নীড় পাতা » পাহাড়ের রাজনীতি » ‘শুধু রাজপথে নয়, পাহাড়ের অন্দরে, মাঠে ঘাটে মোকাবেলার চ্যালেঞ্জ’

‘শুধু রাজপথে নয়, পাহাড়ের অন্দরে, মাঠে ঘাটে মোকাবেলার চ্যালেঞ্জ’

Pic-ni‘শুধু রাজপথে নয়, পাহাড়ের অন্দরে, মাঠে ঘাটে মোকাবেলার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি চ্যালেজ্ঞ ছুঁড়ে দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যেতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা।
ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৭ তম বর্ষপূর্তিতে রাজধানীর একটি হোটেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের মাননীয় চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা। দীপায়ন খীসার পরিচালনায় আলোচনা সভায় অংশ নেন ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পংকজ ভট্টাচার্য, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির উপদেষ্টা মঞ্জুরুল আহসান খান, বিশিষ্ট গবেষক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, জনসংহতি সমিতির সহ-সভাপতি উষাতন তালুকদার এমপি, বাংলাদেশেরওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য হাজেরা সুলতানা এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক কমিশনের সদস্য ব্যারিস্টার সারা হোসেন, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় সন্তু লারমা বলেন-“জুম্ম জাতির কুলাঙ্গার দীপঙ্কর তালুকদার সংবাদ সম্মেলন করে বলেন যে জনসংহতি সমিতি ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলন রাজপথে প্রতিহত করবেন। কিন্তু তিনি কি করে এই কথা বলেন, যেখানে জুম্ম জনতাই গণতান্ত্রিকভাবে ভোটের মাধ্যমে তার অতীত কুকীর্তির জবাব দিয়েছে।” তিনি আরো বলেন,“পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ যুগে যুগে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করে যাচ্ছে। জুম্ম জনগণ অধিকারের প্রশ্নে জীবন বাজি রেখে সংগ্রাম করতে শিখেছে। তাই কোন দমন-পীড়নজুম্ম জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে দাবিয়ে রাখতে পারবেনা।” সরাকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন ঘোষিত সময় সীমার মধ্যে চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ না করলে উদ্ভূত যে কোন পরিস্থিতির জন্য সরকারই দায়ী থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ‘যেখানে অনেক আনন্দ-অনেক উৎসাহ নিয়ে চুক্তির বর্ষপূর্তি উদযাপিত হওয়ার কথা সেখানে ক্ষোভ নিয়ে, বেদনা নিয়ে আজ পার্বত্য চট্টগাম চুক্তির বর্ষপুর্তি পালন করতে হচ্ছে। চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম এখনো পৃথিবীর অন্যতম একটি সামরিক উপস্থিতি এলাকা হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জাতিগুলোর অধিকার প্রতিষ্ঠাকল্পে সাংবিধানিক স্বীকৃতি অত্যন্ত জরুরী অথচ তা না করে আদিবাসীদের অস্বীকার করে বাঙালি জাতীয়তাবাদই চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

দীপায়ন খীসা সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আলোচনা সভার বিস্তারিত এই তথ্য জানানো হয়েছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

২ জেএসএস নেতা হত্যার প্রতিবাদে মহালছড়িতে বিক্ষোভ

রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়িতে জনসংহতি সমিতি (এমএনলারমা) সমর্থিত যুব সমিতির কেন্দ্রীয় নেতাসহ ২ জনকে হত্যার ঘটনার …

Leave a Reply