নীড় পাতা » ব্রেকিং » রাঙামাটিতে ১২৩ কেজি চোরাই মাছ জব্দ, পাচারকারিকে দণ্ড

বিএফডিসি’র অভিযানে

রাঙামাটিতে ১২৩ কেজি চোরাই মাছ জব্দ, পাচারকারিকে দণ্ড

কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার বন্ধকালীন সময়ে ১২৩ কেজি চোরাই মাছ জব্দসহ একজনকে আটক করেছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। বৃহস্পতিবার সকালে রাঙামাটি জেলা শহরের ভেদভেদী যুব উন্নয়ন এলাকা থেকে চোরাই মাছ বিক্রির জন্য পাচার করার সময় হাতেনাতে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা দণ্ড প্রদান করেন। জব্দকরা ১২৩ মাছের মধ্যে রয়েছে, আইড়, টেংরা, বাঁচা, তেলাপিয়া ও কাটামলা।

বিএফডিসি সূত্র জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি এলাকায় কাপ্তাই হ্রদ হতে আহরিত চোরাই মাছ বিক্রির জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশা যোগে পাচার করা হচ্ছে; এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামে বিএফডিসি। অভিযানে শহরের যুব উন্নয়ন এলাকায় ১২৩ কেজি মাছ ও একটি ফ্রিজসহ শহীদুল ইসলাম নামে একজনকে হাতেনাতে আটক করা গেলেও অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে তার সঙ্গীয়রা পালিয়ে যায়। আটক ব্যক্তি জেলা শহরের রিজার্ভবাজার শরীয়তপুর এলাকার বাসিন্দা।

পরে আটক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মৎস্য আইনে ৩ হাজার টাকা নগদ অর্থদণ্ড দেন রাঙামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা তুজ জোহরা। অভিযানে বিএফডিসি রাঙামাটি কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপব্যস্থাপক মো. সরিফুল ইসলামসহ পুলিশ ও বিএফডিসির অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি বিপণন কেন্দ্রের মার্কেটিং অফিসার বৃন্দাবন হালদার জানান, মাছ শিকার বন্ধকালীন সময়ে বিএফডিসি’র নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে হ্রদ হতে আহরিত চোরাই মাছ পাচারের সময় ১২৩ কেজি মাছসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা মাছের বাজারমূল্য ২০ হাজার টাকা। জব্দ মাছ বিএফডিসি কার্যালয়ে নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হয়েছে। মাছ শিকার বন্ধকালীন সময়ে হ্রদে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের বংশবৃদ্ধি, হ্রদে অবমুক্ত করা পোনা মাছের সুষম বৃদ্ধি, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরাসহ হ্রদের প্রাকৃতিক পরিবেশে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির সহায়ক হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষে প্রতিবছরের পহেলা মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাস মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এ সময়ে বন্ধ থাকে হ্রদের মাছ পরিবহন ও বিএফডিসি পরিচালিত স্থানীয় বরফকল। হ্রদে মাছ শিকার বন্ধে মনিটরিং টিম তদারকি করে হ্রদ জুড়ে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে এক দিনেই ১১ জনের করোনা শনাক্ত

শীতের আবহে হঠাৎ করেই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলায় করোনা সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বিগত কয়েকদিনের …

Leave a Reply