নীড় পাতা » পাহাড়ের অর্থনীতি » হোটেল ব্যবসায়ির পর্যটন ভাবনা

হোটেল ব্যবসায়ির পর্যটন ভাবনা

Nesar-Ahmed-Hotel-Princeরাঙামাটি হোটেল মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: নেছার আহম্মেদ,যিনি শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকার ‘হোটেল প্রিন্স’র ও স্বত্ত্বাধিকারি। রাঙামাটির পর্যটন ব্যবসার সাম্প্রতিক হাল হকিকত এবং বাস্তবতা সম্পর্কে রোববার পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কম এর সাথে এক বিশেষ সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন নিজেদের অবস্থান। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন পাহাড়টীমের সদস্য জিয়াউল হক

‘গত বছরের চেয়ে এই বছর আমাদের সকলের ব্যবসা ভাল হচ্ছে। বিশেষ করে এখানকার পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক ভাল। এটাকে ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের।’

‘রাঙামাটি হোটেল মালিক সমিতি’ নামে আমাদের একটি সংগঠন আছে। এই সংগঠনে আমরা যারা আছি, তারা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছি সারা দেশ থেকে যে সকল মানুষ তাদের সঞ্চিত অর্থ একটু নিরাপদে শান্তিতে মনকে ফ্রেশ করার জন্য, রাঙামাটির অপরূপ সুন্দর দৃশ্য দেখার জন্য চলে আসে তাদের নূন্যতম সুযোগ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছি আমরা। তারা যাতে ঘুরে গিয়ে আবারো পরের বছর ঘোরার জন্য রাঙামাটিকে বেছে নেয়, এটাই আমাদের কামনা।

‘সরকার পার্বত্য এলাকায় পর্যটন শিল্পকে পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করেছে। জেলা পরিষদ এই বিষয়টি নিয়ে কোন চিন্তা করছে বলে মনে হয় না। জেলা পরিষদের পক্ষে এই শিল্পের বিকাশ ঘটানোর জন্য অনেক কিছু করা সম্ভব। কিন্তু তারা কিছু করছে বলে আমাদের মনে হয় না। দূর দূরান্ত থেকে আসা পর্যঠকদের জন্য তারা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যে যাদুঘরটি আছে তা খোলা রাখার ব্যবস্থা রাখতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়,সরকারি অফিসের মতো এটিও শুক্র, শনিবার বন্ধ থাকে । বিশেষ ব্যবস্থায় পর্যটন মৌসুমে এটি চালু রাখা গেলে পর্যটকরা এখানকার সংস্কৃতি সর্ম্পকে যেমন ভালোভাবে জানতে পারতো,তেমনি জেলা পরিষদও আর্থিকভাবে লাভবান হতো।

সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে প্রতিবছর থার্টিফাষ্ট নাইট উপলক্ষ্যে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে কিন্তু রাঙামাটিতে আমরা উদ্যোগ নিলেও তা নিরাপত্তার অজুহাতে কিছুই করতে দেয়া হচ্ছেনা। পর্যটন কর্পোরেশনও পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য তেমন কোন ব্যবস্থা নেয় না। তারা যদি বিভিন্নভাবে প্রচার প্রচারনা ও তাদের ভিতরের জায়গাটি আরো ব্যাপক উন্নয়ন করে পর্যটকদের আর্কষন তৈরী করে এমন কিছু স্থাপনা তৈরী করতো তাহলে এ জেলায় আরো বেশি বেশি পর্যটক আসতো । অথচ ইচ্ছে করলেই তারা এটি করতে পারে। তারা যদি আমাদের সহায়তা লাগবে মনে করেন, আমরা তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত আছি।

হ্রদে পুলিশ টহলের ব্যবস্থা রাখার প্রয়োজনীয়তা মনে করছি। আমরা কোন পর্যটককে দুপুর ২টার পর যাতে নদীতে ভ্রমন না করে সেই ব্যপারে আমাদের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হচ্ছে। তারপরও নদীতে আরো নিরাপত্তা দেওয়া প্রয়োজন আছে, আমরা যতবেশী পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে পারবো,নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবো ততবেশী পর্যটক আসবে।

আমাদের হোটেল মালিক সমিতির পক্ষ থেকে স্থানীয় সকল রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আমাদের অনুরোধ, এই সময়ে সবচেয়ে বেশী সংখক পর্যটক ঘুরতে আসে, তাই আপনারা এমন কোন কর্মসূচী দিবেন না, যাতে পর্যটকরা নিরাপত্তার কারণে না আসে। এতে করে রাঙামাটিই পিছিয়ে পড়ছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান কুজেন্দ্রের

কভিড-১৯ মহামারী উত্তরণে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য …

২ comments

  1. onar hotel er onk sunam sunechi………………………….oni r ki bolben!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

  2. onar hotel er onk sunam sunechi………………………….oni r ki bolben!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

Leave a Reply

%d bloggers like this: