নীড় পাতা » ব্রেকিং » রাঙামাটিতে সংঘর্ষে আহত ১৫, শহরে ১৪৪ ধারা জারি

রাঙামাটিতে সংঘর্ষে আহত ১৫, শহরে ১৪৪ ধারা জারি

Rangamati-Pic-03
গাউছিয়া মার্কেকেটর সামনে পিসিপি কর্মীদের এ্যাকশন
Rangamati-Pic-01
আহত এক ব্যবসায়ী

রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ উদ্বোধনের দিনে পাহাড়ী ছাত্র পরিষদের সাথে মেডিকেল কলেজ সমর্থকদের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অন্তত: ১৫ জন আহত হয়েছে। হামলার সূত্রপাতের জন্য পিসিপি এবং মেডিকেল কলেজ সমর্থকরা পরস্পরকে দায়ী করেছেন।
শনিবার সকালে রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ-যুবলীগের শতাধিক নেতাকর্মী শহরের হ্যাপীর মোড় থেকে পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আগে থেকেই রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়া পিসিপি কর্মীরা তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং ধাওয়া দেয়। ধাওয়া খেয়ে হ্যাপীর মোড়ে ফিরে আসা ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মেডিকেল কলেজ সমর্থক অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং পিসিপি কর্মীদের ধাওয়া দিলে শুরু হয় সংঘর্ষ।

Rangamati-Pic-02
পিসিপি কর্মীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পুষ্পপ্লাজা

এসময় পিসিপি কর্মীরা ইসলামী ব্যাংক,হ্যাপীর মোড় মার্কেট,গাউছিয়া মার্কেটে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। পাল্টা জবাব হিসেবে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরাও শেভরন ক্লিনিক,টেলিটক কাস্টমার কেয়ার ভাংচুর করে।

উভয় পক্ষের সংঘর্ষে এসময় অন্তত: ১৫ জন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে এসএটিভির সাংবাদিক মো: সোলায়মান,আরটিভির ইয়াছিন রানা সোহেল এবং ইন্ডিপিন্ডেন্ট পত্রিকার আনোয়ার হোসেন আহত হন। এসময় সোলায়মান ও আনোয়ারের ক্যামেরা কেড়ে নেয় উশৃংখল ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা। তারা মিডিয়ায় পাহাড়ীদের পক্ষে সবসময় নিউজ করার অভিযোগ এসে সাংবাদিকদের গালিগালাজও করে।

আহতদের মধ্যে মনির,জহির,জব্বার,জামাল,হারুন,জাকির,মানিক,হাতেমকে রাঙামাটি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  এর মধ্যে গুরুতর আহত জাকিরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে তাৎক্ষনিকভাবে জেলা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

Rangamati-Pic-05
গাউছিয়া মার্কেটে ভাংচুর শেষে এক ভ্রাম্যমান দোকানির পানের বাক্স এইভাবে সড়কে ফেলে দেয় পিসিপি কর্মীরা

রাঙামাটি জেলা যুবলীগের সভাপতি আকবর হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন,সম্ভাব্য যেকোন সংঘাত এড়াতে আমরা নির্ধারিত মিছিল বাতিল করেছি,কিছু নেতাকর্মী দলবেধে মেডিকেল কলেজ যাচ্ছিলাম,সেটা পিসিপির সাথে আলোচনা করেই,তারা আমাদের কথা দিয়েছিলো কোন বাধা দেবেনা। কিন্তু বিনা উস্কানীতে তারা আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে এবং বিনা কারণেই ব্যাংক,অফিস ও দোকান পাট ভাংচুর করেছে,এটা অনাকাংখিত।

Rangamati-Pic-04
ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত শেভরন ক্লিনিক

পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ রাঙামাটি জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রিন্টু চাকমা অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, আমরা শান্তিপূর্ণ অবরোধ পালন করছিলাম,এসময় ছাত্রলীগ এবং বাঙালী ছাত্র পরিষদ বিনা উস্কানিতে আমাদের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে আমরা প্রতিরোধ করেছি মাত্র। তাদের ৪ জন কর্মী আহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। কোন প্রকার হামলা ও ভাংচুরের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বিবর্ণ পাহাড়ের রঙিন সাংগ্রাই

নভেল করোনাভাইরাসের আগের বছরগুলোতে এই সময় উৎসবে রঙিন থাকতো পাহাড়ি তিন জেলা। এই দিন পাহাড়ে …

৯ comments

  1. অনারা জুদি মেডিকেলকলেজ না চাই তাহলে অনারা কি সে কানে লেকা পড়া করবেনা এই টাই জুদি অনাদের কতামতো হলে অনারা ঢাকা চট্টগ্রাম গিয়ে কেন লেকা পড়া করে

  2. অনারা জুদি মেডিকেলকলেজ না চাই তাহলে অনারা কি সে কানে লেকা পড়া করবেনা এই টাই জুদি অনাদের কতামতো হলে অনারা ঢাকা চট্টগ্রাম গিয়ে কেন লেকা পড়া করে

  3. অনারা জুদি মেডিকেলকলেজ না চাই তাহলে অনারা কি সে কানে লেকা পড়া করবেনা এই টাই জুদি অনাদের কতামতো হলে অনারা ঢাকা চট্টগ্রাম গিয়ে কেন লেকা পড়া করে

  4. অনারা জুদি মেডিকেলকলেজ না চাই তাহলে অনারা কি সে কানে লেকা পড়া করবেনা এই টাই জুদি অনাদের কতামতো হলে অনারা ঢাকা চট্টগ্রাম গিয়ে কেন লেকা পড়া করে

  5. ১৯৯৭ এ শ্বসস্র সন্ত্রাসী সংগঠন (শান্তি বাহিনী) কে নির্মূল না করে, তাদের সাথে চুক্তি করে যে ভুল করেছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আজ তার ভুলের ফল পাচ্ছে ছাত্রলীগ; যুবলীগ; আওয়ামিলীগ; বিএনপি; জামাত ও জাতীয় পার্টি ; ব্যবসায়ী ও চাকুরিজীবি সহ সর্বস্তরের বাঙ্গালি জনতা। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীককে বলতে চাই, কি দেখে/ কোন সার্থে/ কত কোটি টাকার বিনিময়ে এই অস্রধারীদের সাথে শান্তিচুক্তি নামক অশান্তির চুক্তি করেছেন??? নাকি শান্তিতে নোবেল প্রাইজ পেতে এই চুক্তি করেছেন…???? যারা দেশের Law & Order মানে না, যারা খুন; গুম; চাঁদাবাজি; জিম্মি; অপহরনসহ আরো অসংখ্য দূর্নীতি এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করেই চলেছে তাদেরকে শক্ত হাতে দমন না করে এবং পাহাড়ে বসবাসরত সাধারণ বাঙ্গালিদের সাথে আলোচনা না করেই শসস্র সন্ত্রাসীদের সাথে কিসের স্বার্থে চুক্তি করেছেন…!!!??? এই প্রশ্ন, পার্বত্য অঞ্চলের সর্বস্তরের নির্যাতিত বাঙ্গালির…!?

Leave a Reply

%d bloggers like this: