নীড় পাতা » ব্রেকিং » ‘সময় এসেছে উন্নয়ন বিরোধীদের চিহ্নিত করার’

মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সরঞ্জামাদি বিতরণ অনুষ্ঠানে দীপংকর তালুকদার

‘সময় এসেছে উন্নয়ন বিরোধীদের চিহ্নিত করার’

সমতলের মতো পাহাড়েও উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে বলে মন্তব্য করেছেন রাঙামাটির সাংসদ ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ সদস্য দীপংকর তালুকদার। তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাহাড়ের মানুষের প্রতি আন্তরিক। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) পার্বত্য অঞ্চলে চাহিদার চেয়েও কয়েকগুণ বরাদ্দ বাড়িয়ে দেন। আমরা আজ অনুন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে জায়গা করে নিয়েছে। বাংলাদেশে এখন খালির গায়ে মানুষ আমরা দেখতে পাইনা। মানুষ এখন আর স্যান্ডেল ছাড়া চলাচল ফেরাও করে না। সমতলের মতো এই উন্নয়নের ছোঁয়া পাহাড়েরও লেগেছে।’

সোমবার সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সভাকক্ষে সোলার চালিত এলইডি লাইট ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ডিভাইস বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিদ্যুৎহীন দুর্গম এলাকায় অবস্থিত শিক্ষার্থীদের সোলার শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুতের আলোতে লেখাপড়া করার জন্য এবং বিদ্যুৎবিহীন বিদ্যালয়ে সোলার চালিত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম করার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সহায়তায় এসব সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে দীপংকর আরও বলেন, ‘দুগর্ম এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার সুবিধার্তে আজ তিন জেলার মোট ২৬টি উপজেলায় সোলার চালিত এলইডি লাইট ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ডিভাইস বিতরণ করা হচ্ছে। শিক্ষিত সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই আজকে আমরা এই সোলার প্যানেল ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সরঞ্জামাদি বিতরণ করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক বন্ধু এ ধরণের উন্নয়নমূলক কাজেও অভিযোগ করেন, আজ সময় এসেছে উন্নয়ন বিরোধীদের চিহ্নিত করার। মনে রাখবেন, আমরা যেনো সাম্প্রদায়িক না হই। রাজনীতি করতে এখানে কোনো বাধা নেই। রাজনীতি করতে যেনো আমরা অপরাজনীতির শিকার না হই।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, এখনও সমতলের চেয়ে পার্বত্য অঞ্চল অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। আমরা এই পিছিয়ে পড়াদের জীবন মানোন্নয়নে কাজ করছি। এসময় বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নসাধ বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা’র সভাপতিত্বে ও পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেক আহমদের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষাবিভাগের আহ্বায়ক ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য অংসুই প্রু চৌধুরী, পরিষদ সদস্য সাধন মনি চাকমা, ত্রিদীব কান্তি দাশ, মো. জানে আলম, অমিত চাকমা রাজু, রেমলিয়ানা পাংখোয়া, জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা, কাউখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম চৌধুরীসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিগণ ।

উল্লেখ্য, জেলার নয়টি বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ডিভাইস ও ৭৮জন করে মোট ৭০২জন শিক্ষার্থীদের মাঝে এই সোলার চালিত এলইডি লাইটের সরঞ্জাম প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়গুলো হলো- বরকল উপজেলার বিলছড়া উচ্চ বিদ্যালয়, বিলাইছড়ির ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়, জুরাছড়ির বড়কলক নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাঘাইছড়ির আমতলী উচ্চ বিদ্যালয়, লংগদুর কাট্টলী উচ্চ বিদ্যালয়, নানিয়ারচরের জাহানাতলী ও মহাপুরম উচ্চ বিদ্যালয়, সদর উপজেলার বন্দুকভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কাউখালী উপজেলার ডাবুয়া বৃক্ষভানুপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

পাহাড়ে ইভিএমের প্রথম ভোট হলো খাগড়াছড়িতে

দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচন। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনেকটা …

Leave a Reply