নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » হুইসেল বাজছে

হুইসেল বাজছে

ঘুম ঘন্টা ধরে মানুষের সঙ্গী, বিষয়টা ভয়ংকর, দেখা হয়ে যায় নিয়ন্ত্রনের সাথে। অতঃপর জেগে উঠতেই হয়। পৃথিবীতে জন্মানো প্রত্যেক কলি মেলে দেয় আলোতে, অন্ধকারে। যেখানে
মানুষের উপস্থিতি দুর্গম, নিষ্ঠুর, তার জন্য সম্মুখে পাখা ঝাপটায় রোমাঞ্চকর অনুভূতি, প্রণয়, স্বপ্ন, যত সব আকাঙ্খা। আমাদের পশুরা ঋতুতে কাছে আসে, পরস্পর চিৎকার করে, বেলা মানে না, যেন আকাশের নিচে আলোর উজ্জ্বল উপস্থিতি সম্পূর্ণ নিজের, রোদরাত্রি, মাতাল জলের গ্লাস। আমার থেকে চারপাশ। কথা বলছি, হাসছি, রাগ করছি, কিছুটা বিষাদ নিয়ে বয়ে যাচ্ছি নদীর মতো জনসমুদ্র। জীবনের মরু, ঝড়, বৃষ্টি ও তুষার নিয়ে বেয়ে ওঠছি পৃথিবী কোথায় কোথায়। দেখো সীমানা প্রাচীরগুলো এক ধরনের গিরগিটি, রং বদলায়, ঘ্রাণ ছাড়ে অজানা গোপন বিস্তার লুকোনো, এই চঞ্চল সময় মানুষের ভেতর প্রাণ। বুকের ভেতর প্রশস্ত দু’ধার নিয়ে রেলগাড়ি চলে যাচ্ছে, শব্দ হচ্ছে, শোনা যাচ্ছে নিঃশ্বাস, দীর্ঘশ্বাসের হুইসেল।

রাস্তা

পথের দু’পাশে ভীড় করে দাঁড়িয়ে থাকা হাইরাইজ পাথরের কোমরে, মধ্য দুপুরে সাহসী কাকের চিৎকার চৈত্রের বিরুদ্ধে যেন সৈনিক মাঠ কার্নিশে, জানালার গ্রিল ফাঁকি দিয়ে, সমস্ত বাধা বিপত্তির দরজা ঠেলে, পৃথিবীর অবশিষ্ট শিশুর কোমল মুখের মতো উঁকি দেয়, হাসি দেয়, নক্ষত্র পতনের ঝিলিক দেয় জীর্ণ, শ্যামল রোদে পোড়া ধূসর গায়ের রঙে প্রছন্ন গম্ভীর মুখে মিছিলের মাঝে দালান। প্রচণ্ড ক্লান্ত, সব রকম বিমর্ষ, ঘুটঘুটে নৈশব্দের অবুঝ তার নিরবতা। আমাদের প্রাচীন গন্ধমাখা সময়ের দীর্ঘ বোঝা ভর্তি বৃক্ষের শরীর, আকাশের সাথে উঁচু, ছড়িয়ে ছিটিয়ে উদার বিস্তার নিয়ে শহরের সবচেয়ে বয়স্ক, অতীতের তরতাজা স্নিগ্ধতা লেপা ঘরের মতো এই মহানগরে নদীঘেষা পাড়ায় নিখোঁজ তারা ঐতিহাসিক কিছু দালান। ঠিকানা তাদের উন্মুক্ত বটবৃক্ষ, সুবিশাল ছায়া এবং মানুষের নিঃসঙ্গতার যাত্রা, দূর ব্যবচ্ছেদ করা জংশন, দু’জন দু’দিকে চলে যাওয়া মোড়, সাক্ষাত সম্ভাবনার চৌরাস্তা থেকে বুকের ভেতর বাইপাস, সমস্ত রাস্তায় সবার মাঝে একা এবং একমাত্র গোলচত্বর।

জেব্রাক্রসিং

বলছি, তিনি সহজ সরল। অর্থাৎ মানুষটাকে নিতান্তই সভ্যতার জন্য ক্ষমার যোগ্য বোকা হিসাবে বিবেচনা করতে পছন্দ করছি, করে যাচ্ছি। সভ্যতার সুবিধাভোগীদের জন্য জীবন ধারনের বেশ কিছু নিয়মকানুন বানিয়ে দেয়, যেমন পৃথিবীতে মৃত্যুর রেপ্লিকা ঘুম, যা থেকে পরিত্রাণ ভাবছে ভাঙ্গা। যখন জাগি চোখের সামনে এত অসংখ্য কিছু বয়ে নিতে মুখোমুখি ক্লান্তি আসে, এ আগমন মানুষের গোপন কোথাও একটা চরিত্র সৃষ্টি করে যা অপেক্ষা। অনন্ত এই সময়ের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দুরন্ত থাকে অনুভূতি, যার মুখোশ আনন্দের, বেদনার, উন্মাদনার মতো উৎসবের পূর্ব রাত্রির সাঁজ। কপালের পূর্ণ জোসনার এ চাঁদ হিংসার, ক্ষতবিক্ষত লুকোনোর দাগ ঘিরে মানুষের কারুকার্য। এসব কৌশল শিখে রাস্তার পারাপার ডোরাকাটা জেব্রাক্রসিং, সভ্যতা যেন সাদা আর কালো’র মতো দূরে যাওয়া এবং

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লংগদুতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপি’র প্রচারপত্র বিতরণ

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতামূক প্রচারণা ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার …

Leave a Reply