নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » লংগদু বিএনপিতে ধ্বস,হাজারো নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে

লংগদু বিএনপিতে ধ্বস,হাজারো নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে

AL-Pic-01উপজেলা নির্বাচনে চারদিন আগে লংগদু উপজেলা বিএনপির বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজী ফয়েজুল আজিমকে বহিষ্কার ও নির্বাচনের পর তার সমর্থকদের উপর হামলা ও হয়রানির প্রেক্ষিতে কয়েক হাজার সমর্থকসহ আওয়ামী লীগে যোদ দিলেন তিনি ও তার সমর্থকরা।

বৃহস্পতিবার লংগদু উপজেলা পরিষদ মাঠে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীসহ আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামীলীগে যোগ দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী ফয়েজুল আজিম,সিনিয়র সহসভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াসেক আলী আকন্দ,যুগ্ম সম্পাদক খলিলুর রহমান,শাহাদাত হোসেন শিপু,উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহেল,কালাপাকুজ্জ্যা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান,উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রিপন শীল, উপজেলা তৃণমূল দলের সভাপতি শাহনেওয়াজ বাবু,ছাত্রদল নেতা রাকিব ফরাজিসহ বিএনপির বিভিন্ন সহযোগি সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী।Foyez-jogdan

যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার,মহিলা সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু,রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা,রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মুছা মাতব্বর। তারা নতুনদের উদ্দেশ্যে বক্তব্যও রাখেন। AL-Pic-02

দীপংকর তালুকদার দলে নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন,শুধু যোগ দেয়ার জন্য যোগ দেয়া নয়, আওয়ামী লীগের নীতি আদর্শ ও বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পুরনো এবং নতুনরা একসাথে কাজ করতে হবে।
নতুনদের আগমন এবং পুরনো নেতাকর্মীদের মেলবন্ধনের মাধ্যমে লংগদু উপজেলায় আওয়ামী লীগ আরো বেশি শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদের কথা জানান তিনি। দীপংকর তালুকদার বলেন,পার্বত্য শান্তিচুক্তি হয়েছে পাহাড়ী বাঙালী সবাই মিলেমিশে শান্তিতে থাকার জন্য,কিন্তু  একটি কুচক্রি মহল পাহাড়ে শান্তি চায়না। শান্তিচুক্তির পর বিগত ১৭ বছরেও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে একজন বাঙালীকেও চলে যেতে হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, চুক্তির কারণে কোন বাঙালীকেই পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাড়তে হবেনা,সবাই মিলে মিশেই এখানে থাকবে।
দলে নবাগতদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। AL-Pic-03

এদিকে এই যোগদান অনুষ্ঠানকে ঘিরে পুরো লংগদু উপজেলায় উৎসবের আমেজ দেখা দেয়। সকাল থেকেই খন্ড খন্ড মিছিলে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো উপজেলা সদর। দলে নবাগতরা বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মিছিল নিয়ে মাইনীবাজারে একত্রিত হয় এবং পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে লংগদু উপজেলা পরিষদ চত্বরের যোগদান স্থলে আসেন। তাদের স্বাগত জানান উপজেলা ও জেলা আওয়ামীলীগের নেতারা।

আওয়ামলীগে যোগদানকারি বিএনপি নেতারা এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা দাবি করেছেন,যোগদানকারি নেতাকর্মীর সংখ্যা অন্তত: দুই হাজারেরও বেশি। এই প্রথম লংগদু বা পার্বত্য রাঙামাটি জেলায় কোন দলের এতো বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী দল ছেড়ে অন্য কোন দলে যোগদান করলো। AL-Pic-04

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বান্দরবানে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

বান্দরবানের লামা উপজেলার রুপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাচিং প্রু মারমার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা …

২ comments

  1. This is a very sad incident. I feel devastated learning this news.I fail to understand how a dedicated BNP leader like Hazi Foyezul Azim can abondon us and join our arch rival Awami League. Rangamati BNP leadership is answerable for this debacle and all efforts should be made to bring back the dissidents back to home. After all, they have joined the Awami League not out of love but of hatred and disgust on our leadership. I am sure and confident, they are still Zia’s Soldiers in heart and soul and can’t transform to AL overnight. It’s sad – they have fallen victim of our leaders’ incompetence and AL’s power ploy.
    I urge BNP leadership, please bring them back to home!

  2. যারা প্রকৃত শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী তারা কখনো আরেকটি বস্তা পচা আদর্শকে গ্রহন করতে পারেনা। আজ যারা বিএনপি ত্যাগ করেছে তারাই আবার স্বার্থের জন্য আ.লীগ ত্যাগ করতে পারে। তবে জেলা বিএনপি আগে থেকেই চেষ্টা করলে এ ভাঙ্গন ঠেকাতে পারতো।

Leave a Reply

%d bloggers like this: