নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » স্কুলের মালামাল সরানোর সময় আটক

স্কুলের মালামাল সরানোর সময় আটক

07.06সরকারী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই গোমতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরনো ঘর বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা বিক্রয় করা মালামালসহ প্রধান শিক্ষক মো: রবিউল হোসেনকে আটক করেছে। মঙ্গলবার পার্বত্য খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, সরকারী সম্প্রত্তি নিলামে বিক্রির নিয়ম থাকলেও গোমতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: রবিউল ইসলাম মঙ্গলবার (৭ জুন) সকালে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কাউকে না জানিয়ে মাটিরাঙ্গার এক ব্যবসায়ীর কাছে চল্লিশ হাজার টাকায় বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের মালামাল ।

মঙ্গলবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকার দিনে সকাল বেলা ট্রাকে মালামাল বোঝাই করতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি স্থানীয় গোমতি ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো; শাহজাহানকে জানালে তিনি এলাকাবাসীকে নিয়ে মালামালসহ ট্রাকটি আটক করেন। আটককৃত গাড়ী নং রাঙ্গামাটি-ড-০২-০০১৬। এসময় তারা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: রবিউল ইসলাম-কে আটক করে রাখে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে গোমতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: রবিউল ইসলাম এ প্রতিনিধিকে বলেন, এগুলো ইজারার মালামাল। ইজারাদার আমার মাধ্যমে এসব মালামাল বিক্রি করেছে। তবে ইজারাদারে নাম বা মোবাইল নাম্বার কিছুই তিনি এ প্রতিনিধিকে দিতে পারেননি। তবে নিলাম সংক্রান্ত কাগজ পত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে ১২/০৩/২০১৫খ্রি. তারিখের সিদ্ধান্ত মতে আরো আট মাস আগেই নিলাম হয়েছে এবং নিলামপ্রাপ্তরা মালামাল নিয়ে গেছেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো: এনামুল হক আলীম জানান, বিষয়টি ইতিমধ্যে আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে জানিয়েছি। ম্যানেজিং কমিটি বসে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করবো।

গোমতি ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো; শাহজাহান বলেন, নিলামের মালামাল অনেক আগেই নিলাম গ্রহিতা নিয়ে গেছেন। প্রধান শিক্ষক এখন যা করছেন তা প্রকাশ্যে চুরির সামিল। তিনি তার বিচার দাবী করে বলেন, এ শিক্ষক বিদ্যালয়টিকে তার সম্পত্তি মনে করে।

মালামাল সরানোর বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানেন গোমতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম এমন দাবী করলেও এ বিষয়টি সম্প্রর্কে কিছুই জানেন না বলে এ প্রতিনিধিকে জানান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কৃষ্ণ লাল দেবনাথ। তিনি বলেন, নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা নিয়মানুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে নিলামকৃত মালামাল উক্ত এলাকার থেকে সরিয়ে নিতে হবে। যার সময় আরো আট মাস আগেই শেষ হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিরামকৃত মালামাল না নেয় তা পুনরায় স্কুলের সম্পত্তি নিসেবে বিবেচিত হবে এবং তা পুনরায় নিলামে উঠবে। প্রধান শিক্ষক বিক্রি বা সরানোর এখতিয়ার রাখেন না বলেও জানান তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হলেন দীপংকর তালুকদার

বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী …

Leave a Reply