নীড় পাতা » ব্রেকিং » সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ছাড় নয়

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ছাড় নয়

armyyরাঙামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা সম্পর্কিত সভায় জোনের কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ মাহাবুর রহমান বলেছেন, দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া লংগদু উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্যান্য এলাকার চেয়ে অনেক ভালো আছে। আগামীতেও যেন এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকে সে জন্য সকলকে সহযোগিতা করতে হবে। তিনি বলেন, এই এলাকার মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। তাই, এখানে পাহাড়ি বাঙালি সকলে সহবাস্থানে থেকে বসবাস করছে। এই অবস্থা যেন সবসময় বজায় থাকে। সেনাবাহিনী পার্বত্যাঞ্চলে সকল জনগণের নিরাপত্তা, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের কোনরকম ছাড় নেই। এসকল কর্মসূচির মধ্যে বিভিন্ন মেডিক্যাল ক্যাম্প, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, পল্লী¬ চিকিৎসক প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন রাস্তা কালভার্ট নির্মাণ, বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সার্বিক সহযোগিতা ও খেলাধুলার আয়োজন অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার সকাল দশটায় লংগদু সেনা জোনের চিত্ত বিনোদন কক্ষে আয়োজিত নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা সম্পর্কিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মোঃ মাহাবুর রহমান একথাগুলো বলেছেন।

জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ গোলাম আজম, মেজর তানভীর, মেজর মোঃ নোমান, ক্যাপ্টেন আরেফিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ নাছির উদ্দিন, বাইট্টপাড়া আনসার ব্যাটালিয়নের কমান্ডার তরুন কুমার, লংগদু থানা প্রতিনিধি এস,আই মোঃ জাকির হোসেন, লংগদু প্রেসক্লাবের সভাপতি এখলাস মিঞা খান সহ বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যানগণ, হেডম্যান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

জোন কমান্ডার বক্তব্যে আরো বলেন, জায়গা-জমি সংক্রান্ত জোনে অনেকে বিচার নিয়ে আসে। ভূমিগত সমস্যাসহ বিভিন্ন বিচার শালিস করা সেনাবাহিনীর কাজ নয়। এলাকার উন্নয়ন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশানের কাজে সহযোগিতা করাই সেনাবাহিনীর কাজ। জোন কমান্ডার বলেন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ সে যেই হোক তাকে ধরা হবে। কোনওভাবেই তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে আপনারা জোনকে খবর দিলে জোন অবশ্যই আপনাদের পাশে থাকবে।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, গুলশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রহীম। তিনি বলেন, গুলশাখালীতে একটি চক্র কিছু নামে বে-নামে ভূয়া কবুলিয়ত দেখিয়ে বিভিন্ন জনের জায়গা জমি বন্দোবস্তী করাচ্ছে। এব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

লংগদু মৌজার হেডম্যান কুলিন মিত্র চাকমা(আদু) বলেন, যারা ভূয়া কবুলিয়ত দিয়ে বন্দোবস্তী নিচ্ছেন তাদের বন্দোবস্তী বাতিল করা প্রয়োজন। আটারকড়া ইউপি চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা বলেন, আটারকছড়া এলাকায় ইদানিং একটি চক্র প্রতিপক্ষকে হেয় করার জন্য মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। লংগদু জনসংহতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিশংকর চাকমা বলেন, লংগদুতে ভূমি সংক্রান্ত কারণে পাহাড়ি বাঙালিদের বেশি ভুল বুঝাবুঝি হচ্ছে। কেউ যাতে নতুন করে জায়গা দখল করতে না পারে এব্যাপারে প্রশাসনের আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন। জাতীয় ইমাম সমিতির লংগদু উপজেলা শাখার সভাপতি বলেন, ইমামরা যাতে এলাকায় আত্মসম্মান নিয়ে কাজ করতে পারে তার জন্য সকলের সহযোগিতার প্রয়োজন। মাইনীমুখ বাজার ব্যাবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মেহেদী হাসান সোহেল বলেন, মাইনীমুখ বাজারে সাবেক চেয়ারম্যান এর বখাটে ছেলে রবিউল ইসলাম রিগান নেশায় আসক্ত হয়ে মাইনীমুখ বাজারে প্রতিনিয়ত গন্ডগোল করে যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও হয়েছে। তবুও সে থামছে না। তার উৎপাতে বাজারের অনেক ব্যাবসায়ী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার প্রতিবাদ রাঙামাটিতে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার নামে ‘উগ্রমৌলবাদ ও ধর্মান্ধগোষ্ঠীর জনমনে বিভ্রান্তির …

Leave a Reply