নীড় পাতা » পাহাড়ের অর্থনীতি » রাঙামাটিতে কমেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

রাঙামাটিতে কমেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

pp1কমতে শুরু করেছে রাঙামাটিতে পেঁয়াজের ঝাঁজ। সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে রাঙামাটিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি। কোরবানি ঈদের আগ থেকে পেঁয়াজের দাম বাড়া শুরু করে,পরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় তা বাড়তে বাড়তে প্রায় দেড়শ টাকা পর্যন্ত উঠেছিলো। সরকারি বিভিন্ন চেষ্টায়ও বাগে আনা যায়নি পেঁয়াজের দাম। অবশেষে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় কমে এসেছে পেঁয়াজের দাম। রাঙামাটির বাজারে এখন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার নিচে। ব্যবসায়ীরা জানায়, সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজের দাম আরো কমবে।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, ভারতে নতুন পেঁয়াজ ওঠায় রফতানি মূল্য কমিয়ে দিয়েছে। এতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা প্রায় ২০ টাকার মধ্যে পেঁয়াজ কিনছে। তাই আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পেঁয়াজের মূল্য আরো কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন রাঙামাটিতে ভারতীয় পেঁয়াজ ৪০টাকা ও দেশি পেঁয়াজ ৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ ডিসেম্বর ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পেঁয়াজের রফতানি মূল্য ৮০০ ডলার নির্ধারণ করে। যা আগে ছিলো ১১৫০ ডলার। পরে ১৯ডিসেম্বর রফতানি মূল্য কমিয়ে ৩৫০ ডলার নির্ধারণ করে। যা বাংলাদেশি টাকায় আমদানি মূল্য পড়ে ২৭ টাকা ২১ পয়সা। কিন্তু, ভারতীয় ব্যবসায়ী এর চাইতে আরো কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করায় বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা ১৪ টাকা ৩৭পয়সায় ক্রয় করে। যা পরিবহন খরচসহ ২০টাকা মধ্যে পড়ে। কিন্তু বাংলাদেশে পাইকারি ব্যবসায়ীরা তাদের আগে বেশি দামে পেঁয়াজ কেনা রয়েছে অজুহাতে এখনো পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করছে। ৩৫-৪০টাকায়। রোববার যা কমে ৩০-৩৫টাকায় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু, অবরোধের কারণ দেখিয়ে এখনো জেলা পর্যায়ে পেঁয়াজের মূল্য ৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীরা আশা প্রকাশ করছেন কয়েকদিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম আরো কমে আসবে।

বনরূপা ব্যবসায়ী রহিম জানান, পেঁয়াজের দাম কমে এসেছে। তবে শুনছি দাম আরো কমবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই : মনিস্বপন

‘এই সরকারের পায়ের নীচে মাটি নেই। দেশ ভালো নেই, দেশের মানুষ ভালো নেই। গনতন্ত্র নেই, …

Leave a Reply