নীড় পাতা » পৌরসভা নির্বাচন ২০১৫ » শেষ বেলায় আনা কাজগুলো শেষ করতে চান ভূট্টো

শেষ বেলায় আনা কাজগুলো শেষ করতে চান ভূট্টো

bhutta‘ওরা আমাকে পাঁচ বছর কোন সহযোগিতাই করেনি,শেষ বেলায় আমি যখন অনেক কষ্টে,অনেক চেষ্টা তব্দির করে প্রায় একশ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ আনলাম,সেটার টেন্ডার দিলাম পত্রিকায়,তখনো তারা ঈর্ষান্বিত হয়ে সেই কাজ বন্ধ করে দিতে বিভিন্নস্থানে দেনদরবার শুরু করে,শেষাবধি দরপত্র খোলার দিন স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের আদেশে আমি টেন্ডারটি স্থগিত করতে বাধ্য হই। ওরা যদি রাঙামাটিকে সত্যিই ভালোবাসতে হবে পৌর এলাকার উন্নয়ন কাজে বাধা দিতোনা। আমি নির্বাচন করতে চাইনি,কিন্তু এই কাজগুলো শেষ করে যেতে চাই, মানুষকে দেখিয়ে দিয়ে যেতে চাই, আমিও চেষ্টা করেছি,আমিও শত বাধা বিপত্তির মুখেও এই পৌরসভার জন্য প্রায় একশত কোটি টাকার বিদেশী সাহায্যপুষ্ট উন্নয়ন কাজ আনতে পেরেছি। এই কাজগুলোতে রাঙামাটির সব সড়ক সংস্কার,নতুন সড়ক নির্মাণ,ড্রেন,নালা,সিঁড়ি নির্মাণ, ফিসারি সংযোগ সড়কটির উন্নয়ন করে ‘সিম্বল অব রাঙামাটি’ করা,পৌর মার্কেট ভেঙ্গে বহুতল ভবন করা,পৌরভবন ও মিলনায়তন নির্মাণ কাজ আছে। আমি নির্বাচন করছি, কারণ এইসব কাজ শেষ করে যেতে চাই, আমি দেখিয়ে দিয়ে যেতে চাই সরকারি বাধার মুখেও কিভাবে কাজ আনতে হয়। একই সাথে আমি এটাও বলে রাখি, যে কাজ রাঙামাটি পৌরসভার জন্য এসেছে, এখন আর কোন দল বা গোষ্ঠী বিরোধীতা করলেও রাঙামাটিবাসিকে আর বঞ্চিত করা সম্ভব নয়।’

এভাবেই নিজের পুনরায় নির্বাচন করার প্রেক্ষিত বর্ণনা করলেন রাঙামাটি পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান মেয়র সাইফুল ইসলাম ভূট্টো।

৩০ ডিসেম্বরের পৌরসভা নির্বাচনে পুনরায় মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান মেয়র ও বিএনপির প্রার্থী সাইফুল ই্সলাম চৌধুরী ভুট্টো। ২০১১ সালের পৌর নির্বাচনে নিকটতম প্রতিদ্ধন্ধী প্রার্থী এ্যাড.প্রতীম রায় পাম্পুকে হারিয়ে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। বিগত পাঁচ বছরে তিনি মেয়র থাকাকলীন সময়ে পৌরসভার কি উন্নয়ন করেছেন এবং পৌরসভার কি সমস্যা ছিলো তা কতটুকু সমাধান করতে পেরেছেন। এবং আগামী পৌর মেয়র নির্বাচিত হলো তিনি রাঙামাটি পৌরবাসী কি কি সুযোগ-সুবিধা দিবেন তা নিয়ে পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কম এর মুখোমুখি হয়েছেন একান্ত সাক্ষাতকারে।

বিগত ৫ বছরে পৌরবাসীর কাছে দেয়া অঙ্গীকার কতটুকু পুরন করতে পেরেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে,পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো বলেন,পৌরবাসীর অঙ্গীকার পরিপুর্ণ পুরন করতে পারি নাই এর মুল কারন হলো শাসকদলের অসহযোগিতা ও পৌরসভার অর্থনৈতিক দৈন্যদশা ছিল । সর্বোপরি সব সমস্যা একসাথে মিলেমিশে যে কাজ বাস্তবায়ন করার কথা ছিলো,কিন্তু আমি অর্থনৈতিক কারণে আমার দেয়া প্রতিশ্রতি পালন করতে পারিনি। বাস্তবায়ন না করার কারনে হিসেবে প্রথমে আমি প্রথমে অদৃষ্টকে দায়ী করবো এরপরে দ্বিতীয়ত দায়ী করবো শাসক দলকে। বিগত পাঁচ বছরে কোন প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারী দলের কারো কাছ থেকে কোন সহযোগিতা পাইনি । বিশেষ করে সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদারের কাছে আমি গিয়েছিলাম সাহায্যের জন্য কিন্তু তার কাছ থেকে কোন সহযোগিতা পাইনি। পরবর্তীতে বর্তমান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুরের কাছ থেকেও কোন প্রকার সহযোগিতা পাইনি। এরপর এলজিরআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম রাঙামাটি পৌরসভা পরিদর্শনকালে তিনি বলেছিলেন পৌরসভাকে ফান্ড দিবেন কিন্তু পরবর্তীতে তিনি আমাকে সাক্ষাৎ করার সুযোগও দেননি।

পৌরবাসীর পৌর করের বিনিময়ে পৌর নাগরিক সুবিধা কি দিতে পেরেছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,পৌরকরের বিনিময়ে পরিপূর্ণ নাগরিক সুবিধা দিতে পারিনি। কারণ পৌরসভায় সরকারী সুবিধাগুলো যদি ঠিক মতো প্রবাহিত হয় তাহলে পৌরকরের চাপটা খুব কম পড়ে জনগনের উপর। পৌরকর দিয়ে নাগরিক সুবিধা এর পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, আলোকসজ্জা, কনজারভেন্সী এ কাজ গুলো করতে প্রতিমাসে ২২-২৫ লক্ষ টাকা লাগে। তাই এ ধরনের ব্যবস্থাপনা কারো জন্য সুখকর নয়।

‘বিভিন্ন সময়ে বিরোধী দলের মেয়র হিসেবে আপনি অভিযোগ করেছেন সরকারী দলে কাছ থেকে কোন সহযোগিতা পাচ্ছেন না ভবিষ্যতে মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরবাসীর জন্য কি কাজ করতে পারবেন ?’ এ প্রশ্নের উত্তরে ভুট্টো বলেন ,আমি নিজেই বলেছি শাসকদলের অসহযোগিতার কথা। কিন্তু ইউজিপ-বিএমডিএফ-ইউপিপিআর ও গুরুত্বপুর্ন নগর প্রকল্পগুলো কোনটাই সরকারের ইচ্ছা অনিচ্ছার প্রজেক্ট নয়। এ প্রকল্পগুলো বিদেশীদের অর্থায়নে বাস্তবায়ন হয়। এ প্রকল্পগুলো রাঙামাটি পৌরসভায় আনার জন্য যা যা করনীয় তা আমি করেছি এবং রাঙামাটি পৌরসভায় নিয়ে এসেছি।তিনি বলেন, কিন্তু বর্তমানে সরকার নির্বাহী আদেশ দিয়ে এ কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া ২-৩ মাস বন্ধ করে রাখতে পারবে। কিন্তু স্থায়ী বন্ধ করার কোন সুযোগ নেই।

বিএনপি মেয়র প্রার্থী সাইফুল ইমলাম ভুট্টো বলেন, আমার যে স্বপ্ন ছিলো রাঙামাটি নিয়ে এ স্বপ্নপুরনে বর্তমানে আর সরকারী দলের বাধা দেয়ার কোন সুযোগ নেই। যেসব কাজ এসেছে এবং যেসব কাজ পাইপলাইনে আছে, তা বাস্তবায়ন হবেই। বিদেশী সাহায্যের এসব প্রকল্প কেউ সহজে বন্ধ করতে পারবেনা।

ভোটাররা অভিযোগ করেন আপনার সময়ে দুর্নীতিবাজ কর্মচারীদের দৌরাত্ম কমেনি এবং ট্রেড লাইসেন্স ফি দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে’ এ বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি পৌরসভায় এসে যাদেরকে নিয়োগ দিয়েছি তারা হচ্ছে ড্র্রাইভার,সুইপার ও ছোট খাট কর্মচারী। পৌরসভার সাধারন কর্মচারীদের মাধ্যমে পৌরসভায় দুর্নীতি হওয়ার সুযোগ নাই। মুলত পৌরসভার কর সেকশনটা আওয়ামলীগীকরন করার ফওে এ অবস্থা। এ কাজটি করেছেন বিগত সময়ের মেয়র হাবিবুর রহমান। মেয়র হাবিবুর রহমানের আমলে যারা চাকরী পেয়েছেন তাদের চাকরী নিজের মেধা দিয়ে হয়েছে বলে আমি মনে করছিনা। এ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কিছু করতে গেলে তখন তারা রাজনৈতিক দলের আশ্রয় প্রশয়ে চলে যায়। এ কাজটা আমি বিগত ৫ বছর চেষ্টা করেও পারিনি। আশাকরি আগামীতে আমি নির্বাচিত হলে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবো। ট্রেড লাইসেন্স ফি বৃদ্ধি বা কমানোর বিষয়ে তিনি বলেন, এটা রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র বা কোন কাউন্সিলরের ইচ্ছা অনিচ্ছার কোন বিষয় নয়। এটা স্থানীয় সরকার মন্ত্রনলায়ের পৌরশাখা-১ ও পৌরশাখা -২ এ এটা ব্যবস্থাপনা করা হয়। এটা আন্ত:মন্ত্রনালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত হয় এবং পরে সভার সিদ্ধান্তর মাধ্যমে পৌর কর্তৃপক্ষকে চিটির মাধ্যমে তা অবহিত করা হয়।

পুুনরায় মেয়র নির্বচিত হলে কোন কাজগুলো সর্ব প্রথমে অগ্রাধিকার পাবে? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,আমি পুনরায় নির্বাচিত হলে রাস্তা-ঘাট-ড্রেন-স্যানিটেশন এবং পানি ব্যবস্থাপনার দিকে বেশি গুরুত্ব দিবো। এরপরে রাঙামাটি ফিসারী বাঁধের প্রকল্প যেটিকে সিম্বল অব রাঙামাটি বলে। রাঙামাটি শহরের ফিসারী থেকে ভেদভেদী পর্যন্ত ফুটপাতগুলো পৌরসভার মাধ্যমে করার জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ আমি প্রস্তাব দিয়েছি এগুলো করার চেষ্টা করবো।এর পাশাপাশি পর্যটনের কর্পোরেশনের সাথে থেকে রাঙামাটি পর্যটন সেক্টরে উন্নয়নের জন্য চিন্তা ভাবনা রয়েছে।

পৌর নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে কতটকু আশাবাদী এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। তবে বর্তমানে নির্বাচনে সরকারী দলের শারীরিক ভাষায় যেটা বলছে তারা জোড় করে নির্বাচনে ভোট নেয়ার চেষ্টা করবেন কিন্তু আমাদের প্রতিরোধ করতে হবে। জনগন যদি ধানের শীষে ভোট দিতে পারে,তবে ইনশাল্লাহ আমরা বিজয়ী হবো।

শেষে সাইফুল ইসলাম ভূট্টো বলেন,পুনরায় নির্বাচিত হতে পারবো কি পারবোনা,সেটা নির্ধারণ করবেন জনগণ। তবে আমি দায়িত্ব পালনকালে পৌরসভাকে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করিনি,নিজ দলের কার্যালয় বানাইনি, কর্মচারি নিয়োগে টাকা খাইনি, পৌরবাসির ট্যাক্সের টাকা আত্মসাৎ করে অন্য কোথাও বাড়ীগাড়ী করিনি,নিজে সৎ থাকার চেষ্টা করেছি।’

দায়িত্ব পালনকালে পৌরসভাকে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করিনি,নিজ দলের কার্যালয় বানাইনি, কর্মচারি নিয়োগে টাকা খাইনি, পৌরবাসির ট্যাক্সের টাকা আত্মসাৎ করে অন্য কোথাও বাড়ীগাড়ী করিনি,নিজে সৎ থাকার চেষ্টা করেছি।’………সাইফুল ইসলাম ভূট্টো

তিনি আরো বলেন, হয়তো সরকারি সহযোগিতা পেলে আমি আরো অনেক কিছুই করতে পারতাম,তবুও নিজের উদ্যোগে রাঙামাটি শহরের সব গরুর বাজার একজায়গায় এনেছি,এজন্য নানান চাপ,অপবাদ সহ্য করতে হয়েছে। শহরের বিভিন্নস্থানে যাত্রীছাউনি করেছি,শহরের নিয়মিত সব অলিগলিতে আলো জ্বালাতে পেরেছি,পৌরসভার কলংক হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকা রাঙামাটি পার্কের অবৈধ স্থাপনাটি সরিয়ে নিয়েছি,ঝুঁকিপূর্ণ পৌর মিলনায়তন ভেঙ্গে নতুন ও আধুনিক মিলনায়তন ও ভবনের কাজ শুরু করেছি, পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরদের বসার রুমটি আধুনিকায়ন করেছি,পৌর ভবনটিকে দৃষ্টিনন্দন করেছি,পৌরভবনের পাশের অবৈধ দখলদারদের অধিকাংশকেই সরিয়েছি।’

ভূট্টো বলেন, হ্যাঁ আমি কিছু জিনিস পারিনি, সরকারি দলের বাধা ও অসহযোগিতার কারণে পৌর কলোনীর হিন্দু পল্লী সংলগ্ন কসাইখানাটি সরাতে পারিনি, পৌর কলোনীর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করতে পারিনি সরকারি দলের বাধার কারণে, পৌর ভবনের পাশের দখলদারদের সবাইকে জায়গা কিনে দিয়েও ক্ষমতাসীনদের কারণে ৩ টি পরিবারকে সরাতে পারিনি,আওয়ামীলীগ নেতাদের বিলবোর্ড বাণিজ্য বন্ধ করতে পারিনি। যদি বলেন, আমি স্বীকার করি এসব আমার ব্যর্থতা।

তিনি বলেন, শুধু ক্ষমতাসীন দল নয়, আমার নিজের দলের কিছু মানুষও আমার উপর অসন্তুষ্ট,কারণ আমি তাদের অন্যায় সুযোগ সুবিধা দেইনি।  আমি এখনো বলছি, আমি আবার নির্বাচিত হলেও কোন সুবিধাবাদীদের কোন অন্যায় সুবিধা দিবোনা। আমি চেষ্টা করেছি,কষ্ট করেছি,ফল এসেছে দেরীতে। সেই ফল যেনো রাঙামাটিবাসী ভোগ করতে পারে,সেইজন্যই আমি পুনরায় নির্বাচন করছি,জানালেন আত্মবিশ্বাসী এই নেতা।

শুধু ক্ষমতাসীন দল নয়, আমার নিজের দলের কিছু মানুষও আমার উপর অসন্তুষ্ট,কারণ আমি তাদের অন্যায় সুযোগ সুবিধা দেইনি।  আমি এখনো বলছি, আমি আবার নির্বাচিত হলেও কোন সুবিধাবাদীদের কোন অন্যায় সুবিধা দিবোনা। আমি চেষ্টা করেছি,কষ্ট করেছি,ফল এসেছে দেরীতে। সেই ফল যেনো রাঙামাটিবাসী ভোগ করতে পারে,সেইজন্যই আমি পুনরায় নির্বাচন করছি………সাইফুল ইসলাম ভূট্টো

সরকারি দল ৩০ ডিসেম্বর ভোটকেন্দ্র দখল চেষ্টা করতে পারে, এমন শংকার কথা জানিয়ে ভূট্টো বলেন, জোর করে ক্ষমতার অপব্যবহার না করে ওদের যদি জনগণের উপর আস্থা থাকে,সেই পরীক্ষাই দেয়া উচিত। আমার নেতাকর্মীদের নামে নারী নির্যাতন,ধর্ষণের ভূয়া মামলা দিয়ে,ওদের এলাকা ছাড়া করে ওরা শুধু ভোটকেন্দ্রই দখল করতে পারবে,মানুষের ভালোবাসা এবং জনরায় নিতে পারবেনা।

ক্রীড়াঙ্গনের মানুষ হিসেবে পরিচিত ভূট্টো বলেন, আমি মাঠের মানুষ,খেলার মানুষ,ফুটবলের মানুষ । আমি জানি,খেলায় শেষ মুহুর্তেও অনেক কিছু হতে পারে, শেষ সেকেন্ডেও গোল হয়, গোলকিপারের সামান্য ভুলেও খেলার ফল উল্টে যেতে পারে, আর মাঠের যুদ্ধে কিভাবে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হয়,তাও আমার জানা। সুতরাং সরকারি দল যদি,অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বহাল রাখে,তবে রাঙামাটির মানুষ আমাকেই বিজয়ী করবে, ইনশাল্লাহ্।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ চেষ্টা, যুবক গ্রেফতার

রাঙামাটিতে বুদ্ধি ও শারিরীক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। …

2 comments

  1. আমি রাঙামটির পশ্চিম ট্রাইবেল আদামে থাকি, সাইফুল রাঙামাটি পৌরসভায় চেয়ারম্যান হয়ে তার পুর্ন সময়ে আমাদের এলাকায় একটি টাকারও উন্নয়ন কাজ করেনি। এলাকাটি ঘুরে দেখলে যে কেউ তা বুঝতে পারবেন। শেষ সময়ে অসম্পুর্ন কাজ সম্পন্ন করার অভিপ্রায় কি রাজনৈতিক কৌশল?

Leave a Reply

%d bloggers like this: