নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » স্বপ্ন আর পরিকল্পনা জানালেন ৯ উপজেলা চেয়ারম্যান

স্বপ্ন আর পরিকল্পনা জানালেন ৯ উপজেলা চেয়ারম্যান

9-chairman-picশপথ গ্রহনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন খাগড়াছড়ি এবং রাঙামাটির ৯টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানবৃন্দ। বৃহষ্পতিবার বিকালে খাগড়াছড়ি টাউন হলে শপথ নিলেন খাগড়াছড়ি সদর, পানছড়ি, মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড়, মানিকছড়ি, লক্ষীছড়ি এবং রায়ামাটির নানিয়ারচর ও কাপ্তাই উপজেলার ৯ চেয়ারম্যান, ৯ পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান এবং ৯ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। শপথ গ্রহণের পর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কম কে নিজেদের কিছু পরিকল্পনা আর স্বপ্নের কথা জানান ৯ চেয়ারম্যান।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চঞ্চুমনি চাকমা বলেন, আমি শুরুতে ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে অত্র এলাকার সামাজিক উন্নয়ন করাকে গুরুত্ব দেব। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ভূমিকা রাখবো। আত্মনির্ভরশীল কর্মকান্ডে সকল স্তরের জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করবো। পাশাপাশি জবাবদিহিতার মাধ্যমে স্বচ্ছতার সহিত প্রশাসনিক দ্বায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবো।

মহালছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা বলেন, ‘আমার মৌলিক কাজ হবে পাহাড়ী-বাঙ্গালীর মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহন করবো। মহালছড়ির প্রত্যন্ত অঞ্চলের পানীয় জলের সংকট নিরসনসহ শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও কৃষির উন্নতি সাধন করা। আর এই কাজগুলো সম্পাদন করতে দলমত নির্বিশেষে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সহযোগীতা নিবে।

পানছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সর্বত্তোম চাকমা বলেন, আমার প্রধান এবং প্রথম কাজ হবে দায়িত্ব হবে আমার উপজেলার সাম্প্রায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা এবং এলাকার উন্নয়নে গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পরামর্শক্রমে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

রামগড় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ফরহাদ বলেন, ‘আমি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাটের উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করবো। সর্বোপরি সম্প্রীতি ও সৌহার্দ বজায় রাখার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

মানিকছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ¤্রাগ্য মারমা জানান, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সবার জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করবো।’

প্রশাসনকে দলীয় মুক্ত রাখার কথা জানালেন লক্ষীছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুপার জ্যোতি চাকমা। তিনি বলেন, ‘আমি প্রশাসনকে দলীয়মুক্ত করার চেষ্টা করবো। এছাড়া শিক্ষা, যোগাযোগের উন্নয়ন ও বিশুদ্ধ পানি ও স্থানীয়দের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দেবো।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম কাজ হবে উপজেলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে উপজেলার শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি করা।

এদিকে রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা বলেন, ‘আামি আর্থ সামাজিক উন্নতি ও আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নের জন্য সচেষ্ট থাকবো। উপজেলার সংযোগ সড়ক ব্যবস্থাকরণ সর্বোপরি যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতির উদ্যোগ গ্রহন করবো। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন দারিদ্র দূরীকরণের জন্য আর্থ কর্মসংস্থান সৃষ্টির করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবো।

তবে ক্ষমতায় গিয়ে কর্মকান্ড নির্ভর করছে সরকারের উপর বলে জানালেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন। তিনি বলেন, প্রথমে সরকারকে উপজেলা পরিষদগুলোর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে। যদি তা না করে তাহলে আমরা কাজ করতে পারবোনা। ক্ষমতা অনুসারে শিক্ষা অবকাঠামো স্বাস্থ্য, ক্ষুদা ও দারিদ্র নিরসন ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করতে গুরুত্ব দেবো।

তবে পাহাড়ের মানুষ চান নির্বাচিতদের প্রত্যাশা যেন প্রাপ্তিতে পূর্ণ হয়। চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানরা যেন ক্ষমতার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জনগনের জন্য যেন কাজ করে। ভোটারদের দেয়া প্রতিশ্রুতি যেন রক্ষা করে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লংগদুতে মাছের পোনা অবমুক্ত

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের উৎপাদন ও বংশবৃদ্ধির লক্ষে লংগদুতে পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। …

Leave a Reply