নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » রাঙামাটিতে ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দুই মামলা, গ্রেফতার-২

রাঙামাটিতে ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দুই মামলা, গ্রেফতার-২

DSC02832রাঙামাটিতে শুক্রবার ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় ১১৪ জনের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। শনিবার রাঙামাটির কোতয়ালি থানা পুলিশ এ মামলা দায়ের করে। এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত এ মামলায় সবুজ নামে সদর উপজেলা যুবদলের এক কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে জেলা পরিষদ কার্যালয় ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় আরো একটি মামলা করেছে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।

কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সাইফুল ইসলাম চৌধুরী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে বিনা উস্কানিতে পুলিশ সদস্যর উপর হামলা করা হয়। এতে পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছে। তবে তিনি মামলার আসামীদের নাম জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

রাঙামাটি জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহ আলম জানান, এ মামলা প্রহসন মূলক। বিরোধি জোটের নেতাকর্মীদের হয়রানি করার জন্য এ মামলা করা হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,জাসাস নেতা আবুল হোসেন বালি,জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু সাদাত মোঃ সায়েমসহ  বিরোধীজোটের বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতাকেও মামলায় আসামী করা হয়েছে। ছাত্রদল সভাপতি আবু সাদাত মোঃ সায়েম জানিয়েছেন, আমি ঘটনার সময় সংঘাত থামানোর চেষ্টা করেছি,সংঘর্ষের সাথে আমার কোন সম্পর্কও নাই,তারপরও মামলায় আসামী করা দুঃখজনক।

জেলা পরিষদ ভাংচুর চালানোর ঘটনায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামী করে মামলা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।

এদিকে শনিবার রাতে কোতয়ালী থানা পুলিশ শহরের রিজার্ভবাজার এলাকা মঞ্জু নামে এক জামাত কর্মীকে আটক করেছে। সে জামাতের রিজার্ভবাজার এলাকার দায়িত্বশীল বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাঙামাটিতে ১৮দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের সড়কে সমাবেশ চলাকালে হঠাৎ সমাবেশ স্থল থেকে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করে পুলিশ। এই সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘাত সহিংসতা শুরু হলে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও শর্টগানের ফাকা গুলি ছুড়ে। বিরোধী জোটের কর্মীরাও ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল এর বিস্ফোরণ ঘটনায়। এসময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ও জেলা পরিষদ কার্যালয় ব্যাপক ভাংচুর করা হয়। পুলিশ ও ১৮ দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় ৪ পুলিশসহ ১৪ জন আহত হয়েছে। বিএনপি নেতারা দাবি করেছেন,ছাত্রলীগ কর্মীরা আগে সমাবেশে ইটপাথর নিক্ষেপ করায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

সাজেকে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে ৮ পর্যটক আহত

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নে একটি মাইক্রোবাস খাদে পড়ে আট পর্যটক আহতের খবর পাওয়া গেছে। …

Leave a Reply