নীড় পাতা » ব্রেকিং » লংগদুতে ইয়াবা দম্পতি আটক

লংগদুতে ইয়াবা দম্পতি আটক

রাঙামাটির লংগদুতে ইয়াবাসহ এক দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার রাত সাড়ে এগারোটায় উপজেলার হাজাছড়া থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক দম্পতি মো.হানিফ(৫০) ও মেহেরুননেছা(৪৫) উপজেলার মাইনীমূখ ইউনিয়নের হাজাছড়া গ্রামের বাসিন্দা।

লংগদু থানা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাত সাড়ে এগারটায় হাজাছড়া গ্রামে রাস্তার পাশে তাদের দোকান ও দোকানের পেছনের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসময় ইয়াবা রাখার অপরাধে এ দম্পতিকে আটক করে পুলিশ।

সূত্র আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন যে, ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক বাংলামদ, গাঁজা ইত্যাদি নিয়মিত সেবন করেন এবং খুচরা বিক্রি করেন। আটক দম্পতির বিরুদ্ধে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১)এর ৯(ক)/২৫ ধারায় পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই) বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

লংগদু থানার পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই) মোসাদ্দেকুল মওলা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়েছি। তবে লংগদু থানায় ইয়াবাসহ কাউকে আটক করা এটাই প্রথম। দম্পতিকে সোমবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

১০ দিনেও সন্ধান মেলেনি অপহৃত ইউপি সদস্যের

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মংচিং মারমাকে অপহরণের পর দশদিন অতিবাহিত হলেও এখনো …

2 comments

  1. রাংগামাটি সদরের কিছু কিছু জায়গায় মাদকের প্রভাব বিস্তার করেছে,, সাংবাদিকরা অনেকেই জানেন, কিন্তু জানেন না বা দেখেও না দেখার ভান করেন সাংবাদিকরা।প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ, মাদকের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিন আর প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করুন ।

  2. ৯০ দিনের মধ্যে রাজাকার ত্রিদিব
    রায়ের নাম সকল স্থাপনা
    থেকে মুছে ফেলতে
    হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ
    &&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&

    বাংলাদেশের
    স্বাধীনতাবিরোধী,
    মুক্তিযুদ্ধবিরোধী
    প্রয়াত
    চাকমা
    রাজা
    ত্রিদিব
    রায়ের
    নাম
    পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল স্থাপনা থেকে মুছে
    ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
    সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও
    বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত
    হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আদেশ দেন।
    একই সঙ্গে ত্রিদিব রায়ের নাম মুছে ফেলার নির্দেশ
    কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি
    করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে
    মুক্তিযোদ্ধা সচিব, এলজিআরডি সচিব, শিক্ষা
    সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের উক্ত রুলের জবাব দিতে বলা
    হয়েছে।
    পৃথক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার
    হাইকোর্টের বিচারপতি কাজি রেজা-উল হক ও
    মোহাম্মদ উল্লাহ’র সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ
    দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন শরীফ
    আহমেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি
    জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
    আইনজীবীরা জানান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামটিসহ
    সারাদেশের স্থাপনা থেকে স্বাধীনতা বিরোধী
    হিসেবে পরিচিত চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের নাম
    ৯০ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন
    হাইকোর্ট।
    এর আগে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করেন
    রাঙ্গামাটির বাসিন্দা বদিউজ্জামান সওদাগর ও
    খাগড়াছড়ির হেলাল উদ্দিন। রিট আবেদনে
    মুক্তিযোদ্ধা সচিব, এলজিআরডি সচিব, শিক্ষা
    সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
    ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত ৯০ দিনের মধ্যে
    সকল স্থাপনা থেকে ত্রিদিব রায়ের নাম অপসারণের
    নির্দেশ দেন।
    রিট আবেদনে বর্তমান চাকমা রাজা ব্যারিস্টার
    দেবাশীষ রায়ের বাবা ওই অঞ্চলের ৫০তম চাকমা
    রাজা ত্রিদিব রায়কে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিদের
    সহযোগী উল্লেখ করে বলা হয়, তার নামে রোড,
    মার্কেট, বিল্ডিং, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য
    স্থাপনা রয়েছে। এসব স্থাপনা থেকে তার নাম
    অপসারণ করতে হবে।
    রাজা ত্রিদিব রায়ের নাম ১৯৭২ সালের দালাল
    আইনে অভিযুক্তদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৭৯
    বছর বয়সে ২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়া
    আগে তিনি পাকিস্তানেই ছিলেন।
    উল্লেখ্য, চাকমাদের ৫০তম রাজা ত্রিদিব রায়-এর
    নাম ১৯৭২ সালের দালাল আইনে অভিযুক্তদের
    তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি সেই অভিযোগ
    মোকাবেলা করার জন্য কখনো বাংলাদেশে ফিরে
    আসেননি।
    ১৯৫৩ সালের ২ মে থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি
    রাজা ছিলেন। পাকিস্তানে তিনি একজন লেখক,
    কূটনৈতিক, বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদ
    হিসেবে পরিচিত। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত
    তিনি আর্জেন্টিনায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত
    হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: