নীড় পাতা » ব্রেকিং » যেন গরু-ছাগলের শহর !

যেন গরু-ছাগলের শহর !

দীর্ঘদিন ধরেই রাঙামাটি শহরের গলির রাস্তাঘাট থেকে শুরু প্রধান সড়কেও গরু-ছাগলের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে করে প্রতিনিয়তই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। জেলা শহরের কাঁঠালতলী, বনরূপা, তবলছড়ি, কলেজ গেইট এলাকায় সকাল-বিকেল রাতেও এসব গবাদিপশুর পালকে অবাধে বিচরণ দেখা যায়। অনেক সময় পশুর পাল রাস্তার পাশে বসে থাকে, প্রধান সড়কে শুয়ে কিংবা দাঁড়িয়ে থাকে। যার ফলে সড়কে যানবাহন চলাচলে অনেক সময় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়, ঘটে দুর্ঘটনাও। তবে দীর্ঘদিন ধরেই চলা এই সংকটের নিরসনে সংশ্লিষ্টদের উদাসিনতায় ক্ষুব্ধ জনসাধারণ।

সড়কে চলাচলকারীরা জানান, রাঙামাটি শহরে গরু ছাগলের অবাধ বিচরণ অনেক আগে থেকেই দেখা যাচ্ছে। এরা রাস্তায় শুয়ে থাকে, বসে থাকে মলত্যাগ করে রাস্তাঘাট দুর্গন্ধ ও নোংরা করে। এতে করে আমাদের সাধারণ লোকজনের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

কয়েকজন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চালক জানান, রাস্তায় গরু-ছাগলের অবাধ বিচরণের কারণে আমাদের অনেক সময় গাড়ি চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। অনেক সময় এমন অবস্থায় রাস্তার মাঝে বসে থাকে যে গাড়ি হর্ণ দিলেও নড়ে উঠে না। প্রায় সময়েই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এটি শহরবাসীর জন্য বড় এক ভোগান্তি। বিশেষ করে কাঁঠালতলী, বনরূপা, টিএন্ডটি, কলেজ গেইট এলাকায় গরু ছাগলের চলাফেরা বেশি। আমরা আশাকরব, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ যেন বিষয়টি ভালোভাবে আমলে নেন।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী জানান, ‘ইদানিং রাস্তাঘাটে গবাদি পশুর অবাধ বিচরণের প্রবণতা একটু বেড়েছে; বিষয়টি আমিও লক্ষ্য করেছি। আসলে গরু ধরার অভিযান চলাকালীন সময়ে রাস্তাঘাট গবাদিপশু মুক্ত থাকে। কিন্তু তার বেশ কয়েকদিন পরে আবার একই অবস্থা হয়ে যায়। তারপরেও আমরা পৌরসভা থেকে গরু ধরার অভিযানের উদ্যোগ নিয়েছি। দ্রুত অভিযান শুরু করব।’

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লংগদুতে দুর্যোগ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

রাঙামাটির লংগদুতে উপজেলা পর্যায়ে ‘দুর্যোগবিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি)-২০১৯’ অবহিতকরণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার লংগদু …

Leave a Reply