নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » লংগদুতে লাইসেন্সবিহীন দুই ইটভাটা বন্ধ করে মালিকদের অর্থদন্ড

লংগদুতে লাইসেন্সবিহীন দুই ইটভাটা বন্ধ করে মালিকদের অর্থদন্ড

IMG_20140124_121324রায়ামাটির লংগদুতে লাইসেন্সবিহীন ইটভাটায় নিন্মমানের ইট তৈরী ও পরিবেশের ক্ষতি করার দায়ে নগদ ৪০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও ইট তৈরীর সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার বগাচতর ইউনিয়নের রাঙ্গীপাড়া এলাকায় আল-মদিনা ব্রিক্স(এ এম বি) ও মারিশ্যাচর এলাকায় হাশেম-নুরজাহান ব্রিক্স (এইচ এন বি) নামের দুটি ইটভাঁটায় গত কয়েক বছর ধরে বে-আইনিভাবে অতি নিন্মমানের ইট তৈরী ও বিক্রি করে আসছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম দুুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ইটভাটা দুটিতে অভিযান চালান। এসময় আল-মদিনা ব্রিক্স ও হাশেম-নুরজাহান ব্রিক্স ইটভাটা দুটির মালিকরা কোন প্রকার লাইসেন্স বা প্রশাসনিক অনুমতিপত্র ভ্রাম্যমান আদালতকে দেখাতে না পারেননি। বেআইনিভাবে নিন্মমানের ইট তৈরী ও পরিবেশের ক্ষতি করার দায়ে উভয় ইটভাঁটার মালিককে ‘ইট পোড়ানো (নিয়ন্ত্রন) আইন-১৯৮৯’ আইনে নগদ ২০ হাজার টাকা করে ৪০ টাকা অর্থদন্ড দেন। এছাড়াও বৈধ লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত ইটভাঁটার সকল প্রকার কর্মকান্ড বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন, লংগদু থানার এস আই অঞ্জন কুমার দে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম বলেন, এই ইটভাটা দুটিতে লাইসেন্সবিহীন এতদিন ইট তৈরী ও বিক্রি করে আসছিল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ইটভাঁটার চুলায় আগুন দেয়ার আগে জেলা প্রশাসকের কোন অনুমতি নেয়া হয়নি। নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র। ভাঁটায় ইট পোড়ানোর সময় জালানি হিসেবে বাশের মরা মোথার পরিবর্তে সেখানে নির্বিচারে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। পাহাড় ও টিলাভুমির মাটি কেটে ইট বানাচ্ছে। পরিবেশ রক্ষার জন্য ১২০ ফুট উচ্চতায় চুল্লি ব্যবহারে পরিবর্তে মাত্র ২০ ফুট উচ্চতার চুলি দেখা গছে। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। তাছাড়া ইট ভাঁটা দুটিতে যে ইট তৈরী করা হয় তাতে স্টান্ডার্ড মানের কোন সাইজ নাই। তিনি আরো বলেন, অবৈধ ইট ভাঁটা বন্ধের ব্যপারে প্রশাসনিকভাবে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

স্বাস্থ্য বিভাগকে সুরক্ষা সামগ্রী দিলো রাঙামাটি রেড ক্রিসেন্ট

নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটির ১২টি সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রসমূহে স্বাস্থ্য …

Leave a Reply