নীড় পাতা » ব্রেকিং » হত্যাচেষ্টা মামলায় যুবলীগ নেতা মিজান-আরিফ কারাগারে

রাঙামাটিতে যুবলীগ নেতাকে

হত্যাচেষ্টা মামলায় যুবলীগ নেতা মিজান-আরিফ কারাগারে

যুবলীগ নেতা মিজান ও আরিফ

রাঙামাটি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মো. নাসিরকে কুপিয়ে এবং পায়ের রগ কেটে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চার্জশীটভুক্ত ৭ আসামির ২ জনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত, জামিন দিয়েছেন ৪ জনকে।

জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে ৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ এবং জেলা যুবলীগের সহসম্পাদক মিজানুর রহমানকে। অন্তর্বর্তীকালিন জামিন পেয়েছেন- জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহাব খান, কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দীপংকর দে, কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য আজমীর হোসেন। এর আগে এই মামলায় গ্রেফতার হয়ে বেশ কিছুদিন কারাবরণ করে জামিন পেয়েছিলেন আরেক আসামি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য মীর শাকিল।

রোববার দুপুরে রাঙামাটির চিফ জুসিডিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রবাল চক্রবর্তীর আদালতে হাজির হয়ে আসামিরা জামিন চাইলে আদালত নথিপত্র পর্যালোচনা করে দুই আসামিকে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন এবং বাকিদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এই মামলার আরেক আসামি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজনকে এর আগেই পুলিশি চার্জশিটে বাদ দেয়া হয়েছিলো।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ জানুয়ারি রাঙামাটি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসিরকে কুপিয়ে এবং পায়ের রগ কেটে গুরুতর আহত করে একদল যুবক। এ ঘটনায় ৩১ জানুয়ারি নাসিরের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালী মামলা করেন। কিন্তু কভিড-১৯ এর কারণে আদালতের বিচারিক কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আসামিরা রোববার জামিন আবেদন নিয়ে আদালতে গেছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বিপ্লব চাকমা জানিয়েছেন, আসামিরা নিয়মানুসারে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। আদালত আবেদন পর্যালোচনা করে ৪ জনকে জামিন এবং ২ জনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। এর আগে এই মামলার আরেক আসামি মীর শাকিল গ্রেফতার হয়ে কারাবরণের পর জামিন নিয়েছিলেন।

হামলায় আহত যুবলীগ নেতা মো. নাসির বলেন, তারা জামিনের জন্য আজ (রোববার) আদালতে হাজির হবে, এটা আমি জানতাম না। তাই আমার পক্ষে আদালতে কোন আইনজীবীও ছিলোনা। তবুও মহামান্য আদালতে অন্যতম দুই আসামিকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন, বাকিদেরও জেল হাজতে পাঠালে আমি খুশি হতাম। আমি ন্যায় বিচার চাই।’

একই সাথে পুলিশের চার্জশীট থেকে অন্যতম আসামি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজনের নাম বাদ দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জিয়া জানিয়েছেন, ‘আমি কিছুদিন আগে চার্জশিট দিয়েছি। সেখানে সাতজনের নাম উল্লেখ করেছি। আসামিরা জামিন চেয়েছেন কিনা সেটা আমি জানিনা।’

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার প্রতিবাদ রাঙামাটিতে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার নামে ‘উগ্রমৌলবাদ ও ধর্মান্ধগোষ্ঠীর জনমনে বিভ্রান্তির …

Leave a Reply