নীড় পাতা » ব্রেকিং » ‘অ্যাডভেঞ্চাররা দূত হিসেবে পার্বত্য অঞ্চলের সম্ভাবনার কথা বিশ্বে তুলে ধরবেন’

শেষ হল ৫ দিনের বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব

‘অ্যাডভেঞ্চাররা দূত হিসেবে পার্বত্য অঞ্চলের সম্ভাবনার কথা বিশ্বে তুলে ধরবেন’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শেষ হল পাঁচ দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রথম নারী মাউন্ট এভারেস্ট বিজয়ী নিশাত মজুমদারকে বঙ্গবন্ধু অ্যাডভেঞ্চার সম্মননা প্রদান করা হয়।

বুধবার বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে ও বাংলাদেশ অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরার সভপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মেসবাহুল ইসলাম, ৩০৫ পদাতিক ডিভিশনের ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইনুর রহমান, প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দেওয়া এনি কুইন মেরী, ইন্ডিয়ান অ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের সভাপতি রাম এস ভারম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে পার্বত্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, পার্বত্য তিন জেলায় পর্যটন বিকাশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশি-বিদেশিরা যারা বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব যোগ দিয়ে সফলভাবে তাদের অ্যাডভেঞ্চার শেষ করেছেন, তারা দূত হিসেবে পার্বত্য অঞ্চলের সম্ভাবনার কথা বিশ্বের কাছে তুলে ধরবেন। এর সাথে এগিয়ে যাবে এখানকার পর্যটন শিল্প।

মন্ত্রী বলেন, চুক্তির আগে সন্ধ্যার পর কেউ ঘর থেকে বের হতো না। আর এখন দিনে রাতে সব সময় সব জায়গায় মানুষ চলাচল করতে পারছে। এলাকার উন্নয়নে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা গেলে পার্বত্য অঞ্চল হবে বাংলাদেশের সম্পদশালী একটি এলাকা। উন্নয়নের কারণে আজ প্রায় প্রতিটি এলাকায় বিদ্যুৎসেবা পৌঁছে গেছে। এক সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ ছিল ২০০-২৫০ কোটি টাকা। আর এখন পার্বত্য এলাকার উন্নয়নের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। উন্নয়নের মূল কাজ হলো এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বাজার রাখা। এই এলাকায় যত বেশি শান্তি বিরাজ করবে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখানে মন উজাড় করে উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দ করবেন।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে কাপ্তাই উপজেলার কর্ণফুলি কলেজ মাঠে বঙ্গবন্ধু জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ফুরমোন ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে পাঁচ দিনব্যাপী অ্যাডভেঞ্চার উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। অ্যাডভেঞ্চার উৎসবে ছিল, মাউন্টেইন বাইকিং, কায়াকিং, ক্যানিওনিং, কেভ ডিসকভারি, হাইকিং, ট্রেইল রান, রোপ কোর্স, টিম বিল্ডিং, টি ট্রেইল হাইকিং, সেইলিং বোটসহ বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চার ক্রীড়াবিদরা অংশগ্রহণ করেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে কভিড-১৯ মোকাবিলায় সভা করলেন পবন চৌধুরী

পার্বত্য রাঙামাটির উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা সর্ম্পকে অবগত হতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভা করেছেন …

Leave a Reply