নীড় পাতা » পৌরসভা নির্বাচন ২০১৫ » দলীয় নাকি স্বতন্ত্র প্রার্থী !

দলীয় নাকি স্বতন্ত্র প্রার্থী !

election-chtরাঙামাটিতে জমে উঠছে নির্বাচনী হাওয়া। এলাকায় এলাকায় ঘরে বাইরে এখন আসন্ন পৌর নির্বাচন নিয়ে আলোচনা। ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কে হবে? মেয়র পদে কে আসছেন তা নিয়ে সর্বত্র আলোচনা। এতোদিন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জেএসএসের প্রার্থী নিয়ে কে হচ্ছেন তা আলোচনায় থাকলেও তা নিরসন শেষে এখন প্রাধান্য পাচ্ছে কে হচ্ছেন পৌর পিতা। তবে এবার চলছে বাগ্যুদ্ধ দলীয় প্রার্থী নাকি স্বতন্ত্র প্রার্থী। কে পারবে ভোটারদের মন জয় করে পৌর পিতা হওয়ার লড়াইয়ে।

রাঙামাটি এবারের পৌর নির্বাচনে আট প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও বৈধতা পেয়েছেন সাত প্রার্থী। জাতীয় তিন দল আওয়ামীলীগ, বিএনপি জাতীয় পার্টির তিন প্রার্থী ছাড়াও এবার প্রথমবারের মতো আঞ্চলিক সংগঠন জেএসএস সমর্থিত এক স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ চারজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এরমধ্যে সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান, বর্তমান কাউন্সিলর ও সাবেক প্যানেল মেয়র রবিউল আলম রবি ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অমর কুমার দে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এবার প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার কারণে দলীয় প্রার্থীরা এর সুবিধা নেবেন বলে বিশ্বাস করছেন দলীয় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীরা। কিন্তু শুধু প্রতীকই নির্বাচনে জয়ের নিয়ামক হবে না বলে মনে করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তারা মনে করছেন, যেহেতু এটি স্থানীয় নির্বাচন। এখানো প্রতীক কোনো ফ্যাক্টর নয়। সাধারণ লোকজন যাকে পাশে বেশি পাবেন, এবং উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন তাকেই ভোটে নির্বাচিত করবেন।

আওয়ামীলীগ প্রার্থী আকবর হোসেন চৌধুরী বলেন, আমাকে যেহেতু দল থেকে মনোনয়ন দিয়েছে, তাই দল থেকেই আমাকে নির্দেশনা দেবে, কিভাবে আমি নির্বাচন পরিচালনা করবো। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন তাই দলীয় প্রতীকের বাইরে গিয়ে কেউ কোনো কাজ করবে বলে আমি মনে করি না।

আসন্ন নির্বাচনে নিজের জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান বলেন, আমি কতটুকু জনপ্রিয় বা সাধারণ মানুষ আমাকে কতটা ভালোবাসে,তা নির্বাচনের দিন রাতেই আপনারা বুঝবেন। প্রতীক চেনে না এমন মানুষই আমাকে নির্বাচিত করবেন। আর দল করেন কিন্তু আমাকে ভালোবাসেন এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়।’

আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর রবিউল আলম রবি বলেন, ‘প্রতীক কোনও ফ্যাক্টর নয়, জনগণ সেবা চায়’। আমি খেলতে নেমেছি, হারতেও পারি, জিততেও পারি, জনগণই এখানে মূল খেলোয়াড়। তারাই নির্ধারণ করবেন কে জিতবে, কে হারবে।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অমর কুমার দে বলেন, মানুষ যে সবসময় প্রতীক দেখে ভোট দেবে তা নয়। যারা কাজের মাধ্যমে পৌর এলাকার উন্নয়ন করতে পারবে লোকজন তাকেই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার প্রতিবাদ রাঙামাটিতে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার নামে ‘উগ্রমৌলবাদ ও ধর্মান্ধগোষ্ঠীর জনমনে বিভ্রান্তির …

Leave a Reply