নীড় পাতা » আলোকিত পাহাড় » মেধাবী ছাত্রীদের সংবর্ধনা বালিকা স্কুলে

মেধাবী ছাত্রীদের সংবর্ধনা বালিকা স্কুলে

রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষা ২০১৭ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে স্কুলের মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) রাজশ্রী চাকমা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য অংসুইপ্রু চৌধুরী, জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) নির্মল কুমার চাকমা, সহকারী প্রধান শিক্ষক মিলন চাকমা, স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক মো: সৈয়দ আহম্মদ, অভিভাবকদের মাঝে বক্তব্য রাখেন শুক্লা রাণী পাল, অমলেন্দু হাওলাদার, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সাবিহা আক্তার, সানজিদা শাহরিন ইভা।

অনুষ্ঠানে বৃষ কেতু বলেন, নারীরা আজ পিছিয়ে নেই। সব দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে নারীরা এখন পুরুষের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। নারীরা এখন আর ঘরে বসে নেই। বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা আজ অবদান রাখছে। তাদের এই অবদানের কারণে দেশ আজ দিনদিন উন্নত হচ্ছে। বর্তমান সরকার নারীদের জন্য বিভিন্নভাবে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। নারীদের সার্বিক উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

আলোচনা সভার পরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। পরে স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বান্দরবানে ডেঙ্গুরোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সারাদেশে ডেঙ্গু রোগী বেড়ে যাওয়ায় আর এডিস মশার প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ডেঙ্গু রোগ থেকে সকলকে …

2 comments

  1. ৯০ দিনের মধ্যে রাজাকার ত্রিদিব
    রায়ের নাম সকল স্থাপনা
    থেকে মুছে ফেলতে
    হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ
    &&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&

    বাংলাদেশের
    স্বাধীনতাবিরোধী,
    মুক্তিযুদ্ধবিরোধী
    প্রয়াত
    চাকমা
    রাজা
    ত্রিদিব
    রায়ের
    নাম
    পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল স্থাপনা থেকে মুছে
    ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
    সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও
    বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত
    হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আদেশ দেন।
    একই সঙ্গে ত্রিদিব রায়ের নাম মুছে ফেলার নির্দেশ
    কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি
    করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে
    মুক্তিযোদ্ধা সচিব, এলজিআরডি সচিব, শিক্ষা
    সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের উক্ত রুলের জবাব দিতে বলা
    হয়েছে।
    পৃথক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার
    হাইকোর্টের বিচারপতি কাজি রেজা-উল হক ও
    মোহাম্মদ উল্লাহ’র সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ
    দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন শরীফ
    আহমেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি
    জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
    আইনজীবীরা জানান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামটিসহ
    সারাদেশের স্থাপনা থেকে স্বাধীনতা বিরোধী
    হিসেবে পরিচিত চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের নাম
    ৯০ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন
    হাইকোর্ট।
    এর আগে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করেন
    রাঙ্গামাটির বাসিন্দা বদিউজ্জামান সওদাগর ও
    খাগড়াছড়ির হেলাল উদ্দিন। রিট আবেদনে
    মুক্তিযোদ্ধা সচিব, এলজিআরডি সচিব, শিক্ষা
    সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
    ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত ৯০ দিনের মধ্যে
    সকল স্থাপনা থেকে ত্রিদিব রায়ের নাম অপসারণের
    নির্দেশ দেন।
    রিট আবেদনে বর্তমান চাকমা রাজা ব্যারিস্টার
    দেবাশীষ রায়ের বাবা ওই অঞ্চলের ৫০তম চাকমা
    রাজা ত্রিদিব রায়কে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিদের
    সহযোগী উল্লেখ করে বলা হয়, তার নামে রোড,
    মার্কেট, বিল্ডিং, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য
    স্থাপনা রয়েছে। এসব স্থাপনা থেকে তার নাম
    অপসারণ করতে হবে।
    রাজা ত্রিদিব রায়ের নাম ১৯৭২ সালের দালাল
    আইনে অভিযুক্তদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৭৯
    বছর বয়সে ২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়া
    আগে তিনি পাকিস্তানেই ছিলেন।
    উল্লেখ্য, চাকমাদের ৫০তম রাজা ত্রিদিব রায়-এর
    নাম ১৯৭২ সালের দালাল আইনে অভিযুক্তদের
    তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি সেই অভিযোগ
    মোকাবেলা করার জন্য কখনো বাংলাদেশে ফিরে
    আসেননি।
    ১৯৫৩ সালের ২ মে থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি
    রাজা ছিলেন। পাকিস্তানে তিনি একজন লেখক,
    কূটনৈতিক, বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদ
    হিসেবে পরিচিত। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত
    তিনি আর্জেন্টিনায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত
    হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

  2. ত্রিবিব রায়ের সকল স্থাপনা মুছলেই হবে না, তার পুত্র দেবাসীষ রায়ের দেশ বিরোধী সকল অপকর্মও বন্ধ করতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
    তাছাড়া আমরাতো আর ব্রিটিশ শাষন আমলে বসবাস করছি না। আমরা বসবাস করছি স্বাধীন, স্বার্বভৌম, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বাংলাদেশে।
    সুতরাং রাষ্ট্রের এক সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত হবে। সেই মতে পাহাড় বসবাস করতে রাজাকার পুত্রকে কেন খাজনা দিব? পাহাড় হতে তিন সার্কেল বিলুপ্ত করে রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।

    যতোদিন না পর্যন্ত ব্রিটিশদের শোষন নীতি বাতিল করা হবে ততদিন পার্বত্য চট্টগ্রাম বৈদেশিক অপশক্তি মুক্ত হবে না। মুছবে না পাহাড় হতে রাজাকারের অস্তিত্ব্য।

Leave a Reply

%d bloggers like this: