নীড় পাতা » পার্বত্য পুরাণ (পাতা 5)

পার্বত্য পুরাণ

জগৎ জ্যোতি চাকমা’র কবিতা

হৃদয়ের গভীরে মাটি আছে দেখো- জল আছে – হাওয়া আছে; ওখানে হাত রেখো- উষ্ণতাও আছে ওখানে অনুভবে; ইচ্ছে হয় যদি এঁকে দাও প্রেম প্রাণের উৎসবে। উদার এই মাটিতে বেড়ে উঠে চারাগাছ- ওতে হবে ডালপালা; ওখানে পড়বে স্নিগ্ধ জোছনার ভাঁজ; ইচ্ছে হয় ডানা মেলো ওখানে- তোমার পালকগুলো রেখে দিও নীরবে সযতনে। ইচ্ছে হয় যদি আমাকে ক্রুশবিদ্ধ করো; রক্তে রেখেছি আমি মানবতা; …

বিস্তারিত পড়ুন

ভালোবেসে কখনই জিতেনি ছেলেটা

ঝুম বৃষ্টিতে ভীষণ ভিজে ভিজে চোখের জলে বাড়ী ফেরার গল্প আছে তার, আছে কঠোর কাঠফাটা রোদে জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হওয়ার ইতিহাসও, কখনো বাড়ী ছেড়ে স্রেফ পলাতক জীবন আবার প্রায়শ:ই অভিমানে না খেয়ে থাকা, কখনো রাতভর কেঁদে কেঁদে বালিশ ভেজানো কখনোবা ঘুমহীন অস্থির পায়চারির দীর্ঘরাত, বিরহী গানের সাথেও আশৈশবের মিতালি ভালোবাসার কষ্টে নষ্ট ক্যারিয়ার,ভবিষ্যত,বর্তমান নিজের পায়ে কুড়াল মারাতেও সিদ্ধহস্ত সে হাতকেটে …

বিস্তারিত পড়ুন

হাতি

বানের জলে আসলো ভেসে মস্ত বড় এক বুনো হাতি, প্রতিদিন পত্রিকায় তার ছবি হাতি নিয়ে হইচই মাতামাতি । জেলা থেকে জেলায় হাতিটি দিল পাড়ি, হিংস্র থেকে হিংস্র হলো তছনছ করলো ঘরবাড়ি । দিনের বেলায় ঠাঁই দাঁড়িয়ে খাল না হয় বিলের জলে, মত্ত হয়ে হামলা চালায় সন্ধ্যা নেমে গভীর রাত্রি হলে । হাতি উদ্ধারে ভারত থেকে আসলো একটা বিশেষজ্ঞ টিম, কাজের …

বিস্তারিত পড়ুন

কেউ না থাকাই ভাল

কোন কোন শহরে কেউ একজন না থাকাই ভাল, বিনিদ্র রাতে ঘুরে বেড়ায় যুবকেরা তামাম দুনিয়ার এ প্রান্তে ও প্রান্তে। অভিমানি শব্দের খুনসুটিতে ভূমিষ্ট হয় কবিতা রাশি রাশি, শহরের উঠতি বয়সি তরুণ তরুণীদের ভীড় বাড়ে বইয়ের দোকানে। অথবা অন্য শহরে বিবেকের দংশনে বিষময় হয় কোন রমণীর রুপলী রাত। তাইতো ভাবুকদের শহরে কেউ একজন না থাকাই ভাল।।

বিস্তারিত পড়ুন

প্রতিবিম্ব-০১

ভাবনার ক্যানভাসে উঁকি দেয় কয়েকটি চিত্র অগোচালো আমি ইচ্ছেয়-অনিচ্ছেয় কলমের খোঁচা দিই তাতে দু’একটা রেখা টেনে চলি গড়ের মাঠ অবধি রেখাসমগ্রে অনুভবের চিহ্ন এঁকে দিই বার দুয়েক সবই যেন নিস্ফলা ক্রিয়া-প্রক্রিয়া মননে উচ্ছ্বাসের দাগ কাটে না কপালে উতলা ভাঁজ জমে না পাখনায় চলে না স্বরীসৃপ অনুভূতি জলও লেখে না ঢিল পতনের ঢেউ এতে হেরফের হয় না কোনো সুখ-দুঃখের এইসব দিন-রাত্রি …

বিস্তারিত পড়ুন

সৃষ্টির নদী হও

আমার বুকের দুঃখ নদী কতটা গভীর? আমার চোখে যে প্রপাত কতটা প্রবল? দেখেছো নাকি তুমি? কতটা উদার তোমার দু’চোখ? কতটা বোধের বসবাস ও হৃদয়ে? শোনো কি তুমি আমার কষ্টের গান? যখন রাত নামে অবিবেচক রাত; এখানে এই মর্ত্য ভূমিতে? কে তুমি এখানে? কে তুমি? কে, সুখের সময়েরে ফিরিয়ে দিবে আমার জরাক্লিষ্ট মনে? কোন এক পাহাড়ে আকাঙ্খার জুমখেতে তরুণ সবুজ ধানেরা; …

বিস্তারিত পড়ুন

সময়ের সাতকাহন

যতটা পুড়ছে ধরা তোমার শরীর তার চেয়ে শতগুণ পুড়ছে নাগরিক হৃদয় এ বাস্তবতা বড়ই অন্যায্য, বড়ই অয়োময়; সমাজ আজ পচনশীল-অধোমুখি-অধীর। থাবায় নখর রেখে সাদা মানুষ ঘুরছে রাজপথে-নগরে-পাহাড়ে, শঠতা লুকিয়ে থাকে আলোর আধারে; সর্বদা শ্বাপদ-শঙ্কা, জাগ্রত সব অচেনা পুরুষ। সময় সাক্ষী,- অথর্ব সব বিদগ্ধ নয়ন রাজনীতিতে জটিলতা, সবই অবোধ্য, সম্প্রীতির দেহে ক্ষত, জীবন বৃত্তবদ্ধ; বহু দূরে চলে গেছে আজ আপন স্বজন।

বিস্তারিত পড়ুন

ফুরমোন

১. মেঘের আড়ালে টুকরো টুকরো বৃষ্টি ধীর পায়ে এগুচ্ছে উত্তরের দিকে নীচে অবিরাম চেঁচাচ্ছে ছড়া, জল, বাঁশ ঝাড় অবাধ্য মেঘ তনয়ারা ভিজিয়ে দিচ্ছে ফুরমোন এই পেঁজা তুলো মেঘ এই ক্ষুদে ক্ষুদে বৃষ্টির অনুরাগ এই রোদের চাগাড় এই ছায়াদের ভীড় এই বিন্দু বিন্দু জল শনের পাতায় ছড়ানো মুক্তো এই সিড়ি বেয়ে ডাল ভেঙে ভেঙে বাতাসের নেমে যাওয়া ২. পাহাড়ে জুম ফসলের …

বিস্তারিত পড়ুন

দূর পাহাড়ের দীপশিখা মংছেনচীং

মংছেনচীং মংছিন। ১৯৬১ সালের ১৬ জুলাই কক্সবাজার জেলায় রাখাইন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। প্রয়াত পিতা মাতা উ-অংচাথোয়েন ও ড-মাক্যচিং এর ৫ ছেলে এবং ১ মেয়ের মধ্যে তিনি সর্ব কনিষ্ঠ। শৈশব থেকে লেখালেখির প্রতি বিশেষ ঝোঁক ছিল তাঁর। ১৯ বছর বয়সে ১৯৮০ সালে প্রকাশিত হয় মংছিনের প্রথম বই ‘কক্সবাজার রাখাইন ছাত্র সমাজ’। সেখান থেকেই শুরু। নানা চড়াই উতরাই পেরিয়ে অবশেষে পেলেন …

বিস্তারিত পড়ুন

আসিয়া

আমাদের এই গ্রহের আনন্দ- বেদনা, জন্ম- মৃত্যু, বা সুনামি- ভূমিকম্পে চন্দ্র উপগ্রহের কিছু যায় আসে না। সে তার পল অনুপল হিসেব মত শুক্লপক্ষ, কৃষ্ণপক্ষ, পুর্ণিমা, অমাবস্যায় নিমগ্ন থাকে। আজ মনে হয় পুর্ণিমা তাই এই রাত দুপুরে চারিদিক এক অপুর্ব আলোক আভায় উদ্ভাসিত হয়ে আছে। মাঝে মাঝে কিছু হালকা মেঘ চাঁদের সাথে খেলছে লুকোচুরি খেলা। দীর্ঘক্ষণ চাঁদ ও মেঘের দিকে তাকিয়ে …

বিস্তারিত পড়ুন