নীড় পাতা » পাহাড়ের রাজনীতি » ‘বিএনপির আচরণে ক্ষমতার হাওয়া লেগেছে’

‘বিএনপির আচরণে ক্ষমতার হাওয়া লেগেছে’

p-01‘বিএনপি নির্বাচন না এলেও তাদের আচরণে ক্ষমতার হাওয়া লেগেছে। তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে ভাব-সাব এসেছে। তারা এখন চোখে রঙ্গিন চশমা দিয়ে ঘুরছেন। জেলা পরিষদের জন্য ৭-৮ জন চেয়ারম্যানকে কানে কানে কথা দিয়েছেন। ৪জন সদস্যের জন্য ১০০ জনকে ওয়াদা দিয়েছেন। ভবিষ্যতের লুটপাটের রূপরেখা তারা এখন তৈরি করে রেখেছেন। ক্ষমতায় p-04এলে কে কোন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নেবেন তাও ইতোমধ্যে তারা ঠিক করে ফেলেছেন। তাদের এই ধরনের আচরণেই প্রমান করে তারা দেশের মানুষের জন্য দেশের কল্যানের জন্য রাজনীতি করে না বরং তারা ক্ষমতায় গিয়ে লুটপাট করার জন্যই রাজনীতি করে।’
শুক্রবার বিকেলে রাঙামাটি শহরে পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিএনপি জামায়াতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলশেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এইসব কথা বলেছেন রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার এমপি।
রাঙামাটি পৌরসভা চত্বর থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি শহর প্রদক্ষিন করে রাঙামাটি নিউমার্কেট চত্বরে সমাবেশ করে। পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ মনসুর আলীর পরিচালনায় ও সভাপতি মোঃ সোলায়মান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন জেলা সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ মুছা মাতব্বর, জেলা যুবলীগ সভাপতি আকবর হোসেন চৌধুরী, ছাত্রলীগ সভাপতি শাহ এমরান রোকন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক স্মৃতি বিকাশ ত্রিপুরা, শ্রমিক লীগের সাধারন সম্পাদক শামসুল আলম, আওয়ামী ওলামালীগ সভাপতি ক্বারি ওসমান গনি চৌধুরী, আওয়ামী মহিলালীগ সভানেত্রী জে এফ আনোয়ার চিনু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধন মনি চাকমা।p-01p-02

দীপংকর তালুকদার বলেন, আওয়ামী লীগ কাউকে ওয়াদা দিয়ে দলে অন্তর্ভূক্ত কওে না। তিনি সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চিং কিউ রোয়াজার উদাহরণ টেনে বলেন, ঢাকায় যাওয়ার পরও চিং কিউ রোয়াজা নিজেই জানতেন না যে তিনিই চেয়ারম্যান হচ্ছেন। আওয়ামী লীগ লুটপাটে বিশ্বাসী নয় বলে গত পাঁচ বছরে জেলার কোনো প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো সিন্ডিকেট তৈরি হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দীপংকর তালুকদার বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারা রাজবন্দী অর্থাৎ সকল যুদ্ধাপরাধীদের জেল থেকে ছেড়ে দিবে।
তিনি বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, দা-কুড়াল দিয়ে রাজপথে মানুষ হত্যা করে যারা ক্ষমতায় যেতে চায় তাদের দ্বারা দেশের মানুষ কখনো উপকৃত হতে পারে না।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী যেকোনো দল নির্বাচনে বিশ্বাসী। একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন হবে এটাই গণতন্ত্রের নিয়ম। এজন্য সবগুলো দলের সাথে সরকার আলাপ-আলোচনাও চালাচ্ছে। যা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে নজির নেই। কিন্তু, ১৮ দলীয় জোট নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত না হয়ে রাজপথে দা, বল¬ম নিয়ে নামার হুমকি দিচ্ছে। একটি সভ্য দেশে এ ধরনের ঘটনা অনাকাক্সিক্ষত। তিনি ১৮ দলীয় নেতাকে সহিংসতার পথ ছেড়ে সামনের নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

‘পুলিশ পরিচয়ে’ অপহরণের পর মুক্তিপণে মিলল ছাড় !

সাদা পোষাকে পুলিশ পরিচয়ে একজন নির্মাণ শ্রমিককে অপহরণের পর মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে …

Leave a Reply