নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » রুমায় ইউপি চেয়ারম্যান মেস্তারাম ত্রিপুরার কাঠ পাচার !

রুমায় ইউপি চেয়ারম্যান মেস্তারাম ত্রিপুরার কাঠ পাচার !

Bandarban-Wood-Pic_2বান্দরবানের রুমায় বনবিভাগের ছত্রছায়ায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কাঠ পাচার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেস্তরাম ত্রিপুরা’র বিরুদ্ধে ত্রিপুরা ছাত্রাবাসের নামে চম্পাফুল, গুদাগুটগুটিয়া’সহ শতশত ঘনফুট বিভিন্ন জাতের মূল্যবান কাঠ পাচারের অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন রেমাক্রী প্রাংসা ইউপি চেয়ারম্যান।
স্থানীয়রা জানায়, রুমা উপজেলার রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের ৩৭২নং নাইতিং মৌজার দূর্গম সিংলক পাড়া, অনরাম পাড়া, রুংটং পাড়া, বিশাই পাড়াসহ মৌজার বিভিন্ন স্থান থেকে বনবিভাগের ছত্রছায়ায় রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেস্তরাম ত্রিপুরা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জিংসন বম দুজনে সরকারী জায়গা থেকে চম্পাফুল, গুদাগুটগুটিয়া’সহ বিভিন্ন জাতের শতশত গাছ কেটে মূল্যবান কাঠ পাচার করা হচ্ছে। স্থানীয় ত্রিপুরা ছাত্রাবাসের নামে ৩শ ঘনফুট কাঠের অনুমতি নিয়ে এই কাঠ পাচার চালিয়ে যাচ্ছে তারা। পাহাড় থেকে গাছগুলো কেটে সড়ক ও নৌপাথে ট্রাক-নৌকাযোগে মূল্যবান কাঠগুলো রুমা খালের মুখে মজুদ করা হচ্ছে। সেখান থেকে জোত পারমিটের অনুকূলে সরকারী জায়গার কাঠগুলোর জেলা সদর’সহ দেশের বিভিন্নস্থানে পাচার করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে নাইতিং মৌজার হেডম্যানসহ স্থানীয়রা বনবিভাগের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
৩৭২নং নাইতিং মৌজার হেডম্যান বাশৈচিং মারমা জানান, ইউপি চেয়ারম্যান মেস্তরাম ত্রিপুরা রুমা সদরের ত্রিপুরা ছাত্রাবাসের নামে ২০১২ সালে বনবিভাগ থেকে ৩শ ঘনফুট কাঠের অনুমতি নিয়ে দুবছর ধরে হাজার হাজার ঘনফুট কাঠ পাচার করে আসছে। একাধিকবার নিষেধ করার পরও গাছ কাটা ও কাঠ পাচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। কাঠ পাচারের ফলে নাইতিং মৌজার সোনাই খালটি ইতিমধ্যে শুকিয়ে গেছে। ফলে সিংলক পাড়াসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে পাহাড়ীদের বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়ছে। রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক দুই ইউপি চেয়ারম্যান এই কাঠ পাচারের সঙ্গে জড়িত।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে রেমাক্রী প্রাংসা ইউপি চেয়ারম্যান মেস্তরাম ত্রিপুরা বলেন, ৩৭২নং নাইতিং মৌজার সরকারী জুমের পাহাড় থেকে গাছ কাটা হচ্ছে। তবে কাঠগুলো পাচারের জন্য স্থানীয় ত্রিপুরা ছাত্রাবাস’সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য।

এবিষয়ে বান্দরবান বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (পাল্পউড বাগান) মো: মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের জানান, কাঠ পাচারের বিষয়টি বনবিভাগের জানা নেই। অফিসিয়াল কাজে বাইরে থাকায় ৩৭২নং নাইতিং মৌজার হেডম্যানের দেয়া অভিযোগটিও হাতে পৌছায়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জনপ্রিয় হচ্ছে ‘তৈলাফাং’ ঝর্ণা

করোনার প্রভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল খাগড়াছড়ির পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র। তবে টানা বন্ধের পর এখন খুলেছে …

Leave a Reply