপ্তাহে প্রতি বুধবার গণশুনানি করে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে কাজ করেছেন। এছাড়া সর্বশেষ তিনি রাঙামাটি পার্কটি চালু করে রাঙামাটি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। বিকালে শিশু পার্কটি শিশুদের মিলন মেলায় পরিণত হয়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কাপ্তাইয়ে আরও ৭ জনের করোনা শনাক্ত

জুন মাসের প্রথম দিনেই রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় আরও ৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সোমবার রাতে …

Leave a Reply