নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » শান্তি-সম্প্রীতি ধরে রেখে পাহাড়ের উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে: পার্বত্য সচিব

শান্তি-সম্প্রীতি ধরে রেখে পাহাড়ের উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে: পার্বত্য সচিব

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় উন্নয়ন ও আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে মত বিনিময় সভা করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল আমিন। শুক্রবার সকালে উপজেলার শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়নে এ সভায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নবকমল চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব বলেন, পাহাড়ে শান্তি সম্প্রীতি ধরে রেখে স্থানীয়দের চাহিদা অনুযায়ী সকল বিভাগের সমন্বয়ে উন্নয়ন করা হবে। এর আগে তিনি প্রশাসনের সকল বিভাগের কর্মকর্তাদের নিকট থেকে উন্নয়ন, সমস্যা এবং অগ্রগতির ওপর পৃথক পৃথক বক্তব্য শোনেন। এছাড়া বিভিন্ন এলাকার লোকজনের নিকট থেকেও এলাকাভিত্তিক বক্তব্য শোনে সেগুলো গুরুত্ব অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে তা বাস্তবায়নের জন্য পরামর্শ দেন।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দীঘিনাল জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল ফেরদৌস জিয়া উদ্দিন মাহমুদ। পার্বত্য সচিবের সফরসঙ্গি হয়ে সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এম কাউছার আহমেদ, জেলা পরিষদের নির্বাহী পরিচালক নূরুজ্জামান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ, ওসি উত্তম চন্দ্র দেব, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি হাজি মো. কাশেম।

হাজি মো. কাশেম দীঘিনালা উপজেলা সদরে একটি কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণসহ গ্রামাঞ্চলে কাচা সড়কগুলো ইটসলিংয়ের আওতায় আনার দাবি জানান। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অগ্রগতি তুলে ধরে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ একরামুল আজম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জওহরলাল চাকমা, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিনহাজ উদ্দিন, মৎস্য কর্মকর্তা অবর্ণা চাকমা, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, কৃষি কর্মকর্তা ওঙ্কর বিশ্বাস, প্রেসক্লাব সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রাজু, বোয়ালখালি (সদর) ইউপি চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা, অনাথ আশ্রম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজ, বনকর্মকর্তা জাহিদুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা মো. মোতলেব সুফি প্রমূখ।

বিভিন্ন এলাকার সমস্যার কথা জানিয়ে উন্নয়ন দাবি করে বক্তব্য দেন এলাকাবাসী। সেসব চাহিদার মধ্যে রসিকনগর এলাকায় একটি উচ্চ বিদ্যালয় নির্মাণ, দীঘিনালা মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং অনাথ আশ্রম আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থা চালু করা এবং উদাল বাগান এলাকায় মাঈনী নদীর ওপর ফুটব্রীজ নির্মাণকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্ব দেওয়ার আশ্বাম দিয়েছেন প্রধান অতিথি। এর পর তিনি উপজেলার কাটারুংছড়া এলাকায় গিয়ে সোলার প্যানেল বিতরণ করেছেন এলাকাবাসির মাঝে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবদান রাখবে কিশোরী ক্লাব

রাঙামাটির বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) প্রোগ্রেসিভের বাস্তবায়নে ‘আমাদের জীবন, আমাদের স্বাস্থ্য, আমাদের ভবিষ্যৎ’ এই প্রকল্পের …

Leave a Reply