নীড় পাতা » রাঙামাটি » মুজিববর্ষ উপলক্ষে রাঙামাটিতে মাছ আহরণ প্রদর্শনী

মুজিববর্ষ উপলক্ষে রাঙামাটিতে মাছ আহরণ প্রদর্শনী

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (মুজিববর্ষ) উপলক্ষে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে মাছ আহরণ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাঙামাটি সদর উপজেলার মানিকছড়ি সাপছড়ি এলাকায় দেশীয় প্রজাতির শিং মাছের আহরণ প্রদর্শন করা হয়।

এসময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ডিএফও) শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান দূর্গেশ্বর চাকমা, রাঙামাটি সদর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ এরশাদ বিন শহিদ ও মৎস্য চাষী চন্দ্রধন চাকমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মৎস্য চাষী চন্দ্রধন চাকমা জানিয়েছেন, বিগত কয়েক বছর যাবৎ তিনি মাছ চাষ করে আসছেন। তবে এবছর থেকে তিনি দেশীয় প্রজাতির শিং মাছ চাষ করছেন। চলতি বছরের জুনের মাঝামাঝি সময়ে পুকুরে শিং মাছের পোনা ছেড়েছেন; এখন তা মোটামুটি বিক্রয় উপযোগী হয়েছে। বর্তমানে এই মাছের পাইকারি বাজারধর ৪০০ টাকা। তবে খুচরা বিক্রেতারা ৫০০-৫৫০ টাকাতেও বিক্রয় করছেন।

এসময় রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান দূর্গেশ্বর চাকমা বলেন, পরিশ্রম করলে সাফল্য আসবেই। পাহাড়ের অনেক বেকার মানুষ এখন বিভিন্ন ধরণের চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন। এর মধ্যে মাছচাষ একটি সাবলম্বী হওয়ার মতো পেশা। মাছ চাষের মধ্য দিয়ে অনেকেই নিজেদের অর্থনৈতিক পরিবর্তন ঘটাতে পারবেন; তার অনন্য উদাহরণ চন্দ্রধন চাকমারাই।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ডিএফও) শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ বলেন, মৎস্য বিভাগের আওতাধীন কাপ্তাই হ্রদে ক্রিক প্রকল্পের অধীনে অনেকেই মাছ চাষ করে সাবলম্বী হচ্ছেন। মাছ চাষী চন্দ্রধন চাকমা বিগত কয়েকবছর যাবৎ এখানে মাছ চাষ করছেন। এবছর তিনি তেলাপিয়া, রুইসহ শিং মাছের চাষ করেছেন। বর্তমানে তাঁর পুকুরের মাছ বিক্রয় উপযোগী হয়েছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে তাঁর শিং মাছের পুকুরে মাছ আহরণ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে এক দিনেই ১১ জনের করোনা শনাক্ত

শীতের আবহে হঠাৎ করেই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলায় করোনা সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বিগত কয়েকদিনের …

Leave a Reply