নীড় পাতা » পৌরসভা নির্বাচন ২০১৫ » ঐক্যবদ্ধ বিএনপির ধানের শীষ বাঁচানোর প্রাণপন চেষ্টা

ঐক্যবদ্ধ বিএনপির ধানের শীষ বাঁচানোর প্রাণপন চেষ্টা

pouroshova-pic-04দেরীতে হলেও শেষবেলায় যেনো খেই ফিরে পেয়েছে রাঙামাটি বিএনপি। শুরুতে এক্যবদ্ধ থাকা,পরে এলোমেলো হয়ে যাওয়ার পর, আবার শেষ বেলায় এসে নিজেদের মযার্দা আর অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই একসাথে মাঠে নেমে গেছে বিএনপি। সব অভিমান ভূলে মাঠে নেমেছে এ কদিন ধরে দূরে থাকা নেতারাও।শেষ দুদিন এক কাতারে দেখা মিলছে দলটির সব নেতাদের। মূলত: আওয়ামীলীগের মরিয়া বিজয় প্রচেষ্টা আর ঐক্য দেখেই শেষ মুহুর্তে হলেও এক হয়েছে রাঙামাটি বিএনপি।

এমনকি বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে মাঠে থাকা যেসব নেতাকর্মীদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দীর্ঘসূত্রিতার আশ্রয় নিয়েছিলো যুবদল ও ছাত্রদল,ভোটের ঠিক দুইদিন আগে তাদেরও বহিষ্কার করে নিজেদের দায়মুক্ত করেছে সহযোগি সংগঠন দুটি। এই দুই প্রভাবশালী সহযোগি সংগঠনের যে শীর্ষ নেতাদের কদিন আগেও গাছাড়া ভাব দেখা গেছে শেষের দুইদিন তারাই করছেন প্রানান্ত পরিশ্রম।

মূলত: ধানের শীষ প্রতীকের সম্মান রক্ষা ও আওয়ামীলীগের কঠোর থেকে কঠোর হয়ে উঠাকে মোকাবেলার জন্য নিজেদের প্রার্থীর বিজয় ছাড়া গত্যন্তর নেই,এমন বাস্তবতা বুঝতে পেরেই মাঠে সক্রিয় হয়েছে দলটির সকল নেতাকর্মীরাই।

তাই মাঠে দেখা গেছে দীপেন দেওয়ান এবং মনীষ দেওয়ানকে একসাথেই,পাশাপাশি। দুজনই ভোট চাইছেন ধানের শীষে। এমনকি জেলা সম্মেলনে পরস্পর বিরোধী ও লড়াই করে দীপন আর মামুনও একসাথে ভোটের জন্য মাঠে নেমেছেন যৌথভাবে। বিষয়টি বিএনপির রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণই বটে।

এদিকে পুলিশ ও সরকারি দলের কর্মীদের তুমুল প্রতিরোধের মুখে এলাকা ছাড়া থাকা রিজার্ভবাজারের ২৩ বিএনপি নেতাকর্মীও শেষ বেলায় মাঠে নেমে গেছে। শেষ দুইদিনের প্রচারে তাদের দেখা গেছে সক্রিয় ভূমিকায়।

সবমিলিয়ে কদিন আগেও যে নিষ্প্রান নির্জিব বিএনপিকে দেখা গেছে তা আর নেই। বদলে গেছে বিএনপিও। কিন্তু এই শেষবেলায় রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা কতটুকু ফলদায়ক হবে বলা মুশকিল। কিন্তু দলটির সাধারন নেতাকর্মীরা বলছেন,ধানের শীষের পক্ষে যে সকল নেতাকর্মী শেষাবধি এক হতে পেরেছে,এটাই বিএনপির সবচে বড় শক্তি। এই শক্তিই হয়তো বিএনপির জন্য ইতিবাচক কোন ফল বয়ে আনবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

স্বাস্থ্য বিভাগকে সুরক্ষা সামগ্রী দিলো রাঙামাটি রেড ক্রিসেন্ট

নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটির ১২টি সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রসমূহে স্বাস্থ্য …

Leave a Reply