নীড় পাতা » বান্দরবান » লামায় ৭০ পরিবার পেল ক্ষতিপূরণের চেক

লামায় ৭০ পরিবার পেল ক্ষতিপূরণের চেক

বিভিন্ন সময়ে বান্দরবানের লামা উপজেলা সদর ও ডলুছড়ি রেঞ্জের আওতায় বিভিন্ন ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বুনো হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল বন বিভাগের ক্ষতিপূরণ। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ৭০ পরিবারের সদস্যদের হাতে পৃথক ক্ষতিপূরণের ২০ লাখ ৫২ হাজার টাকার চেক তুলে দেন লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এসএম কায়চার।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বন্যপ্রাণী দ্বারা আক্রান্ত মানুষের জান-মাল নিরুপণ কমিটির আহবায়ক রেজা রশীদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য ফাতেমা পারুল, সহকারী বন সংরক্ষক খন্দকার মো. গিয়াস উদ্দিন, কমিটির সদস্য সচিব সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী, সরই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফরিদ উল আলম। এসময় মুক্তিযোদ্ধা ছলিমুল হক চৌধুরী ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলার সরই ইউনিয়নে হাতির আক্রমনে নিহত হাজেরা বেগমের ভাই আবদুল আলী ৩ লাখ ও আজিজনগর ইউনিয়নের নিহত জহুরা বেগমের স্বামী ফজলুল হক ৩ লাখ টাকার চেক পায়। একই সময় একজন আহত ও ৬৮জন কৃষক পায় জমির ফসলের ক্ষতিপূরণের চেক।

বন্যপ্রাণীর আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক প্রদানের বিষয়ে লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এসএম কায়চার বলেন, পাহাড়ে আবাসস্থল ও করিডোর নষ্ট হওয়ায় বুনো হাতিগুলো লোকালয়ে নেমে পড়ছে। তাই দুর্গম এলাকায় বসবাসকারীদেরকে জান মালের নিরাপত্তার স্বার্থে এ বিষয়ে বেশি বেশি সতর্ক থাকতে হবে। ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী মানুষের ক্ষতি করে থাকলে বন বিভাগের পক্ষ থেকে বিধি মোতাবেক ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লামায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, লকডাউন চলছে

বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশের মতো উপজেলাতেও পালিত …

Leave a Reply