নীড় পাতা » পার্বত্য পুরাণ

পার্বত্য পুরাণ

জেসমিন সুরভী’র আঠারো বছর

আঠারো বছর বয়স নত হওয়ার বয়স নয়। এ বয়স দুর্বার সাহসিকতার বয়স। এ বয়স থেমে থাকার নয়। এ বয়স শুধু ঘুরে দাঁড়াতে শেখায়। এ বয়স আলোর পথ দেখায়। এ বয়স শক্ত হয়ে দাঁড়াতে শেখায়। এ বয়স জীবনের অসাধ্যকে জয় করতে শেখায়। হ্যাঁ। আঠারো বছর বয়স আমাকে জীবনের কঠিনতম কঠিন বাস্তবতার সাথে মুখোমুখি করেছে। শক্ত হয়ে দাঁড়াতে শিখিয়েছে। জীবনের তিক্ত সত্যগুলো …

বিস্তারিত পড়ুন

জেসমিন সুরভী’র কবিতা স্বপ্নের ফেরিওয়ালা

অচেনা ফেরিওয়ালা হরেক রঙের স্বপ্ন ফেরি করে হাঁটছে এ গ্রাম থেকে সে গ্রাম, ইটের শহর থেকে হয়তো মফস্বলে এসে ফেরি করছে। বিস্তৃত আকাশে ধূসর মেঘ, স্বপ্ন ফেরি করা ফেরিওয়ালা ঝড়ের গতিতে হাটছে, সবচেয়ে দামী স্বপ্ন বিক্রি করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করবে বলে। শরতের বাতাসে মাঠের কাশফুলগুলো দুলছে, ষোড়শী কন্যার লাল উড়না তার মনে নতুন রঙের স্বপ্ন দেখাচ্ছে। রঙিন স্বপ্ন তার …

বিস্তারিত পড়ুন

জেসমিন সুরভী’র কবিতা মহাসুখ

একা থাকতে ভালো লাগে, যদিও না থাকুক কেউ পাশে। মিথ্যে রঙের পৃথিবীতে, একা থাকি মহাসুখে। যদি ভালোবাসে তবে সে যাতে, সত্যিই ভালোবাসে। মিথ্যা ভালোবাসা দেখিয়ে, পাশে থেকে যেন অভিনয় না করে। সত্যিকার ভালোবেসে, আজীবন একাও থাকা যায়। মিথ্যা ভালোবেসে, প্রতারণা করা যায়। দূরে থাকুক! সেই মিথ্যা ভালোবাসা। শূন্য থাকুক আমার পাখির খাঁচা। মুক্ত করে দিলাম আকাশে পাখিটি। না জানি! কতকাল …

বিস্তারিত পড়ুন

জেসমিন সুরভী’র কবিতাগুচ্ছ

নির্মম কি নির্মম এই পৃথিবী, কি নির্মম এই বাস্তবতা? কত যে কত নিকৃষ্টতা, কোথায় যে আছে মানবতা? দিন পেরিয়ে দিন আনা, রাত পেরিয়ে ভোর। বৃত্তের মতো ঘুরে ঘুরে, কাটছে কতো ঘোর। কেউ পায়, কেউ পায় না, কেউ আবার ফিরেও চায় না। শত দুয়ার ঘুরে ঘুরে, শূন্য হাতে ঘরে ফিরে। ধনীর দুয়ার বন্ধ থাকে, প্রভুর দুয়ার খোলা থাকে। সব ধনী প্রভু …

বিস্তারিত পড়ুন

জেসমিন সুরভী’র কবিতাগুচ্ছ

গন্তব্যের পথিক হাস্যরসাত্মক এই পৃথিবীর বুকে, পথিক চিন্তায় মগ্ন থাকে প্রতিটি ক্ষণে! কখনো ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পে, কখনো ভেসে উঠা চিত্রকল্পে! পথিক ছুটে চলে তীব্র রোদে, তখনি সে বুঝে জীবন কারে বলে! ছায়া খুঁজে কোনো এক বট বৃক্ষের নিচে, তবে পথিক ছায়া পেল কি তবে? গাছের উপর থেকে ভেসে আসে, বাবুই পাখির কিচিরমিচির! তারই সাথে চৈত্রের কড়া রোদ্দুরে। কুকুরের ঘেউ ঘেউ …

বিস্তারিত পড়ুন

জেসমিন সুরভী’র কবিতা

দেশে হলো করোনাভাইরাস, ভারী হয়ে আসছে নিঃশ্বাস! ওদিকে সরকার ত্রাণ দিচ্ছে, অন্যদিকে ত্রাণ চুরি হচ্ছে। চোরে চোরে বাটপারি, রাস্তায় নামলে মাইর খাবি। দিন যায় রাত আসে, করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ে। গার্মেন্টস নাকি রাখবে খোলা, দূর-দূরান্তের পথ হেঁটে খেলা জমা। কিট নিয়ে কীটদের ঝগড়া, ওদের টকশো কেউ থামা। অবশেষে করোনা, দিয়ে যাচ্ছে যাতনা। জীবন হোক জয়যুক্ত, সবুজের দেশ হোক করোনামুক্ত।

বিস্তারিত পড়ুন

যদি বেঁচে থাকি…

যদি বেঁচে থাকি তাহলে দেখা হবে, কোন এক দিন পৌষ ফাগুনের মেলায়। যদি বেঁচে থাকি তাহলে দেখা হবে, কোন এক ভোরে ফুল ভাসাতে নদীর জলে। যদি বেঁচে থাকি তাহলে দেখা হবে কোন এক বিকালে জমজমাট কফি আড্ডায়। যদি বেঁচে থাকি তাহলে ঘুরতে যাবো, দলবেঁধে হইহুল্লুর করে কোন দূর অজানায়। যদি বেঁচে থাকি তাহলে কোলাকুলি হবে, কোন এক ঈদগাঁয় ঈদেরই নামাজের …

বিস্তারিত পড়ুন

জগৎ জ্যোতি চাকমা’র কবিতা

আধশোয়া নির্ঘুম বাড়ি ফেরা রাত রাত্রি বাসে খাবি খেতে খেতে এগুনোর উম্মুখ কাল দু’পাশে পাহারা রত সড়ক বাতি, মাঝে মাঝে মৃদু অন্ধকার মাঝে মাঝে বাস-ট্রাকের তড়িৎ বাধ্য গর্জন মাঝে মাঝে খুলে যাওয়া জানালা গলে হিমের দুষ্টুমি মাঝে মাঝে মুঠোফোনে কানাকানি — সুদীর্ঘ সংলাপ মাঝে মাঝে ফিলিং স্টেশনের চৌকিদারি আলো মাঝে মাঝে দু’একটি সাইন বোডের ত্রস্ত পদে সরে যাওয়া মাঝে মাঝে …

বিস্তারিত পড়ুন

হায়রে ইলিশ

ইলিশ মাছের মর্যাদাটা বাড়ে বছরে একটা দিনে, নিজেরেও যেন মর্যাদা বাড়ে সেই ইলিশ মাছটা কিনে । বছরে একটা দিন পান্তা খাবে সাথে সেই ইলিশ ভাজা, পাড়ার সবাই প্রজা যেন ইলিশের কারণে তিনি যেন রাজা । বাঙালীয়ানা সেজেছে সাহেব শুধুই বছরে একটা দিন, ইলিশে কী বাঙালী সাজে সত্যি তিনি কান্ডজ্ঞানহীন । গরীব কিন্তু সত্যি বাঙালীয়ানা সারা বছরই খায় পান্তা ভাত, ইলিশে …

বিস্তারিত পড়ুন

পলাশ বড়ুয়ার ‘বৈসাবি’ ছড়া

এসো ভাই, এসো বোন উৎসবে মেতে উঠি সবি, শুরু হয়েছে পাহাড়ে মোদের প্রাণের উৎসব বৈসাবি । সূর্যোদয়ে নদীতে ভাসাবো বিভিন্ন রঙেরই ফুল, মুল উৎসবে ঘুরে বেড়াবো উল্লাসে মাতবো হুলুস্থুল । বৈসু সাংগ্রাই বিজু উৎসব যেন প্রাণ, বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে নানান সুস্বাদু খাবারের ঘ্রাণ । বয়োজ্যেষ্ঠদের স্নাণ করানো এমন দৃশ্য প্রাণ জুড়িয়ে যায়, যুবক যুবতি দল বেঁধে ছুঁটে চলে এ গাঁও …

বিস্তারিত পড়ুন