নীড় পাতা » ব্রেকিং » লংগদুতে নৌকা পেতে ৫ নেতার দৌড়ঝাঁপ

লংগদুতে নৌকা পেতে ৫ নেতার দৌড়ঝাঁপ

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেতে প্রতিযোগিতায় নেমেছেন লংগদু উপজেলা আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার, সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহীম, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, আওয়ামী লীগ সমর্থক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাজি ফয়েজুল আজিম ও সাইফুল ইসলাম চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে জোর তদবির চালাচ্ছেন।

জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য মো. জানে আলম বলেন, ‘ইতোমধ্যে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বায়োডাটা জমা নেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে জেলা কমিটি দলীয় মনোনয়নের সিদ্ধান্ত নেবে। সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং দলের জন্য নিবেদিত এমন একজনকেই চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দেওয়া হবে বলে আশা করি।’

এদিকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বারেক সরকার বলেন, ‘দীর্ঘদিন দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। দুবারের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান। গত সংসদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছি। তৃণমূলে আমার যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা আছে। এসব বিবেচনায় দলীয় মনোনয়ন আমিই পাব বলে আশা করি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং তিনবারের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহীম বলেন, ‘১৪ বছর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলাম। বর্তমানে দলের সহসভাপতিসহ এলাকায় স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছি। ২০০৯ সালে দলের সিদ্ধান্তে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করেছিলাম। কিন্তু দলীয় কোন্দলের কারণে জিততে পারিনি। শত প্রতিকূলতার মাঝেও দলের মঙ্গলের জন্য কাজ করছি। আশা করি দল আমাকে বঞ্চিত করবে না।’

দলের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী হারুনুর রশিদ বলেন, ‘১৯৮৯ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে শুরু করে যুবলীগ ও বর্তমানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। ২০০৯ সালে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছি। দলের নিবেদিত কর্মী হিসেবে আমাকে মনোনয়ন দিলে সবার জন্য কাজ করতে চাই।’

গত উপজেলা নির্বাচনের পরে আওয়ামী লীগে যোগদান করা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ফয়েজুল আজিম বলেন, ‘গেল উপজেলা নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলাম। গত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। কিন্তু আমাকে মনোনয়ন না দিয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল উপজেলায় মনোনয়ন দেওয়া হবে। এ ছাড়া একসময়ের বিএনপির ঘাটি লংগদুকে বর্তমানে আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে পরিণত করতে আমাদের শ্রম ও ত্যাগ রয়েছে। আশা করছি দল কমিটমেন্ট রক্ষা করবে। আমি শতভাগ আশাবাদী দল আমাকেই মনোনয়ন দেবে।’

দলে সম্প্রতি যোগদান করা আওয়ামী লীগ সমর্থক ও দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সরাসরি রাজনৈতিক কোনো দায়িত্বে না থাকলেও চিরকাল আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করেছি। বর্তমানে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত আছি। আশা করছি দল আমাকে নিরাশ করবে না।’

Micro Web Technology

আরো দেখুন

নানিয়ারচর সেতু : এক সেতুতেই দুর্গমতা ঘুচছে তিন উপজেলার

কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির ৬০ বছর পর এক নানিয়ারচর সেতুতেই স্বপ্ন বুনছে রাঙামাটি জেলার দুর্গম তিন …

Leave a Reply