নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » মানিকছড়িতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১

মানিকছড়িতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১

updfখাগড়াছড়ির মানিকছড়ির লাফাইদং পাড়ার গহীন অরণ্যে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) মধ্যে ঘন্টাব্যাপি বন্দুক যুদ্ধে উচিমং মারমা (২২) ওরফে বাবু মারমা নিহত হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মানিকছড়ি ও লক্ষ্মীছড়ির সীমান্তবর্তী গহীন অরণ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ঘন্টাব্যাপি বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে ওই এলাকায় বসবাসরত নিরিহ গ্রামবাসীদের মনে আতংক ছড়িয়ে পড়ে এবং মলঙ্গীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছুটাছুটি করতে থাকে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল ঘটনাস্থলে গিয়ে লাফাইদং পাড়ার জঙ্গলে যুবকের গুলিবৃদ্ধ লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহত উচিমং মারমা (২২) ওরফে বাবু মারমা উপজেলার মরাডলু গ্রামের বালাচু ওরফে মম মারমার ছেলে বলে জানা গেছে।

ইউপিডিএফ নিহতকে নিজের কর্মী দাবী করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি সন্তুর মদদপুষ্ট বোরকা পার্টির কাজ। নিহতসহ তাদের ৪/৫ জন কর্মী সাংগঠনিক কাজে ওই গ্রামে অবস্থানকালে শসস্ত্র সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। অবিলম্বে এসব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এদিকে জেএসএস নেতা জ্যোতিষ দেওয়ান এ ঘটনায় তাদের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, এটি ইউপিডিএফের সাথে সংস্কারপন্থীদের দ্বন্দ্বের জের।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মানিকছড়ি থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরনের প্রস্তুস্তি চলছে।

ইউপিডিএফ’র নিন্দা ও প্রতিবাদ
ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)-এর খাগড়াছড়ি জেলা ইউনিটের সমন্বয়ক প্রদীপন খীসা এক বিবৃতিতে ২৬ জানুয়ারি সোমবার সকালে খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সন্তু লারমা মদদপুষ্ট বোরকা পার্টির সন্ত্রাসী কর্তৃক ইউপিডিএফ সদস্য উচিমং মারমা ওরফে বাবু(১৮)-কে গুলি করে হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে প্রদীপন খীসা আরো বলেন, বোরকা পার্টির সন্ত্রাসীরা খুন, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় সহ নানা অপকর্ম চালিয়ে গেলেও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে না। নিরাপত্তাবাহিনী এসব সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে এ ধরনের খুন-খারাবির কাজে নিয়োজিত রেখে এলাকায় ত্রাসের পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।
বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে উচিমং মারমার হত্যাকারী বোরকা পার্টির সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তাদের সেনা মদদদান বন্ধ করার জোর দাবি জানান।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লকডাউনে ফাঁকা খাগড়াছড়ি, বাড়ছে শনাক্ত

সারা দেশের মতো দ্বিতীয় দফায় সরকারের ঘোষিত লকডাউন চলছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে। প্রথম দফার লকডাউন …

Leave a Reply