নীড় পাতা » ব্রেকিং » শান্তি চুক্তির বর্ষপূর্তিতে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজন

শান্তি চুক্তির বর্ষপূর্তিতে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজন

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২২ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের কলেজ গেইট এলাকা থেকে শুরু হয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ইনস্টিটিউটে গিয়ে শেষ হয়। এসময় নৃ-গোষ্ঠীর ইনস্টিটিউটে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমার সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার মাইনুর রহমানসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।

এসময় দীপংকর তালুকদার বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নের প্রধান অন্তরায় হচ্ছে অস্ত্রের ভাষায় কথা বলা, অসংলগ্ন কথা-বার্তা, নৈরাজ্য সৃষ্টিসহ স্বাধীনতাকালীন পাহাড়ের প্রভাবশালী যে পরিবারগুলো স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, তাদের সন্তানদের দেশবিরোধী কার্যকলাপের কারণে চুক্তি বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চুক্তি বাস্তবায়নের স্বার্থে তিনি সকল পক্ষকে বিরোধিতা, ষড়যন্ত্র বন্ধ করে সত্যিকারার্থে জনগণের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) উদ্যোগে রাঙামাটি জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সাংসদ ও জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সহ-সভাপতি ঊষাতন তালুকদার। জেলা জনসংহতি সমিতির সদস্য শাম রতনের সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক অশোক সাহা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজতত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাইদুল ইসলামসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে ঊষাতন তালুকদার বলেন, আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই, আস্থা রাখতে চাই বিজয়ের এই মাসে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর শেষ করে এসে চুক্তির মৌলিক চারটি বিষয় স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা (স্থানীয় পুলিশ), বন ও পরিবেশ, ভূমি ব্যবস্থাপনার মধ্যে যে কোনও একটি হস্তান্তর করবে বলে আমরা আশাবাদ রাখছি।

এছাড়া বিকেলে রাঙামাটি জেলা পরিষদ ও রাঙামাটি সেনারিজিয়নের আয়োজনে রাঙামাটি চিং হ্লা মং মারী স্টেডিয়ামে সম্প্রীতি কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। চুক্তির ২২ বছর পূর্তি উপলক্ষে সন্ধ্যায় কনসার্টে ২২টি ফানুস বাতি উড়ানোসহ আতশবাজি ফুটানো হয়। এছাড়া জেলার প্রধান প্রধান অফিসসমূহে আলোকসজ্জা করা হয়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি সংরক্ষণ-বিকাশে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম খালিদ বলেছেন, ‘পাহাড়ের বৈচিত্রময় সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশে কাজ করছে সরকার। …

Leave a Reply