নীড় পাতা » করোনাভাইরাস আপডেট » রাঙামাটিতে প্রথম দিনেই করোনা শনাক্ত ৪ জন

সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ল ৬৪ জেলায়

রাঙামাটিতে প্রথম দিনেই করোনা শনাক্ত ৪ জন

পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে প্রথম রোগী শনাক্তের মধ্য দিয়ে দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) সংক্রমণ। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের বিআইটিআইডি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে রাঙামাটিতে প্রথম দিনে ৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা জানিয়েছেন, বুধবার চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় রাঙামাটির চারজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিলো ২৯ এপ্রিল, আজ বুধবার ফলাফল জানলাম। শনাক্ত হওয়া চারজনই রাঙামাটি পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত চারজনের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন নারী। এদের মধ্যে রিজার্ভবাজার এলাকার আক্রান্ত শিশুর বয়স ৯ মাস, দেবাশিষনগর এলাকার আক্রান্ত চট্টগ্রাম ফেরত শিক্ষার্থীর বয়স ১৯ বছর ও হাসপাতাল এলাকার দুজনের মধ্যে এক জনের বয়স ৫০ ও আরেক জনের ৩৮ বছর। ৩৮ বছর বয়সী নারী রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র নার্স। গত ২৯ এপ্রিল সামান্য জ্বর, কাশি করোনা উপসর্গ নিয়ে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিলো। বুধবারের রিপোর্টে চারজনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এরা সকলেই এতদিন ধরে হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য মতে, এ পর্যন্ত রাঙামাটি জেলায় মোট কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে ২০০৫ জনকে। এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে সংখ্যা ৬২৯ ও হোম কোয়ারেন্টিনের সংখ্যা ১৩৭৬। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪৬৭ জন, কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১৫৩৮ জন। মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৭০ জনের। এরমধ্যে ২০২ জনের রিপোর্টের মধ্যে চারজনের করোনা পজিটিভ।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা গিয়েছেন। রোগির সংস্পর্শে আশা অন্যলোকদেরও কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে এবং ঘরগুলো লকডাউন করা হবে। যেহেতু ২৯ তারিখ তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিলো। সেই নমুনা আজ (বুধবার) আবার সংগ্রহ করে পুনরায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার মধ্যে সর্বপ্রথম ১৬ এপ্রিল বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের এক ব্যক্তির করোনা পজিটিভ আসে। এরপর বান্দরবানের থানচি, লামা ও নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশ সদস্যসহ মোট নয় জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ২৯ এপ্রিল খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় করোনা শনাক্ত হওয়া এক রোগী পাওয়া যায়। বুধবার রাঙামাটিতে চারজনের দেহে করোনা সংক্রমণের উপস্থিতিতে এনিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে। বুধবার রাঙামাটিতে সংক্রমিত হওয়ার মধ্য দিয়ে সারাদেশেই করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ল।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই : মনিস্বপন

‘এই সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই। দেশ ভালো নেই, দেশের মানুষ ভালো নেই। গনতন্ত্র নেই, …

Leave a Reply