নীড় পাতা » লিড (পাতা 345)

লিড

বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ উষাতনের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি আসনে নিজের বিজয়ী হওয়ার আশাবাদের কথা জানিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি উষাতন তালুকদার বলেছেন,আশা করছি নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে,এখন পর্যন্ত প্রশাসনের আচরণও ভালো মনে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তা থাকলেই ভালো। হাতি মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী উষাতন তালুকদার রবিবার নিজের ব্যক্তিগত নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে পাহাড় টোয়েন্টিফোর ডট কমকে এসব কথা বলেন। …

বিস্তারিত পড়ুন

শিলকখাল রাবারড্যাম প্রকল্প পরিত্যক্ত হওয়ার শংকা !

বান্দরবানের রাজভিলায় খরস্রোতা শিলকখালে নির্মিত সোয়া ৬ কোটি টাকার রাবারড্যাম প্রকল্প এখন কৃষকের গলায় ফাঁসে পরিনত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় কৃষকের উন্নয়নে নির্মাণাধীন এ প্রকল্পটি কৃষকদের কোনো কাজেই আসছে না বলে দাবি করেছে স্থানীয় কৃষকেরা। রাবারড্যাম র্নিমাণ কাজে ক্রটির পাশাপাশি কৃষকের চাহিদাকৃত স্থানে রাবারড্যাম প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। সেতুর কাছেই প্রায় ৫০ একরের ব্যক্তিমালিকানার …

বিস্তারিত পড়ুন

অভিযুক্ত আপীল করবেন,তাই গ্রেফতার করছেনা পুলিশ !

রাঙামাটির কাউখালিতে আওয়ামী লীগ নেতা কলমপতি ইউপি চেয়ারম্যান চেক জালিয়াতির মামলায় ১ বছরের কারাদন্ড ও ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অভিযুক্ত হওয়ার তিন মাস অতিবাহিত হলেও ‘তিনি উচ্চ আদালতে আপীল করবেন’ এই কারণে তাকে গ্রেফতার করছেনা পুলিশ ! অথচ কাউখালি থানার মাত্র তিনশ গজ দূরে তার বাসা। সংসদ নির্বাচনের কাজেও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন  তিনি। অভিযুক্ত ব্যক্তি কাউখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের …

বিস্তারিত পড়ুন

বীরাঙ্গনা চাইন্দাউ মারমার দুঃখগাথা

একজন মানুষের কত কষ্টের কথা শুনলে অপর একজন মানুষ ব্যথিত হতে পারে তা ঠিক বলা মুশকিল। তবে চাইন্দাউ মারমার দু:খগাথা জীবনের কাহিনী শুনলে যে কেউ চোখের জল ফেলবেন নিশ্চিত। পঁচাত্তর বছর বয়সেও তিনি নিজে রান্না করে খান। মা-বাবা-ছেলে-মেয়ে; এমনকি স্বামীও বেঁচে নেই। ভিক্ষা ছাড়া এক বেলা ভাত জুটেনা তাঁর। এক টুকরো ভূমিও নেই, যেখানে আশ্রয় নেবেন। অন্যের জমিতে ৫/৭ ফুট …

বিস্তারিত পড়ুন

যুদ্ধজয়ী ইউকেচিং এখন লড়ছেন দারিদ্রতার সঙ্গে

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী জনগোষ্ঠির অহংকারখ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউকেচিং বীর বিক্রম এখন লড়ছেন দারিদ্রতা এবং মৃত্যুর সাথে। স্বাধীনতার ৪২ বছরেও জীবনের হিসাব নিকাশ মিলাতে না পেরে অঝরে কাদঁছেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় পড়ে থেকেও স্বাধীনতা যুদ্ধের এই লড়াকু সৈনিককে আজও ভাবতে হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের দুবেলা আহার জুটবে কি করে, তা নিয়ে। অভাব তার স্বাধীনতার স্বপ্নকে তিরোহিত করেছে বহুআগেই। বান্দরবান …

বিস্তারিত পড়ুন

অবহেলা অনাদরে প্রিয় ‘রউফ চত্বর’

রাঙামাটি শহরের প্রবেশমুখ খ্যাত শহরতলির মানিকছড়ির ঠিক আগেই নৈসর্গিক সৌন্দর্যমন্ডিত পাহাড়ঘেরা জায়গাটিতে ২০০৯ সালে নির্মাণ করা হয় ‘রউফ চত্বর’। রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধকালে শহীদ হওয়া বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ এর স্মরণে নির্মিত এই চত্বরে তার সুবিশাল ভাস্কর্য ‘আরক্ষী’,রাঙামাটির সন্তান তিন বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ অর্জুন চন্দ্র দে,শহীদ শুক্কুর আলী এবং শহীদ খগেন্দ্র নাথ চাকমার মার্বেল পাথরে আঁকা প্রতিকৃতি,মুক্তিযুদ্ধ …

বিস্তারিত পড়ুন

বীরশ্রেষ্ঠ’র সমাধীর পাশে ৪২ বছর !

এখনো ঘুমঘোরে দুরঅতীতে ফিরে যান দয়াল কৃঞ্চ চাকমা। চোখের সামনে স্পষ্টই দেখতে পান সুসজ্জিত পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে একদল দামাল বাঙালি যুবকের তুমুল প্রতিরোধ যুদ্ধ। গাছের উপর বসে সেই যুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শী সেইদিনের মাঝবয়সী দয়ালকৃঞ্চ এখন বয়সের ভারে ন্যুজ। তবুও তিনি ভোলেননি অসীমসাহসী এক বাঙালী যুবক মুন্সী আব্দুর রউফ এর কথা। যুদ্ধের পর সবাই যখন ফিরে গেছে যার যার গন্তব্যে সেই সময় …

বিস্তারিত পড়ুন

হ্রদের বুকে ছোট্ট টিলায় চিরনিদ্রায় এক বীর

পার্বত্য চট্টগ্রামের সবুজ পাহাড়ের পাশেই,কাপ্তাই হ্রদের বুকে জেগে থাকা একটি ছোট্ট টিলায় শুয়ে আছেন বাঙালি জাতির এক মহান সাহসী বীরযোদ্ধা বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ। ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল এই মহান দেশপ্রেমিক নিজ মাটি আর মাতৃভূমির প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বিলিয়ে দিয়েছেন নিজের জীবন। কি হয়েছিলো সেদিন ? তখন সকাল গড়িয়ে দুপুর নেমেছিল কাপ্তাই হ্রদের বুকে। তখন চিংড়িখাল বরাবর উত্তর-দক্ষিণের …

বিস্তারিত পড়ুন

৪২ বছরেও স্বীকৃতি মিলেনি মং রাজা মংপ্রু সাইন’র

পার্বত্য চট্টগ্রামকে ত্রিধাবিভক্ত করেই গঠিত তিনটি সার্কেল। চাকমা সার্কেল,বোমাং সার্কেল এবং মং সার্কেল। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে চাকমা ও বোমাং সার্কেল রাজাদের তৎকালিন ভূমিকা ‘বিতর্কিত’ ও ‘সমালোচিত’ হলেও মং সার্কেল চীফ বা মং রাজার ভূমিকা ছিলো অত্যন্ত সাহসী এবং গুরুত্বপূর্ণ। ঐতিহ্যবাহী মং সার্কেল রাজা মংপ্রু সাইনের ভূমিকা’র কথা এখনো কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে খাগড়াছড়িবাসি। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে বিরল অবদান রেখেও সেই অবদানের স্বীকৃতি …

বিস্তারিত পড়ুন

স্বীকৃতি চান মহালছড়ির চার শহীদ পরিবার

১৯৭১ সাল। খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দুরের মহালছড়িই তখনকার উপজেলা হেডকোয়ার্টার। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সেই মহালছড়ি থেকেই প্রথম সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সেখানকার সাধারণ মানুষ। জেলা সদর, রামগড়, মানিকছড়িসহ বিভিন্ন স্থানে পাক বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ সংগঠিত হয়। তবে ২৭ এপ্রিল মহালছড়ি যুদ্ধটি ছিল উল্লেখযোগ্য। চেঙ্গী নদীর ওপার থেকে পাক বাহিনী আক্রমন চালায়। সেদিনই মহালছড়িতেই পাক বাহিনীর সাথে …

বিস্তারিত পড়ুন