নীড় পাতা » পাহাড়ের রাজনীতি » ১২ মাসে ২২ হত্যা, ১৩ গুলিবিদ্ধ, ১০ অপহরণ

১২ মাসে ২২ হত্যা, ১৩ গুলিবিদ্ধ, ১০ অপহরণ

khagrachari-coverপার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে খুন,চাদাঁবাজি, অপহরণ আর গোলাগুলিতে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২ টি খুনের ঘটনা ঘটেছে, গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ১৩ জন। আর বিভিন্ন সময়ে ১০টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃংখলা বাহিনীর বিভিন্ন সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (সন্তু গ্রুপ)’র মারা যান ৬ জন, গুলিবিদ্ধ হন ২ জন, অপহৃত ২ জন। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(এমএনলারমা)’র মারা যান ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন ২ জন, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)’র মারা যান ৬ জন, গুলিবিদ্ধ হন ৩ জন, অপহৃত হন ২ জন। এবং চাদাঁসহ নানা কারণে হত্যাকান্ডের স্বীকার হন আরো ৪ জন। চারটি ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন মোট ৬ জন, অপহরণের পর হত্যা করা হয় ১ কাঠ ব্যবসায়ীকে। এছাড়া আরো ৬টি অপহরনের ঘটনা ঘটে।

 প্রাপ্ত তথ্য মতে জানা যায়, ২০১৩ বছরের শুরুতে ৯ জানুয়ারী জেলার পানছড়ি উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হন জনসংহতি সমিতি(সন্তু গ্রুপ)’র কর্মী কালো প্রিয় চাকমা(৩৮)।

১২ জানুয়ারী জেলা শহরের খবং পুড়িয়া এলাকা থেকে অপহৃত হন সাবেক শান্তিবাহিনীর সদস্য সুনেন্দু ব্কিাশ চাকমা (৫৫)। ১৫ জানুয়ারী অপহৃত হন মাটিরাঙ্গা উপজেলার গোমতি মৌজা প্রধান মনলাল ত্রিপুরা (৪০), ইন্দু কুমার ত্রিপুরা(৩০)।

১৭ জানুয়ারী জেলার পানছড়ি উপজেলায় চাদাঁ না দেয়ায় দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত হন শাহাদাৎ হোসেন(৩৫), ধর্মনেন্দু চাকমা(৩২)। ২৫ জানুয়ারী মাটিরাঙ্গা উপজেলার বটতলী এলাকায় ইটভাটায় চাদাঁবাজদের গুলিতে নিহত হন ফারুক হোসেন(১৯)। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন আবুল হোসেন(৫৫) ও শাহ জাহান(৩০)। ৩১ জানুয়ালী দীঘিনালার বাবুছড়া এলাকায় দূবৃত্তের হামলায় গুলিবিদ্ধ হন গনতান্ত্রিক যুব ফোরামের দীঘিনালা উপজেলা সদস্য সুমেন চাকমা (৩২)।

৫ ফেব্রুয়ারী দীঘিনালার উত্তর গবছড়িতে অপহরণের পর কুপিয়ে হত্যা করা হয় কাঠ ব্যবসায়ী অমর বিজয় চাকমা (৩৫)। ২৬ মার্চ দীঘিনালার বাস ষ্টেশন এলাকায় অস্ত্রধারীদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হন জেএসএস(এমএনলারমা)র দীঘিনালা শাখার সহসাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন ত্রিপুরা (৪৫)।

১৭ এপ্রিল দীঘিনালার পূর্ন চন্দ্র কার্বারী পাড়ায় নিহত হন যুব সমিতি(সংস্কার)’র সদস্য শান্তিমনি চাকমা(২৮)। ২ মে লক্ষীছড়ি উপজেলার জুর্গাছড়ি এলাকায় নিহত হন জনসংহতি সমিতি(সন্তু গ্রুপ)’র লক্ষীছড়ি শাখার সদস্য মনাইয়া চাকমা(২২) ও শান্তিমনি চাকমা(১৬)।

১৮ মে মাটিরাঙ্গার বেলছড়ি ইউনিয়নে নিহত হন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের উপজেলা সভাপতি পঞ্চসেন ত্রিপুরা(২৪)। ২০ মে পানছড়ির দুদুকছড়া এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ হন পিসিপি(ইউপিডিএফ) সদস্য অনুরাগ চাকমা(২৭) ও সুহাস চাকমা (২২)। একই ঘটনায় ৩৬ জন অপহরণের অভিযোগ উঠে।

১০ জুন দীঘিনালার লম্বাছড়া ও জারুল ছড়া মুখ থেকে ৩ জন অপহৃত হন। অপহৃতরা হলেন জারুলছড়ি দোর গ্রামের যুব ফোরাম জিসান চাকমা (২৯) পিতাঃ বুদ্ধধন চাকমা, লম্বা ছড়া গ্রামের শান্তিপ্রিয় চাকমা (৩২) পিতাঃ নয়ন কুমার চাকমা ও চগা চাকমা (৪২) পিতাঃ কালেন্দ্র চাকমা। ১৭ জুন গুইমারা বাইল্লাচড়ি এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর আলম ও হারুনঅপহৃত হন। পরে মহালছড়ির কুকরিছড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় তাদের।

১৯ জুন কবাখালী ইউনিয়নের জোড়া ব্রীজ এলাকা থেকে অপহৃত হন ইউপিডিএফ সমর্থক বড় গামা চাকমা। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। ২১ জুন জেলার ৫ মাইল নামক এলাকায় হত্যা করা হয় মোটর সাইকেল চালক চান মিয়াঁ চাকমা(৩৫)কে। ২৯ জুন পানছড়ি উপজেলায় টিএন্ডটি এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হন জেএসএস সংস্কার পন্থী দলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সুপন চাকমা ওরফে সাগর বাদশা(৪০)। একই দিন অপহরণ করা হয় পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের গুইমারা থানা সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলীকে(২০)কে।

পরে মানিকছড়ির গচ্চাবিল এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। ২ জুলাই দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের পাচঁ বাড়ী এলাকায় হত্যা করা হয় জেএসএস সংস্কারপন্থী সমর্থিত যুব সমিতির সদস্য মিঠন চাকমা(৪০)কে।

৪ জুলাই বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় পানছড়ি উপজেলার চেঙ্গী ইউনিয়নের দূর্গম পুজগাং এলাকায় হত্যা করা হয় ইউপিডিএফ’র পানছড়ি সংগঠক সমীরন চাকমা(৩২)ও জেএসএস সংস্কারপন্থীর সদস্য পূর্ন কুমার চাকমা ওরফে জার্মান(৪৫)।

৫ জুলাই মানিকছড়ি উপজেলার তিন টহরী ইউনিয়নের কুমারী এলাকার ভোলাছোলা পাড়ায় একটি ইটভাটা সংলগ্ন শাহআলমের চায়ের দোকানে বসে চা খাওয়ার সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(জেএসএস সন্তু লারমা)’র মানিকছড়ি শাখার সক্রিয় কর্মী উমং মামরা(৫০)কে গুলি করে হত্যা করা হয়।

৭ জুলাই জেলার পানছড়ি উপজেলার তাপিতা পাড়া এলাকায় রবিবার গভীর রাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতি(সন্তু লারমা)র সমর্থক অরুণ কান্তি চাকমা (৪০), পিতাঃ শুভধন চাকমা, কে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা । ২৪ জুলাই মঙ্গলবার খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুইমারা থানাধীন বাইল্লাছড়ি এলাকা থেকে বিকালে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত সেই যুবকের পরিচয় মিলেছে। তার নাম হল মোঃ সেলিম(২৩)। সে খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি এলাকার ইউছুুপ আলীর ছেলে। পেশায় একজন মাইক্রো চালক। ১৯ জুলাই বৃহষ্পতিবার তাকে হত্যা করা হয়।

২৫ জুন খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষীছড়ি উপজেলার দুল্লাতলি ইউনিয়স সদরে প্রতিপক্ষের হামলায় বুধবার সকালে সুজল চাকমা(২২) নামে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(সন্তু গ্রুপ)র এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ৫ আগষ্ট দীঘিনালার কলেজ পাড়া এলাকায় সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে দূর্বৃত্তদের হামলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির(এমএনলারমা)র খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সহ সাধারণ সম্পাদক সমনানন্দ চাকমা(৫০) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

৯ আগষ্ট দীঘিনালার হাসিনসনপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপিডিএফ সমর্থিত গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সাবেক সভাপতি দীপন জ্যোতি চাকমা(৩৮) ও আটারক ছড়া গ্রামের বাসিন্দা ও এমএন লারমা সমর্থিত জনসংহতি সমিতির গ্রাম কমিটির সদস্য কালাধন চাকমা (৪০)। নিজ বাড়ীতে গুলি করা হয়।

২৭ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার হাতিমুড়া এলাকা থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি(জেএসএস সন্তু)’র এক সমর্থককে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয়েছে। অপহৃত হলেন মানিকছড়ির মৃত অংগ্রি মারমার ছেলে সুইজাইউ মারমা(৫০)। তিনি সন্তু লারমা সমর্থিত জেএসএস’র সমর্থক। ৩০ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা থানার বটতলী নামক এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে পিতা পুত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আহতরা হলেন, কংজয়প্রু মারমা(৩৫) ও সাচিং মারমা(৩) পিতা: অংজয়প্রু মারমা। আহতদের গুরুতর আহত অবস্থায় গুইমারা রিজিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

১৭ অক্টোবর খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় প্রতীম কুমার ত্রিপুরা (২৫) নামে একজনকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বত্তরা। ওইদিন রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি পাহাড়ী আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ এর সমর্থক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

২৩ অক্টোবর খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় চারজনকে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া যায় । ওই রাতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রত্যেককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিজ নিজ ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায়। অপহৃতরা হলেন, উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ১নং যৌথ খামার প্রকল্প গ্রামের যতীন বিকাশ চাকমা (৩৮), বাজেইছড়া গ্রামের সরল কুমার চাকমা (৬০), মিন্টু চাকমা (৪০) এবং রীপন চাকমা (২৫)। এ ঘটনার জন্য জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-সন্তু) এবং ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) পরস্পরকে দোষারোপ করেছে।

৪ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার রাজপাড়া নামক এলাকায় রাত সাড়ে ৮ টায় সন্তু লারমা সমর্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সদস্য পেশকা মারমা(৩২)কে গুলি করে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। তিনি একই এলাকার মৃত উতায় মারমার ছেলে। তার বুকের বাম পাজরে গুলি লাগে।

১২ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে ইউপিডিএফের এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হয়। আহত কর্মীর হলেন বাবুছড়ার ধরপাতা এলাকার জুরসেন চাকমার ছেলে জীবন বিকাশ চাকমা ওরফে আনন্দ (২২)।

২৮ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার মরা কয়লা নামক এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গোপাল চাকমা(৩৮) নামে এক ইউপিডিএফ কর্মী নিহত হয়। নিহত ব্যক্তি একই উপজেলার দূরছড়ি এলাকার বিজয় চাকমার ছেলে। ওইদন বেলা পোনে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

৬ ডিসেম্বর রাতে দীঘিনালার ৫ নম্বর বাবুছড়া ইউনিয়ন থেকে সুর্য্য বিজয় চাকমা(৪৫) নামে এক হেডম্যানকে অপহরণ করা হয়,পরে নানান দেন দরবারে মুক্ত হন তিনি।

২০ ডিসেম্বর লক্ষীছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রে¤্রাচাই চৌধুরীসহ আওয়ামীলীগের ৮ নেতাকর্মীকে অপহরন করা হয়। লক্ষীছড়ি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাগরিকা চাকমা, লেলিন চাকমা, স্বপন কুমার চাকমা, ধনা কুমার চাকমা, দয়া কুমার চাকমা, চাথোয়াং মারমা, রতন বিকাশ চাকমা। পরে ঘটনার ১৮ ঘন্টা পর শনিবার সকাল ১০টার দিকে অপহৃতদের জেলা সদরের স্বণির্ভর এলাকায় ছেড়ে দেয়া হয়।

উপরের ঘটনাগুলো ছাড়াও প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জায়গায় গোলাগুলি এবং হতাহতের খবর আসলেও প্রশাসন অবগত না থাকায় বা সত্যতা নিশ্চিত না করায় সংবাদ হয়ে আসেনা।

এদিকে সহিংস ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএনলারমা)’র খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিভূ রঞ্জন চাকমা জানান, নিরাপত্তা বাহিনীর হিসাবে আমাদের ৪ জন নেতাকর্মীর কথা বললেও এর সংখ্যা প্রায় ১৬ জন। আর প্রতিটি ঘটনার সাথে সন্তু লারমা সমর্থিত জেএসএস জড়িত। সন্তু লারমা পাহাড়ে একক আধিপত্য রাখতেই একের পর এক হত্যাকান্ড চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তার। ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)র প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের প্রধান নিরন চাকমা বলেন, ‘সন্তু লারমা ইউপিডিএফ নিধনে নেমেছে,তাইতো একের পর এক আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা করে চলেছেন। সন্তু লারমা পাহাড়ে পুরোপুরি শান্তি আসুক তা চাননা বলে এই সহিংসতা, ভ্রাত্রিঘাতি সংঘাত বন্ধের জন্য আমরা বারবার উনার (সন্তু লারমা) কাছে আহ্বান জানিয়েছিলাম, কিন্তু তিনি বা তারা কোন সাড়া দেননি। ওনার উচিৎ শান্তি প্রতিষ্টায় ঐক্যবদ্ধ্য আন্দোলন গড়ে তোলা।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (সন্তু লারমা গ্রুপ)র সহ তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, ইউপিডিএফ ও সংস্কারপন্থীরা বছরের পর বছর কোন ঘটনা ঘটলেই আমাদের দায়ী করে। যা উদ্দ্যেপ্রণোদিত ও বানোয়াট। তিনি বলেন জেএসএস(সন্তু গ্রুপ) সশস্ত্র ও সহিংস কোন ঘটনার সাথেই যুক্ত নই। মূলত ইউপিডিএফ ও জেএসএস সংস্কারপন্থীরা এই ঘটনাগুলোর সাথে জড়িত। তারা যতদিন থাকবে পাহাড়ে এই ঘটনাগুলো চলতেই থাকবে। তিনি ইউপিডিএফকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার শেখ মিজানুর রহমান জানান, প্রতিটি হত্যাকান্ড হলো আধিপত্ব বিস্তার, চাদাঁবাজির জন্য এক পক্ষ আরেক পক্ষকে হত্যা করে মাঠ দখলের জন্যই মূলত এই হত্যাকান্ড। আর এই ঘটনাগুলোতে পুলিশের করার কিছুই থাকেনা। কারণ নিহতের পরিবাররা পুলিশের কাছে কোন অভিযোগ করেনা। এমনকি পুলিশ গেলে কোন তথ্য দিতে চায়না। আর এই সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিন্দু মাত্র অবনতি হয়নি এবং হবেওনা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

ফুটবলের বিকাশে আসছে ডায়নামিক একাডেমি

পার্বত্য এলাকা রাঙামাটিতে ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা, তৃনমূল পর্যায় থেকে ক্ষুদে ফুটবল খেলোয়াড় খুঁজে …

Leave a Reply