নীড় পাতা » ব্রেকিং » রাজস্থলীতে ‘অজ্ঞাত রোগে’ দুই জুমচাষীর মৃত্যু

রাঙামাটির

রাজস্থলীতে ‘অজ্ঞাত রোগে’ দুই জুমচাষীর মৃত্যু

রাজস্থলীর মানচিত্র

রাঙামাটির দুর্গম রাজস্থলী উপজেলায় ‘অজ্ঞাত রোগে’ ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর এক নারী ও এক পুরুষের মৃত্যু হয়েছে। উপজেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরবর্তী ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ভূটান পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হচ্ছেন, বিনামতি ত্রিপুরা (৪৫) ও নিলু কুমার ত্রিপুরা (২৬)। তারা দুজনই ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ভূটান পাড়ার বাসিন্দা।

রোববার দুপুরে অজ্ঞাত রোগে দুই ব্যক্তির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমা ও জেলা সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা।

ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড সদস্য মতি ত্রিপুরা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিন আগে জুমচাষ শেষে বাসায় এসে রাতে বিনামতি ত্রিপুরা প্রলাপ বকতে থাকেন। এর দুই-তিনদিন পর শুক্রবার সকালে সে মারা যায়। এরপর একই লক্ষণ নিয়ে ওই এলাকায় নিলু কুমার ত্রিপুরা নামে আরেক যুবক সন্ধ্যায় মারা যায়। ওই এলাকার আরও তিনজনের মধ্যে একই লক্ষণ থাকলেও তারা এখন সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুই হ্লা অং মারমা বলেন, গত শুক্র ও শনিবার (১০ ও ১১ এপ্রিল) উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় ভাবে জানতে পেরেছি, তারা জুম ক্ষেত থেকে বাড়িতে এসে আবোল-তাবোল বকাবকি করে মারা যায়। আমরা প্রাথমিকভাবে এটাকে ম্যালেরিয়াসদৃশ রোগ বলে ধারণা করছি। তবে তাদের মধ্যে করোনা ও কিংবা হামের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। ওই এলাকায় ম্যালেরিয়াসহ প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধপত্র নিয়ে মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে। মেডিকেল টিম ওই এলাকায় পৌছাতে ৮-১০ ঘন্টা সময় লাগবে।

রাঙামাটি জেলা সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা জানিয়েছেন, রাজস্থলীর ঘিলাছড়ি ইউনিয়নে অজ্ঞাত রোগে দুজনের মৃত্যুর খবর পেয়ে ওই এলাকায় মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে। তবে ওই এলাকায় এমন রোগে কতজন আক্রান্ত আছে তা বলা যাচ্ছে না। মেডিকেল টিম ফিরে আসলে আক্রান্তের সংখ্যা জানা যাবে। মারা যাওয়া দুইজনই জুম চাষী।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই : মনিস্বপন

‘এই সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই। দেশ ভালো নেই, দেশের মানুষ ভালো নেই। গনতন্ত্র নেই, …

Leave a Reply