নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » মদ্যপ চিকিৎসকের কান্ড…

মদ্যপ চিকিৎসকের কান্ড…

Untitled-1মদ্যপ অবস্থায় রোগী দেখা, অসাদাচরণ, সহকর্মীদের সাথে খারাপ ব্যবহারসহ অভিযোগের কমতি নেই খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: রাজেন্দ্র ত্রিপুরার বিরুদ্ধে। আর সেই সমালোচিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ হলো হলো মদ্যপ অবস্থায় গাড়ী চালিয়ে দূর্ঘটনায় চার বছরের শিশু আহত করা। সোমবার বিকালে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল এলাকায় এই দূর্ঘটনা ঘটে। এদিকে ক্ষুদ্ধ সিভিল নিশিত নন্দী মজুমদার জানালেন তাঁর(রাজেন্দ্র ত্রিপুরা) এমন আচরণ আর বরদাস্ত করা হবেনা। নেয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মদ্যপ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ী(ঢাকা মেট্রো খ ১২- ৫৩২৬) চালিয়ে বের হচ্ছিলেন ডা: রাজেন্দ্র ত্রিপুরা। হাসপাতালের সামনের বাক ঘুরতে গিয়ে প্রথমে শানজিদা আক্তার দীঘি(৪) নামে এক শিশুকে প্রথমে ধাক্কা দিয়ে পরে গাড়ীটি বিদ্যুতের খুটিঁর সাথে ধাক্কা লাগে। তবে শিশুটির পাশে নানী থাকায় মারাত্মকভাবে আহত হওয়া থেকে বেচেঁ যায়। দীঘি জেলা সদরের শালবন এলাকার মোঃ শরিফের মেয়ে। সে অসুস্থ মা ইয়াসমিন আক্তারকে দেখতে হাসপাতালে আসে। শিশুর নানী রাশেদা বেগম জানান, হাসপাতালের সামনে কাপড় শুকাতে দেয়ার সময় দিচ্ছিলাম। এসময় দ্রুত গতিতে গাড়ীটি রাস্তা থেকে বেরিয়ে আমাদের দিকে এগিয়ে আসে। তখন নিজে সরে নাতী(দীঘি)কে টেনে নিয়ে আসি। তবে দীঘির জামা গাড়ীর সাথে আটকে যায়। সে বাম পায়ে ব্যাথা পেয়েছে। ভয়ে মানুষ দেখরে কান্না করছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে অভিযুক্ত চিকিৎসক রাজেন্দ্র ত্রিপুরার সাথে কথা হলে তিনি অকপটে দুর্ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, এটা নতুন কিছুনা। এমন দূর্ঘটনা আমি অনেকবার করেছি। কই তখনতো আমার কাছে কোন সাংবাদিক আসেনি। তিনি সাংবাদিকদের ডিসি, এসপি, জোন কমান্ডারের সাথে ভালো সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এখানে লেখালেখি করার কিছু নেই। এদিকে দূর্ঘটনার পরপরি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন নিশিত নন্দী মজুমদার জানান,‘রাজেন্দ্র ত্রিপুরার অপকীর্তি আর সহ্য করা হবেনা। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার প্রতিবাদ রাঙামাটিতে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার নামে ‘উগ্রমৌলবাদ ও ধর্মান্ধগোষ্ঠীর জনমনে বিভ্রান্তির …

Leave a Reply