নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » মাইনী নদীর গ্রাসে মেরুং খাদ্য গুদাম !

মাইনী নদীর গ্রাসে মেরুং খাদ্য গুদাম !

dighinalaখাগড়াছড়ির দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের খাদ্য গুদামটি মাইনী নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে। খাদ্য গুদামটির পাশেই চলে এসেছে নদীর পানি চলাচলের গতিপথ। নদী ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে খাদ্য গুদামটি যেকোন সময় নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। পাঁচশ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য ধারণক্ষমতা সম্পন্ন নদী গর্ভে চলে গেলে সরকারি খাদ্যশস্য মজুদ রাখা সম্ভব হবে না।
সরেজমিন মেরুং ঘুরে দেখা যায়,মেরুং খাদ্য গুদামসহ হাজাছড়া এলাকার অধিকাংশ চাষাবাদের জমি মাইনী নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে। মেরুং খাদ্য গুদামটির পাশ ঘেষেই নদীর পানির গতিপথ চলে এসেছে। এক নম্বর মেরুং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন জানান,মেরুং এলাকার ৮টি বাঙালী গুচ্ছগ্রাম ও ভারত প্রত্যাগত শরণার্থীদের মাসিক খয়রাতি রেশন মজুদ রাখার একমাত্র সরকারি খাদ্য গুদাম এটি। মেরুং এলাকার খাদ্য গুদামটিসহ হাজাছড়ার অনেক এলাকা ভাঙনের কবলে পড়েছে। খাদ্য গুদামটি ভাঙনের কবল থেকে রক্ষায় দ্রত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে নদী গর্ভেই চলে যাবে। গুদামটি নদী গর্ভে চলে গেলে ১২ কিলোমিটার দূরের উপজেলা সদর খাদ্য গুদাম থেকে খাদ্য শস্য ছাড় করে আনতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বলেও জানান তিনি।
মেরুং খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিমু চাকমা বলেন,এতদিন খাদ্য গুদামের পাশে নদীতে একটি বাঁশ বাগান থাকার কারণে কোন রকম মাটি ধরে ছিল। কয়েকদিন আগে বাঁশ বাগানটিও নদী গর্ভে চলে গেছে। নদী ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হলে যে কোন মুহূর্তে গুদামটি নদীতে মিশে যাবে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজুলল জাহিদ পাভেল বলেন,মেরুং এলাকার মাইনী নদীর ভাঙন এলাকাটি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। খাদ্য গুদামটি নদীর ভাঙন থেকে রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। বিষয়টি উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভার কার্যবিবরণীতে অর্ন্তভূক্ত করে জরুরী ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুুলিশ সদস্য গ্রেফতার

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের এক সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সন্ধায়। …

Leave a Reply