নীড় পাতা » ফিচার » অরণ্যসুন্দরী » হাতছানি দিয়ে ডাকে তৈদুছড়া ঝরনা

হাতছানি দিয়ে ডাকে তৈদুছড়া ঝরনা

এ কোন মানুষের তৈরী নয়,সত্যই সৃষ্টিকর্তার গড়া। বার বার হাতছানি দিয়ে ডাকে,ঝরনা,জলপ্রপাত আর হাতির আকৃতি পাথরের তৈদুছড়া। ছুটি কিংবা অবসর সময়ে ঘুরে আসতে পারেন খাগড়াছড়ির দীঘিনালার তৈদুছড়ার বিশাল দুইটি ঝরনা,জলপ্রপাত,পাথরের গুহা আর হাতি আকৃতির পাথরসহ সবুজ পাহাড়ের নানা অপরুপ দৃশ্য। এসবই রয়েছে মাত্র সামান্য দূরত্বে একটি জায়গায়। বর্তমানে সারাদেশে ভাল ব্যাপক সারা ফেলেছে দীঘিনালার এ পর্যটন স্পটটি। আশ্চার্য্যরে বিষয় হচ্ছে প্রায় তিনশ ফুট উচ্চতার পাহাড়ের ওপরে রয়েছে পাথরের ছড়া,সেখানে অনায়াসে মাছও ধরতে পারবেন। ২০১০ সালে আমাদের প্রথম তৈদুছড়া দর্শন। পাহাড়ীদের মূখে তৈদুছড়ার সৌন্দর্য্যরে নানা কথা শুনে ২০১০ সালের ৪ আগষ্ট তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মিঞা ও শিক্ষক রাজীব ত্রিপুরার নেতৃত্বে সর্বপ্রথম তৈদুছড়া দর্শন।
ত্রিপুরা ভাষায় তৈদু শব্দের অর্থ হচ্ছে পানির দূয়ার বা পানির দরজা। সত্যই খাগড়াছড়ির দীঘিনালার তৈদুছড়া এলাকাটি যেন সৃষ্টিকর্তা নিজেই সাজিয়েছেন। কয়েকজন পাহাড়ীর মূখে তৈদুছড়ার নানা অপরুপ দৃশ্যের কথা শুনে প্রথমে কারও বিশ্বাসই হচ্ছিল না,যে দীঘিনালায় এ ধরনের অপরুপ দৃশ্যে সম্বলিত কোন এলাকা থাকতে পারে। পরে শিক্ষক রাজীব ত্রিপুরার মূখেও একই কথা শুনে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান মিঞাসহ সিদ্ধান্ত হলো তৈদুছড়া যাওয়ার। সফরসঙ্গী ইউএনও মোঃ মনিরুজ্জামান মিঞা,সরকারী শিক্ষক রাজীব ত্রিপুরা,দাউদ ভাই,জাহাঙ্গীর আলম রাজু,জাকির হোসেন,আমি সংখ্যালঘু পলাশ,মফিজ আর অম্লান চাকমা। আমরা প্রথম তৈদুছড়া দর্শন করেছি বোয়ালখালী ছড়া অভিযানের মাধ্যমে। ২০১০ সালের ৪ আগষ্ট গাড়ীতে করে উপজেলার চাপ্পাপাড়া পর্যন্ত গিয়ে রওনা দিলাম পায়ে হেঁটে। এখন আবার সীমানা পাড়া দিয়েও যাওয়া যায়। আমরা প্রথমে গিয়ে পৌঁছালাম বোয়ালখালী ছড়া পার্শ্বের গ্রাম বুদ্ধমা পাড়া। সেখানে পাহাড়ীদের সাথে নানা গল্প গুজব করে ওই এলাকার অজিত ত্রিপুরা নামে একজনকে আমাদের সঙ্গে নিলাম। পথে দেখা হলো জুমে যাওয়া যুবক দিগন্ত চাকমা ও অনন্ত চাকমা নামক দুই ভাইয়ের। তাঁরাও আমাদের সাথী হয়ে চলতে চলতে তৈদুছড়ার অপরুপ দুশ্যের বর্ণনা দিচ্ছিলেন,শুনে যেন বার বার এগিয়ে যাওয়ার আরও আতœপ্রত্যয়ী হচ্ছে সবাই।
বোয়ালখালী ছড়া পেরিয়ে তৈদুছড়ার মূখ দিয়ে প্রবেশ করলাম। অবশ্য হাঁটতে হবে পানি আর পাথর দিয়ে,সবাই ছুটে চললাম। তৈদুছড়া দিয়ে যতই সামনে এগিয়ে যাচ্ছি ততই যেন প্রকৃতির কাছে হারিয়ে যাচ্ছি। ছড়ার মাঝে দূর থেকে দেখলে হঠাৎ মনে হবে কোন বুনো হাতির পাল হয়তো পানিতে গা ভাসিয়ে রয়েছে। কিন্তু কাছে যেতেই ভুল ভাঙলো এগুলো হাতি নয় সারিবদ্ধ বড় বড় পাথর। আবার সামনে যেতেই পাথরের নানা আকৃতি,কোন কোন পাথর অবিকল ফুটবলের মতো,কোনটি দেখতে অবিকল হাতি। ছড়া দিয়ে অগ্রসর হলেও ছড়াটি পুর্টোাই পাথর পরিবেষ্টিত,মাঝে মাঝে সুরঙ্গের মতো। ছড়া দিয়ে এক ঘন্টা হাটার পর হঠাৎ তীব্রবেগে পানি গড়িয়ে পড়ার শব্দ। তখন অজিত ত্রিপুরা জানালেন,আর দশ মিনিট পথ এগিয়ে গেলেই তৈদুছড়া জলপ্রপাত। শব্দটি জলপ্রপাতের,অজিতের মুখে কথাটি শুনেই যেন সবাই চমঙ্কিত হয়ে উঠলেন সবাই,ভাবলাম এতো দূর থেকে জলপ্রপাতে শব্দ শুনা যাবে কিনা। হাঁ দশ মিনিটের পথ এগিয়ে যেতেই সামনে স্বপ্নের তৈদুছড়া জলপ্রপাত। সাথে সাথে সকলে জলপ্রপাতে গা ভাসিয়ে দিলেন। এখানে কিছুক্ষন কাটানোর পর এবার অজিত জানালেন ছড়ার উপরে গেলে যেখান থেকে পানি আসছে তাঁর দৃশ্য দেখা যাবে। ছুটলাম ছড়ার উপরে। তবে এখানে একটি কথা বলা রাখা দরকার তা হলো তৈদুছড়াটি দেখতে মুলত পাকা সিঁড়ির মতো,শুধু উপরেই উঠতে হবে। পাহাড়ের উপরেও এ ছড়াটির পানির ধারা প্রবাহিত হচ্ছে। তৈদুছড়া জলপ্রপাতের উপরে গিয়েতো অবাক,সৃষ্টি কর্তা যেন সবার একটু বিশ্রাম নেয়ার জন্য পাকা ফ্লোর নির্মাণ করে রেখেছেন। পাহাড় থেকে প্রায় একশ ফুট নিচে তৈদুছড়া জলপ্রপাত,এর একশফুট উপরেও ছড়া। দুই পাশে সারি সারি পাথর,পাথরে ফ্লোর আর তাঁর মাঝখান দিয়ে তীব্রবেগে ছুটে চলেছে ছড়ার পানি,নিচে পড়ে সৃষ্টি হয়েছে জলপ্রপাত। এখানে আমরা সামন্যা বিশ্রাম ও নাস্তা সেরে এবার রওনা দিলাম তৈদুছড়া ঝর্ণার দিকে। প্রায় এক ঘন্টা ছড়া দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পর এবার পানি গড়িয়ে পড়ার বিকট আওয়াজ। অজিতকে জিজ্ঞেস করতেই সে জানালো আমরা ঝর্ণার সন্নিকটে এসে পড়েছি। আরেকটু এগিয়ে যেতেই,সবাই আনন্দে আতœহারা। প্রায় তিনশ ফুট উচ্চতা থেকে ঝর্ণার পানি পড়ছে। ঝরনাটি ঠিক সিঁড়ির মতো,পাঁচটি ধাপ। সব ধাপেই বসে ও শুয়ে পানিয়ে গা ভাসানো যায়। মাঝে মাঝে আবার পানির স্রোত বেড়ে যায় এবং হঠাৎ ধাক্কা মারে। সেজন্য একটু বাড়তি সর্তক নেওয়া প্রয়োজন। ঝরনার নিচে একটি বড় লেক। সাঁতরিয়েও ঝরনায় যাওয়া যায়। অবশ্য লেকে সাঁতরিয়ে না গিয়ে পাথরের ওপর দিয়ে হেঁটেও যাওয়া যায়। অজিত পিুরা জানালে এটি হলো ছোট ঝরনা বড় ঝরনাটি রয়েছে এই পাহাড় প্রায় তিনশ ফুট উপরে। তবে যেতে কষ্ট হবে না। সঙ্গী কামনা ত্রিপুরা তখন বলেন,এবার ওখানেই যাবো। পাহাড় উঠার পর যেন সবাই আনন্দে আতœহারা। তিনশ ফুট উপরে এত বড় ছড়া,এখানে আবার আদিবাসীরা মাছও ধরছে। ছড়া দিয়ে একটু যাওয়ার পর চোখে পড়লো আরও একটি পাথরের সিঁড়ির জলপ্রপাত। আরেক একটু যাওয়ার পর এবার পেরোতে হবে পাথরের গুহা। গুহায় প্রবেশ করতেই যেন সবাই আশ্চার্য্য। গুহার দুই পার্শ্বে পাথরের পাহাড় কয়েক দাপ,যেন বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বেঞ্চ রাখা হয়েছে। গুহা পেরিয়ে এবার বড় ঝরনা। ঝরনাটিতে বিকট আওয়াজে জল গড়িয়ে পড়ছে। আশ্চার্য্যরে বিষয় হচ্ছে এ ঝরনাটিও কয়েক ধাপে পাথরের সিঁড়ি। সেখানেও শুয়ে বসে জলে গা ভাসিয়ে দেয়া যায়। তবে ঝরনাটির বৈশিষ্ট হচ্ছে এটি পিচ্ছিল নয়। ঝরনা দেখে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আবু সায়েম বলেন,চাকুরীর কারণে দেশের অনেক জায়গায় গিয়েছি। দেশের প্রায় পর্যটন স্পট,ঝরনা দেখারও সৌভাগ্য হয়েছে। তৈদুছড়ার এ ঝরনাটির বৈশিষ্ট বাংলাদেশের অন্য ঝরনা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ঝরনাটি মাধবকুন্ড জলপ্রপাত আর ঝরনার চেয়েও অধিক সুন্দর এবং নিরাপদ। অপর সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাছুম বলেন,নিজ চোখে না দেখলে তৈদুছড়ার প্রাকৃতিক দৃশ্য কাউকে বলে বুঝানো যাবে না। একটি জায়গায় ঝরনা,জলপ্রপাত,হাতির মতো পাথর আর বড় আশ্চার্য্যরে বিষয় হচ্ছে ঝরনায় যাওয়ার পথে পাথরে গুহা। যেখানে বসে নাস্তা পানির কাজটি সেরে নেওয়া যায়। তবে আপাতত পর্যটকদের সবিধার্থে এখানে একটি শৌচাগার ও একটি ড্রেসিং রুম তৈরী হলে খুবই ভাল হবে। ঝরনা দেখে শিক্ষক রাজীব ত্রিপুরা বলেন,এ ঝরনাটি পার্বত্য চট্টগ্রামের শ্রেষ্ট ঝরনা হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। আমি নামকরা অনেক পাহাড়ি ঝরনা দেখেছি এ ধরণের বড় ঝরনা ও প্রাকৃতিক দৃশ্য সম্বলিত ঝরনাধারা আর দেখিনি। অজিত ত্রিপুরা জানালেন,এ ঝরনা দুইটিতে সারা বছর একই নিয়মে পানি প্রবাহিত হয়। আমরা ছোট থেকে ঝরনা দুইটি দেখছি,কোনদিন পানি কম প্রবাহিত হতে দেখিনি। ঝরনার আশে পাশে জুমের পাহাড়,জুমে ফসল আসতে শুরু করেছে ঝরনা আর জুমের পাহাড় গুলো দেখতে যেন অন্যরকমই লাগে। মনবালা ত্রিপুরা নামে এক আদিবাসী নারী জানালেন,পাহাড়ের ঝরনা আর সুন্দর পাথরের টানে এখন অনেক লোক আসে। ভালই লাগছে,না হলে আমাদের কেউ দেখতেও আসতো না। গ্রামের পথ দিয়ে কোন মানুষ গেলে আমাদের কাছে অতিথি মনে হয়। তাঁকে সন্তুষ্ট করতে পারলে,আমাদের পূণ্য হবে। তৈদুছড়ার আশে পাশের গ্রামের আদিবাসীরা এতই সহজ সরল ও অতিথি পরায়ন। নাম না জানা একজনতো দৌঁড়ে এসে তাঁর জুমে ধরা ফসল শসা(স্থানীয় ভাষায় মারফা)খেতে খুব তোড়জোর করলেন,কিন্তু আমাদের দেরী হচ্ছে দেখে তাঁকে ফেরার পথে খাবো বলে আশ্বস্থ করে চলে আসলাম,তবে ফেরার পথে ওই পথে আর ফেরায় সেই সরল আদিবাসীটির শসা আর খাওয়া হলো না। ফেরার পথে বোয়ালখালী ছড়া পার্শ্বে একটি বাড়ি থেকে এক আদিবাসী বয়স্ক নারী আমাদের চেহারা দেখে হয়তো বুঝতে পেরেছেন আমরা ক্ষুধার্থ,তাই ওই আদিবাসী নারীটি তাঁর নিজস্ব গাছ থেকে আমাদের পেয়ারা এনে খেতে দিলেন। সফর স্ঙ্গী অজিত ত্রিপুরার আক্ষেপ করে বললেন,এ প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো প্রচার হলে অনেক নামী দামী মানুষ আসবেন,এতদিন আমাদের ভাগ্য না বদলালেও এ ঝর্ণাধারা সুবাধে ভাগ্য বদলাতেও পারে। আমরা আশে পাশের তিন,চারটি গ্রামবাসী নলকূপ কি জিনিস এবং তাঁর পানির সাধ পাইনি। এখন পর্যন্ত খাচ্ছি পাহাড়ী ছড়া ও ঝর্ণাধারার পানি। তাঁর কথার সাথে সুর মিলিয়ে দীঘিনালা পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের সভাপতি বন্ধুবর জাকির হোসেন,বললেন এ সহজ সরল আদিবাসীদের পূঁজিকরে অনেকেই সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আসন নিয়ে আছে,অথচ ওদের খবর রাখেন না। এ পাহাড়ী পরিবার গুলো ইচ্ছা করলে বড় বড় অপরুপ সৌন্দর্য্যের পাথর গুলো ভেঙ্গে বা বলাষ্ট করে বিক্রি করতে পারতো অথচ তাঁরা তা করেননি। ওরা পরিবেশকে বাঁচিয়ে রেখেছে,আর আমরা অনেক সচেতন মানুষ প্রতিনিয়ত পরিবেশ ধ্বংস করে চলেছি।
২০১০ সাল থেকে আমাদের তৈদুছড়ায় ঘুরতে যাওয়ার শুরু। এখন পত্র পত্রিকায় লেখালেখির সুবাধে দেশের বিভিন্নস্থান থেকে ভ্রমুনপিপাসুরা তৈদুছড়ায় ঘুরতে আসেন। সর্বশেষ যাই গত ৩১ আগষ্ট। সীমানাপাড়া দিয়ে।

এখানে জেনে রাখা ভাল

দীঘিনালা উপজেলা সদর থেকে তৈদুছড়া যাওয়ার পায়ে হাঁটাছড়া কিন্তু কোন উপায় নেই। পায়ে হাঁটলেও কোন অসুবিধা হবে না। দীঘিনালার চাপ্পা পাড়া দিয়ে গেলে চলতে পানি পথে। তেমন কোন পাহাড়ও বেঁয়ে উঠতে হবে না। আট দশজনের একটি দল হলে আনন্দ উল্লাস গল্প গুজবে কখন গন্তব্যে এসে পৌছাবেন নিজেই বুঝতে পারবেন না। আর সীমানা পাড়া দিয়ে গেলে সীমনাপাড়া পর্যন্ত গাড়িতে করে গিয়ে ৪০ মিনিট পথ পায়ে হাঁটতে হবে। তৈদুছড়ায় ঘুরতে গেলে দুইটি ঝরনা আর পাথরের অপরুপ দৃশ্য গুলো না দেখে আসলে আফসোস করবেন। তবে যাওয়ার সময় একজন পরিচিত পাহাড়ী গাইড নিলে সব চাইতে ভাল হবে। তৈদুছড়ায় গেলে মন আর ইট পাথরের শহরে ফিরে আসতে চাইবে না। পাহাড়ে নানা পাখির কলতান,ঝর্ণার পানির শব্দ,পাথরের নানা দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।

কিভাবে যাবেন তৈদুছড়ায়

যারা ঢাকা থেকে আসতে চান অবশ্যই কলাবাগান,কমলাপুর থেকে শান্তি পরিবহণ,সৌদিয়া,এস,আলম ও শ্যামলী ও ষ্টার লাইন,বিআরটিসি পরিবহণে আসতে হবে। যেকোন একটি গাড়িতে দীঘিনালার নৈশ্য কোচে অথবা খাগড়াছড়ির নৈশ্য কোচে এসে জেলা অথবা উপজেলা সদরের কোন আবাসিক হোটেলে একদিন বিশ্রাম নিয়ে পরদিন সকালে যেতে পারেন তৈদুছড়া। তৈদুছড়ার সব দৃশ্য দেখে ঘুরে আসতে সময় লাগবে আসা যাওয়াসহ সব মিলিয়ে পাঁচ ঘন্টা। তবে ভোরে রওনা দিলে তিনটার মধ্যে ফেরা সহজ হবে। যারা চট্টগ্রাম থেকে আসবেন তাঁরা চট্টগ্রামের অক্সিজেন থেকে শান্তি পরিবহণের সরাসরি গাড়িতে দীঘিনালা এসে একই পদ্ধতিতে তৈদুছড়া সফর করতে পারেন। দীঘিনালার বাস টার্মিনাল সংলগ্ন দীঘিনালা গেষ্ট হাউজে রাত্রী যাপন করতে পারেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

পাহাড়ের বুকে সবুজের সমারোহ ওয়াগ্গা চা বাগান

পার্বত্য চট্টগ্রামের অপরূপ সৌন্দের্যে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা চিরমুগ্ধ। কেননা প্রকৃতি যেনো এখানে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে সবটা উজাড় …

Leave a Reply