নীড় পাতা » করোনাভাইরাস আপডেট » সমন্বয় সভা : রাঙামাটিতে পিসিআর ল্যাব চাইলেন সবাই

সামান্য টাকার জন্য সমস্যা হবেনা, বললেন সচিবও

সমন্বয় সভা : রাঙামাটিতে পিসিআর ল্যাব চাইলেন সবাই

রাঙামাটিতে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব পবন চৌধুরীর সাথে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্বশীলদের সমন্বয় সভায় প্রায় সকল বক্তাই সমস্বরে রাঙামাটিতে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছেন।

শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সচিব পবন চৌধুরীর সভাপতিত্ব সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার।

এছাড়াও সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটির পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবীর, সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা, রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান মহসিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা উপমা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পবন কুমার চাকমা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার উত্তম খীসা সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি সংস্থার উর্ধতন কর্তা ও সংবাদকর্মীগণ। সভা পরিচালনা করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ।

সভায় রাঙামাটির ত্রাণ বিতরণ ও করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অবহিত করা হয়। সকল সূচকে রাঙামাটি এগিয়ে থাকায় জেলার সকল কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এ জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত সচিব পবন চৌধুরী।
তবে সভায় প্রায় সকলেই তাদের বক্তব্যে রাঙামাটিতে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের জন্য জোর দাবি জানান।

এ প্রসঙ্গে রাঙামাটির পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর বলেন, নমুনা সংগ্রহের পরে রিপোর্ট পেতে আমাদের প্রায় ৭ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এতে রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে, ফলে এখানে যদি একটি ল্যাব স্থাপন করা হয় তাহলে এই ৩ জেলার মানুষ খুব দ্রুত রিপোর্ট পাবে। সংক্রামিতও হবে কম। তাই রাঙামাটিতে একটি ল্যাব স্থাপন করলে এ জেলার মানুষসহ বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার মানুষ আপনার নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।

সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা বলেন, একটি ল্যাব পরিচালনার জন্য যা প্রযোজন তথা টেকনিশিয়ান, স্থান সব কিছুই আমাদের আছে, যদি আমাদের পিসিআর মেশিন দেয়া হয়, তাহলে আমরা সেটি পরিচালনা করতে পারবো।

একটি সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, দেশের ৪৯মত পিসিআর ল্যাবটির দাবিদার রাঙামাটি। এটি হলে এখানকার সাধারণ মানুষ খুবই উপকৃত হবে। পাশাপাশি বাকি দুটি জেলার মানুষকেও ঝামেলায় পড়তে হবেনা।
জেলা প্রশাসক এ কেএম মামুনুর রশিদ বলেন, ল্যাবের জন্য মন্ত্রনালয়কে ইতিমধ্যে আবেদন পাঠানো হয়েছে, এটি হলে পাহাড়ের মানুষ নিরাপদে থাকতে পারবে।

এ বিষয়ে সচিব পবন চৌধুরী বলেন, আমার নিজের দায়বদ্ধতা আছে, হাউজের সকলেই ল্যাবের দাবি জানিয়েছেন, ল্যাবের মেশিনের দামটাও আমি জেনে নিয়েছি। যার দাম ষাট সত্তর লাখ টাকা। এটা তেমন কোন টাকা নয়, চাইলেই ব্যাবস্থা করা সম্ভব। আমাদের সরকার হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করছে। প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে পারলে ল্যাব পাওয়া যাবে। এ ব্যাপারে সহসাই প্রস্তাব পাঠাতে সিভিল সার্জনকে অনুরোধ করে, তিনি বলেন আবেদনের অনুলিপি আমাকে দিবেন।

তিনি আরও বলেন, ল্যাবের ব্যাপারে আগেই স্বাস্থ্য সচিবের সাথে আমার কথা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় যদি বরাদ্ধ না দেয় তাহলে আমাকে জানাবেন, আমি ব্যবস্থা করে দিবো। এই সামান্য টাকার জন্য কোন সমস্যা হবেনা।

জবাবে সিভিল সার্জন বলেন, আজ ( শুক্রবার) বা আগামী কালের মধ্যেই প্রস্থাব মন্ত্রনালয়ে পাঠাবেন এবং অনুলিপি সচিব মহোদয়কে প্রদান করা হবে।

সভায় সব থেকে আলোচিত ইস্যু ছিল সিভাসুর রিপোর্ট। উপস্থিত অধিকাংশ বক্তাই রিপোর্ট নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

পাহাড়ে প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করে তুলছে ‘মিশ্র ফল বাগান প্রকল্প’

পাহাড়ের প্রান্তিক কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ‘মিশ্র ফল বাগান প্রকল্প’। …

Leave a Reply