নীড় পাতা » পাহাড়ের অর্থনীতি » ১০ দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

১০ দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

Rangamati-Pic-01-11-15রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ-সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপি’র যৌথ বাস্তবায়নে ও ড্যানিডার অর্থায়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্প (২য় পর্যায়) সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনার কৃষক মাঠ স্কুল বিষয়ে কৃষক সহায়তাকারীদের ১০দিন ব্যাপী মৌসুমব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। রোববার সকালে রাঙামাটির আসামবস্তি প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করা হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ ও হর্টিকালচার সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমার সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, হাঁস মুরগী খামার ও পির্গ ফার্মের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রমনী কান্তি চাকমা, জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: আব্দুর রহমান, জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা: দেবরাজ চাকমা, সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপি টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর ফিরোজ ফয়সাল প্রমূখ। স্বাগত বক্তব্য দেন সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপি কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্প (২য় পর্যায়) ডিস্ট্রিক্ট অফিসার সুকিরন চাকমা।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে রেমলিয়ানা পাংখোয়া বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদগুলো কাজে লাগিয়ে আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। ১০ দিনের প্রশিক্ষণের পর কৃষক সহায়তাকারীদের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে কৃষি বিষয়ে জ্ঞানগুলো ছড়িয়ে দিতে হবে। এই প্রকল্পের প্রধান হাতিয়ার কৃষক সহায়তাকারী। তাই অবশ্যই আগে কৃষক সহায়তাকারীরা দক্ষ হতে হবে। শিখতে হলে জানতে হবে। অভিজ্ঞতাগুলো কাজে গ্রামে গিয়ে কাজে লাগাতে হবে।

সভাপতির বক্তব্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে কৃষি প্রচুর সম্ভাবনা। এই অঞ্চল থেকে কলা, আনারস ইত্যাদি বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার ভিশন ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ডানিডা অর্থায়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্প কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি এই এলাকায় হিমাগার স্থাপনে যেকোনো উদ্যোগে সহায়তার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য,রাঙামাটির কাউখালী ও নানিয়ারচর উপজেলার মোট ৪২ কৃষক সহায়তাকারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি উপজেলার কৃষক সহায়তাকারীদের এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জুরাছড়িতে গুলিতে নিহত কার্বারির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় স্থানীয় এক কার্বারিকে (গ্রামপ্রধান) গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা। রোববার …

Leave a Reply