নীড় পাতা » ব্রেকিং » রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ২০১৮ সালে অপারেশন হয়েছে ৪৪৮টি

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ২০১৮ সালে অপারেশন হয়েছে ৪৪৮টি

রাঙামাটির জেলায় ২০১৮ সালে স্বাস্থ্য খাতে আগের তুলনায় সেবা পরিমাণ রেড়েছে বলে দাবি করেছেন রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. শহীদ তালুকদার। বুধবার সকালে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনের পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপ চারিতায় তিনি এই দাবি করে, আগের বছর গুলোর তুলনায় তার মেয়াদে কোন কোন খাতে সেবার পরিমাণ বেড়েছে তার পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন তিনি।

যার মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগে রাঙামাটি জেলায় সেবা খাতে আয় ২০১৬ সালে আয় ছিল ৯ লক্ষ ৬৯হাজার টাকা যা ২০১৮ সালে আয় হয় ২২ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা। ২০১৬ সালে জেলা ডেলিভারি হয়েছে ২৮২৩টি আর ২০১৮ সালে ডেলিভারি হয়েছে ৩৫৮৯টি। ২০১৮ সালেই যার মধ্যে জেনারেল হাসপাতালেই নরমেল ডেলিভারি হয়েছে ৯৯৪টি, সিজার হয়েছে ২৯৪টি।

ডেলিভারি ছাড়াও রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ৬৫টি হারনিয়া, ৪৭টি টিউমার, ৫টি গলব্লাডার, ৬৪টি এনারেল ফিসার, ৭০টি সুগার এপানটাইটিসসহ বিভিন্ন রোগের প্রায় ৪৪৮টি অপারেশন হয়েছে। জেলায় ২০১৬ সালে ম্যালেরিয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ৯হাজার ৫শতজন যা কমে ২০১৮সালে হয়েছে ৩হাজার ৫শতজন। ম্যালেরিয়ায় ২০১৮সালে কোন মৃত্যু নেই।

সিভিল সার্জন বলেন, এই পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায় সরকারি ন্যুনতম ফি দিয়ে কতলোক স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছে। এই সময় তিনি আরো জানান, এখন রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের ওটি সব সময় খোলা থাকে, যা আগে থাকতো না। যোগ হয়েছে সদর হাসপাতালে একটি এম্বুলেন্স। রাঙামাটি সদর হাসপাতাল ২৫০শয্যায় উন্নিত করণে দরপত্র আহবান করা হয়েছে, যা অতি দ্রুত সময়ে কাজ শেষ করে চালু হবে বলে আশা করছি। রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে কিছুদিনের মধ্যে আমাদের জোর তৎপরতাই একটি ডিজিটাল এক্সরে মেশিন আসবে, ইতি মধ্যে তা আনতে যাওয়ার জন্য চিঠিও চলে এসেছে।

সদ্য স্বাস্থ্য বিভাগের উপ-পরিচালক পদে পদোন্নতি পাওয়া এই সিভিল সার্জন আরো জানান, আমি যখন এই পদে যোগদান করি তখন রাঙামাটি জেলা ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে ৩টি ৮০ শয্যার থাকলেও বাকি ৬টি ছিল ১০শয্যা বিশিষ্ট। এইগুলো নিয়ে আমরা কাজ করেছি যার মাধ্যমে ৪টি কাপ্তাই, বিলাইছড়ি, কাউখালি, রাজস্থলি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০শয্যায় উন্নীত করনের অনুমোদন হয়েছে এবং উন্নীতকরণের কাজ শুরু হয়েছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জনপ্রিয় হচ্ছে ‘তৈলাফাং’ ঝর্ণা

করোনার প্রভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল খাগড়াছড়ির পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র। তবে টানা বন্ধের পর এখন খুলেছে …

Leave a Reply