নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » লামায় উপজেলা পরিষদের ৫৬ টি গাছ কর্তন !

লামায় উপজেলা পরিষদের ৫৬ টি গাছ কর্তন !

Bandarban-Lama-Pic_1বান্দরবানের লামা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে ছায়াদানকারী ৫৬ টি গাছ কাটার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয়রা। উপজেলা পরিষদ চত্বর, লামা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত চত্বর এবং স্থানীয় শিশু পার্ক এলাকার বিভিন্ন প্রজাতির ৫৬টি গাছ, এক লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকা নিলাম দেখিয়ে কেটে ফেলার ঘটনায় লামা উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত এবং লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। আদালতের পাশের গাছ কাটার সময় জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে পুলিশ দুজন শ্রমিককে আটক করে। পরবর্তীতে ইউএনও’র নির্দেশে ছেড়ে দেয়া হয় বলে খবর পাওয়া গেছে। গত কয়েকদিন ধরে এই গাছ কাটা চলছে। গাছ কাটা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে জেলা জুড়ে। স্থানীয় বাসিন্দার মোহাম্মদ কামরুল’সহ কয়েকজন জানান, বিচার প্রার্থী এবং শিশু পার্কে খেলতে আসাদের ছায়াদানকারী গাছগুলো কেটে ফেলা ঠিক হচ্ছে না। গাছগুলো উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য বর্ধনেও ভুমিকা রেখেছে। গাছ কাটা বন্ধের দাবী জানান তিনি।

এদিকে সবগুলো গাছ কেটে ফেলা হলে উপজেলা পরিষদ, আদালত এবং শিশু পার্কে আসা লোকজনের ছায়ায় দাঁড়ানোর মতো কোনো জায়গা থাকবে না বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

নিলাম গ্রহীতা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, লামা পরিষদের ৫৬ টি গাছ এক লক্ষ ২৫ হাজায় টাকায় নিলামে কিনেছি। রাজস্বের টাকা জমে দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে গাছগুলো কেটে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। গাছগুলো কাটতে গেলে লামা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বাধা দেয় এবং আমার দুজন শ্রমিককে ধরে নিয়ে যায়।

তবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, পরিষদ প্রাঙ্গণের গাছগুলো কাটার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুন্নাহার বলেছেন, উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্তে পরিষদ ভবন, সীমানা দেয়াল এবং বিদ্যুৎলাইনের জন্য ক্ষতিকর গাছগুলো যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জনপ্রিয় হচ্ছে ‘তৈলাফাং’ ঝর্ণা

করোনার প্রভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল খাগড়াছড়ির পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র। তবে টানা বন্ধের পর এখন খুলেছে …

Leave a Reply