নীড় পাতা » পার্বত্য পুরাণ

পার্বত্য পুরাণ

জগৎ জ্যোতি চাকমা’র কবিতা

আধশোয়া নির্ঘুম বাড়ি ফেরা রাত রাত্রি বাসে খাবি খেতে খেতে এগুনোর উম্মুখ কাল দু’পাশে পাহারা রত সড়ক বাতি, মাঝে মাঝে মৃদু অন্ধকার মাঝে মাঝে বাস-ট্রাকের তড়িৎ বাধ্য গর্জন মাঝে মাঝে খুলে যাওয়া জানালা গলে হিমের দুষ্টুমি মাঝে মাঝে মুঠোফোনে কানাকানি — সুদীর্ঘ সংলাপ মাঝে মাঝে ফিলিং স্টেশনের চৌকিদারি আলো মাঝে মাঝে দু’একটি সাইন বোডের ত্রস্ত পদে সরে যাওয়া মাঝে মাঝে …

বিস্তারিত পড়ুন

হায়রে ইলিশ

ইলিশ মাছের মর্যাদাটা বাড়ে বছরে একটা দিনে, নিজেরেও যেন মর্যাদা বাড়ে সেই ইলিশ মাছটা কিনে । বছরে একটা দিন পান্তা খাবে সাথে সেই ইলিশ ভাজা, পাড়ার সবাই প্রজা যেন ইলিশের কারণে তিনি যেন রাজা । বাঙালীয়ানা সেজেছে সাহেব শুধুই বছরে একটা দিন, ইলিশে কী বাঙালী সাজে সত্যি তিনি কান্ডজ্ঞানহীন । গরীব কিন্তু সত্যি বাঙালীয়ানা সারা বছরই খায় পান্তা ভাত, ইলিশে …

বিস্তারিত পড়ুন

পলাশ বড়ুয়ার ‘বৈসাবি’ ছড়া

এসো ভাই, এসো বোন উৎসবে মেতে উঠি সবি, শুরু হয়েছে পাহাড়ে মোদের প্রাণের উৎসব বৈসাবি । সূর্যোদয়ে নদীতে ভাসাবো বিভিন্ন রঙেরই ফুল, মুল উৎসবে ঘুরে বেড়াবো উল্লাসে মাতবো হুলুস্থুল । বৈসু সাংগ্রাই বিজু উৎসব যেন প্রাণ, বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে নানান সুস্বাদু খাবারের ঘ্রাণ । বয়োজ্যেষ্ঠদের স্নাণ করানো এমন দৃশ্য প্রাণ জুড়িয়ে যায়, যুবক যুবতি দল বেঁধে ছুঁটে চলে এ গাঁও …

বিস্তারিত পড়ুন

ছুঁয়ে দেই তোমায়,নীল অভিমান

‘আমিও পথের মতো হারিয়ে যাবো আসবোনা ফিরে কোনোদিন’- এমন সুরে অবগাহনেই মধ্যরাতে বুনে গেছি নীল অভিমান ভালোবাসার শুদ্ধ শুভ্র জমিনে, থরথর ভালোবাসায় থমকে থাকে থতমত প্রিয় শহর,তোমার আমার । অত:পর- আমার নির্বাণ হয়ে ঠিকই ফোনে হাজির হও তুমি সপ্তাহান্তে ভালোবাসার জলে জুবুথুবু হয়ে, সেই পুরনো স্বর,পুরনো আবেগ আর পুরনো স্বভাবেই , মুহুর্তেই ভেঙ্গে যায় অভিমানের বুনো প্রাচীর ধ্বসে পড়ে জমাট …

বিস্তারিত পড়ুন

এখনো পথ আছে, পথিকও, শুধু….

একটা পথের দিকে কতটা তীব্রভাবে তাকিয়ে থাকা যায়, একটি নদীর পাড়ে কতটা আকাংখা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যায় একা একা দীর্ঘ বৃষ্টিস্নাত বিকেল….. একটি বৃক্ষের নীচে দীর্ঘসময় ধরে কিভাবে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকা যায়… কতটা কাঙাল হলে সময় কাটাতে পারে সাগর পাড়ে ঢেউ গুনে গুনে…. কতটা স্বপ্নবাজ হলে বারান্দায় ইজি চেয়ারে বসে মোবাইলে কথা বলে বলে কাটিয়ে দেয়া যায় পুরো একটি রাত….. …

বিস্তারিত পড়ুন

তোমার আজম্মের অচিন স্বজন

নির্জনতায় আমিও বিলীন হই খুউব আমারও বুকের ভেতর ডানা ঝাঁপটায় নি:সঙ্গ রাতের ডাহুক আমিও বোবা কান্নায় গুমঢ়ে উঠি আমারও চোখের নীচে জমাট কালি তবুও- ফেরা হয়না আমার,হবেও না কোনদিন নির্জন রাতের মতোই নি:সঙ্গ হতে থাকে একজন মানুষ তোমার আজম্মের এক অচিন স্বজন।

বিস্তারিত পড়ুন

রাঙামাটি

ইদানীং বেড়েছে অটোরিকশার ভীড় গা ঘেষে চলে যায় দ্রুত দুগ্ধজীবি বিড়ালের ন্যায়; সন্ধ্যায় গিজি গিজ করে পরিযায়ী সব পাখি; দিনরাত হাঁটছে একদল নর-নারী তাদের দু’চোখে ভাসে দীর্ঘ জীবনের কাল; তারপরও ইথারে বলে যায় কেউ শোক সংবাদ। রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিজ্ঞাপনী নারী খিল খিল হাঁসে বুকের গহীনে বাজে ড্রামের আওয়াজ; আসামবস্তির ব্রীজে হাওয়ার মিছিল কৃষ্ণার চুলের নিপীড়নে ধীরে বহে সময়; স্বপ্নের ঢেউয়ে …

বিস্তারিত পড়ুন

মৃ ত্তি কা র গা ন

অন্ধকার থেকে হেঁটে হেঁটে বেরুবার কালে প্রবল ভোরের হাত ধরে এগোয় সুপুষ্ট জঙ্ঘা বুকের ভিতরে কিলবিল করে নরম রোদ সরল দৃষ্টি স্পর্শ করে বিশাল আকাশ মুষ্টিতে জমা হয় হামেশা বৃত্ত ভাঙার গান। মৃত্তিকার হৃদয় থেকে উঠে আসে দৃপ্ত পদধ্বনি ইচ্ছের পাখনায় নেমে আসে বর্ধিঞ্চু সকাল ডান হাতে মুঠোবন্দি আলো – সবুজের বিস্তার সরোবরে আন্দোলিত অদুষ্ট জলের আবেগ আঙুলের ডগা থেকে …

বিস্তারিত পড়ুন

মরদের মুখ

পাহাড়ে সনাতনী কবরক ধান। ঘ্রাণ জাগানিয়া। গর্ভিনী জুম খেতে মা-লক্ষ্মীর পদাঙ্ক। কাল্লোঙে ভোরের প্রতিবিম্ব । স্বপ্নরা দ্বিপ্রহরে নামে । উজ্বল উগুরিক চোখ। ডানা ঝাপটানো মাদকতা। চিন্দিরার দেহে নাঁচে ফর্সা রোদ। উষ্ণ আমন্ত্রণ। লতানো কুমড়োর ডগা খুশিতে দোল খায়। চোখে আকাশ দেখার স্বপ্ন। নান্দনিক কারুকাজ। ভাবনায় নিমগ্ন গাদা। ক্যানভাসে হলুদের বিস্তার। ধান আর তুলো। উন্নতিবাহী সচল রথ। ধনবির চোখে রঙিন ঘুড়ি। …

বিস্তারিত পড়ুন

শীতের প্রস্তুতিপর্ব

কখন সন্ধ্যা নামবে মুঠো মুঠো হিম নিয়ে, জানে না পাহাড় কখন মাঘের রাত কামড় বসাবে বাঘেদের গর্দানে, জানে না পাহাড় কখন দৈত্য এসে লন্ডভন্ড করে দেবে সমস্ত উষ্ণতা, জানে না পাহাড় কখন মোন থেকে প্রচন্ড চাবুক আঁছড়ে পড়বে সামিরার উঠোনে, জানে না পাহাড় কখন নামবে পৌষালী থাবা পেঁচার ডানায় ডানায়, জানে না পাহাড় তারপরও ধনুতে গুন বাঁধেন ঢুলু ঢুলু চোঁখে …

বিস্তারিত পড়ুন