নীড় পাতা » ব্রেকিং » সংস্কারের দু’বছরেই সড়কের বেহাল দশা!

রিজার্ভ বাজার সড়ক

সংস্কারের দু’বছরেই সড়কের বেহাল দশা!

রাঙামাটি শহরের অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা রিজার্ভ বাজার। শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকার মানুষ ছাড়াও লঞ্চযাত্রী এবং পর্যটকসহ প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে রিজার্ভ বাজার প্রধান সড়ক দিয়ে। কিন্তু সংস্কারের দুই বছরের মাথায় সড়কটি বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৩০টি ছোট-বড় খানাখন্দে আবারো সড়কটির বেহাল অবস্থা হয়েছে, এতে দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।

রাঙামাটির রিজার্ভ বাজারে জেলার ছয় উপজেলার সাথে নৌ-পথে যোগাযোগের মাধ্যম প্রধান লঞ্চঘাট অবস্থিত। এতে প্রতিদিন উপজেলা থেকে হাজারো মানুষ নানা কাজে রাঙামাটি আসে। তার সাথে সাথে শহরে যে সব পর্যটক আসে তার বেশির ভাগই এই এলাকার হোটেলগুলোতে অবস্থানের পাশাপাশি বোটে করে হ্রদে ঘুরতে যান এই এলাকা হয়ে। তার পাশাপাশি এই এলাকাটি শহরের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় প্রতিদিন প্রচুর মালবাহি ট্রাকও প্রবেশ করে এই এলাকাটিতে।

নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এলাকার লোকজন গত দুই বছর আগে রাস্তা সংস্কারের জন্য নানা মহলে দাবির পর প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৭ সালে রাস্তাটি সংস্কার করে রাঙামাটি পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু দুই বছর যেতে না যেতে রাস্তাটির আবারো শহীদ আব্দুল আলী একাডেমী থেকে রিজার্ভ বাজার জেটিঘাট পর্যন্ত অনন্ত ৩০টি বড় ছোট খানাখন্ডের সৃষ্টি হয়েছে।

এই খানাখন্ড এড়াতে এই সড়কে প্রায়শ দেখা যায় রিজার্ভ বাজার চৌমুহনী থেকে ছেড়ে যাওয়া গাড়িগুলো বিভিন্ন স্থানে তার নিজ পথদিয়ে না চলে বিপরীত দিকে চলে। তারপরও বড় খানাখন্ডগুলো এড়াতে পারে না তারা। আর অল্পবৃষ্টিতেও এই খানাখন্ডে পানি জমে থাকে। আর গাড়ি চলাচলের সময় তা পথচারীদের পোশাকে ময়লার আবরণ লাগিয়ে দিয়ে যায়। তার সাথে যে সব যাত্রী সিএনজি বা অন্যকোন গাড়িতে করে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে তাদেরও কম ঝাঁকুনি সহ্য করতে হয় না।

এমনই নানা সমস্যার মুখামুখি হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত এলাকাবাসীর পাশাপাশি এই সড়ক ব্যবহারকারীদের। তাই সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা।

লংগদু থেকে আসা মো. জসিম জানান, গত দুই বছর আগে সড়কটি যেমন ছিল ঠিক তেমনই হতে চলেছে আবার। লঞ্চ থেকে এসে গাড়িতে উঠলে চিন্তা করি কখন এই খানাখন্ডগুলো পার হয়ে যাব। সড়কটি গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।

সিএনজি চালক মো. করিমও চান রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হোক।

রিজার্ভ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার হওয়া উচিত। তবে আশা করছি রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার হবে।

রাঙামাটির পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী জানান, সড়কটির পুরোটা খারাপ না হলেও বিভিন্ন অংশে যে সব বড় ছোট খানাখন্ড তৈরি হয়েছে তা আমরা কিছু দিনের মধ্যেই ঠিক করা হবে। তবে পুরো সড়কটি আপাতত সংস্কার করা সম্ভব হবে না কারণ আমরা যে প্রকল্প থেকে বড় মাপের কাজগুলো করি তা প্রতিটি কাজ অন্তত তিন বছর পর পর ঢুকানো যায়। এটি দুই বছর হয়েছে, পুরো সড়কটি সংস্কারে আরো একবছর পর প্রকল্পে ঢোকানো যাবে। আর কাজটি এক বছর পেরিয়ে যাওয়ায় আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জামানতের অর্থ দিয়েও কাজ করতে পারছি না।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি সংরক্ষণ-বিকাশে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম খালিদ বলেছেন, ‘পাহাড়ের বৈচিত্রময় সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশে কাজ করছে সরকার। …

Leave a Reply