নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » রাঙামাটি শহরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

রাঙামাটি শহরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

AL-picরাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়ায় আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি মংক্য মারমাকে (৫৮) রবিবার রাতে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে রাঙামাটি শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার রাঙামাটি পৌর চত্ত্বর থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সম্মুখে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান চিংকিউ রোয়াজা, রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুছা মাতব্বর, আওয়ামীলীগ নেতা কেরল চাকমা, জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শামশুল আলম, জেলা যুবলীগের সভাপতি আকবর হোসেন চৌধুরীসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা একজন সহজ সরল মানুষ মংক্য মারমাকে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সমাবেশে এই হত্যাকান্ডের জন্য কোন দল বা গোষ্ঠীর নাম উল্লেখ না করে আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন,পার্বত্য চট্টগ্রামে যারা হত্যা ও খুনের রাজনীতি চর্চা করে,তারাই মংক্য মারমাকে হত্যা করেছে।
এদিকে সোমবার দুপুর এগারটায় নিহতের লাশ রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ। অন্যদিকে রাজস্থলি উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নিহতের ঘটনায় রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগ এক দিনের শোক কর্মসূচী ঘোষণা করে সকাল থেকে সকল দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাচ ধারন ও দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করেছে।

প্রসঙ্গত,রবিবার রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে নিজ বাসায় তাকে গুলি করে হত্যা করে অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারিরা। রাতের খাবার শেষে টয়লেট থেকে ফিরে বাসার টিউবওয়েলে হাত ধোয়ার সময় সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। তার তলপেটে গুলি লাগে বলে জানা গেছে। নিহতর জৈষ্ঠপুত্র উসাই মং মারমা জানিয়েছেন,বাবা ও মা রান্নাঘরে ছিলেন,আমরা মুল ঘরে ছিলাম। গুলির শব্দ শুনে আমরা বের হয়ে দেখি বাবা কাতরাচ্ছেন,মাত্র ৫ সেকেন্ড এর মধ্যেই তিনি মারা যান। আমরা বের হয়ে কাউকে দেখতে পাইনি। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বাদশার ঠাঁই হলো বৃদ্ধাশ্রমে

যাযাবর জীবন; মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও মানুষের ভাষা বোঝে। সব সময় চুপচাপ থাকা পঞ্চাশোর্ধ মানুষটি অনেকের …

Leave a Reply