নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » ভূমি কমিশন নিয়ে উত্তাপ পাহাড়ে : বাঙালীদের ক্ষোভ,পাহাড়ীদের সংশয়

ভূমি কমিশন নিয়ে উত্তাপ পাহাড়ে : বাঙালীদের ক্ষোভ,পাহাড়ীদের সংশয়

dighinala-পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন যেনো পরিণত হয়েছে পাহাড়ের বিষফোঁড়ায়। কমিশন আইনের সংশোধনী নিয়ে গত একমাসে আটদিন তথা ১৬৪ ঘন্টা হরতাল ও অবরোধের মতো কর্মসূচী পালন করেছে বাঙালীভিত্তিক সংগঠনগুলো,আরো কঠোর কর্মসূচীর ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা। অন্যদিকে গত ২০ জুন এক সাংবাদিক সম্মেলনে কমিশন আইনের সাম্প্রতিক নিয়ে নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে জনসংহতির শীর্ষ নেতা সন্তু লারমাও। সবমিলিয়ে এই আইন নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাহাড়ের রাজনীতি।

ভূমি কমিশনের প্রেক্ষাপট – ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি সাক্ষরের পর ভারত প্রত্যাগত এবং আভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুদের ভূমি সমস্যা ও বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০০১ সালে গঠন করা হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন। একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে গঠন করা হয় কমিশন। কমিশন সদস্যসচিব হবেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার,বাকী তিন সদস্যরা হলেন যথাক্রমে সার্কেল চীফ,পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবং আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি। একাধিকবার কমিশন গঠন করা হলেও নানা জটিলতায় শুরু করা যায়নি কমিশনের কার্যক্রম। সর্বশেষ বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরীকে চেয়ারম্যান করে গঠন করা হয় নতুন কমিশন। কাজ শুরু করে কমিশন। প্রথমবারের মতো উদ্যোগ নেয়া হয় বেশকিছু। কমিশনের শুরুতে সহযোগিতা করলেও ধীরে ধীরে কমিশনের বেশ কিছু পদক্ষেপ এবং কমিশন আইনের কিছু ধারা নিয়ে আপত্তির কারণে কমিশনকে অসহযোগিতা ও আন্দোলণ শুরু করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ। তারা কমিশন আইনের ২৩ টি ধারার ব্যাপারে আপত্তি জানালেও চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির সাথে সমঝোতার পর দশটি ধারার ব্যাপারে মতৌক্যে পৌঁছায় এবং বাকী ১৩ টি ধারা সংশোধনীর দাবিতে গত দুইবছর যাবত নানা কর্মসূচী পালন করে আসছে। ইতোমধ্যে কমিশনের মেয়াদ শেষ হলেও সরকার এখনো নতুন কমিশন পুনর্গঠন করেনি।

অতপর সংশোধনী,অতপর সংকট – জনসংহতি সমিতি ও পাহাড়ী সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন সংগঠনের আন্দোলন আর দাবির মুখে গত ২৭ মে মন্ত্রীসভা ভূমি কমিশন আইনের সংশোধনীর খসড় নীতিগত অনুমোদনের পর ৩ জুন চূড়ান্ত অনুমোদন করে। এরপর এই সংশোধনী আইনটি ১৬ জুন জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হলে সংসদ আইনটি ভূমি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে প্রেরণ করে। আইনটি মন্ত্রীসভায় অনুমোদনের খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে পাহাড়ের বাঙালীরা। ৩০ মে তিন পার্বত্য জেলায় সড়ক ও নৌপথ অবরোধ,২ জুন হরতাল,৯ থেকে ১১ জুন টানা ৭২ ঘন্টা হরতাল,১৮ থেকে ২০ জুন আবার টানা ৭২ ঘন্টা হরতাল পালন করে বাঙালী সংগঠনগুলো। আটদিন হরতাল অবরোধের পর আবারো কঠোর কর্মসূচী দেয়ার কথা জানিয়েছে বাঙালী সংগঠনগুলো। অন্যদিকে সংশোধনীর কারণে পুরো সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছে জনসংহতি সমিতিও। ফলে ভূমি কমিশন ইস্যুতে আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাহাড়ের রাজনীতি।

কি আছে সংশোধনীতে -কমিশন আইনের যে তেরটি ধারা সংশোধনীর দাবি জানিয়ে আসছিলো জনসংহতি সমিতিসহ পাহাড়ী সংগঠনগুলো সাম্প্রতিক সংশোধনীতে তার মধ্যে দশটিই সংশোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সার্কেল চীফের বদলে তিনি বা তার মনোনিত একজন প্রতিনিধি সভায় অংশ নিতে পারবেন,জলেভাসা জমি বা ফ্রিজল্যান্ডসহ যেকোন ভূমিকে কমিশনের অধীনে আনা,কমিশন চেয়ারম্যানের একক ক্ষমতা খর্ব করে পূর্বেকার কমিশন চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তই কমিশনের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হইবের বদলে চেয়ারম্যানসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের গৃহীত সিদ্ধান্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে,আবেদন নিষ্পত্তির পূর্বে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারি একবার আবেদনটি সংশোধন করার সুযোগ পাবেন,কমিশনের সচিব ও কর্মকর্তা-কর্মচারি নিয়োগে উপজাতীয়দের অগ্রাধিকার দেয়া হবে এবং ইতিপূর্বে আইনে শুধুমাত্র পুনর্বাসিত শরনার্থীদের ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিই কমিশনের একমাত্র কাজ বলে উল্লেখ করা হলেও সংশোধিত আইনে অবৈধ বস্তোবস্তি ও বেদখল হওয়া ভূমি সংক্রান্ত বিরোধও কমিশনের আওতায় এনে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রচলিত আইন ও রীতি অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে বলে সংশোধনী আনা হয়েছে।

বাঙালীদের যেখানে আপত্তি – কমিশন আইনের সংশোধনীর পর পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারি বাঙালীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। তাদের দাবি এই সংশোধনীর কারণে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাঙালীদের বক্তব্য,শুধুমাত্র ভারতপ্রত্যাগত ও আভ্যন্তরীন উদ্বাস্তুদের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্যই কমিশন গঠিত হলেও বর্তমান সংশোধনীতে দ অবৈধ বন্দোবস্ত ও বেদখল হওয়া ভূমি সংক্রান্ত বিরোধও কমিশনের আওতায় আনা হয়েছে,তা কমিশনের স্পিরিটের সাথেই সাংঘর্ষিক। এর ফলে পাহাড়ীরা যেকোন ভূমিকেই নিজেদের বলে দাবি করবে এবং কথিন প্রচলিত আইন ও রীতি অনুসারে সেই ভূমির দখল দেবে। এছাড়া পাহাড়ীদের সেই কথিত প্রচলিত আইন ও রীতির সংজ্ঞা কি,সেটাও স্পষ্ট করা হয়নি,পাঁচ সদস্যের কমিটিতে স্থানীয়দের মধ্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান,আঞ্চলিক পরিষদ প্রতিধি এবং সার্কেল চীফের প্রতিনিধি তিনজনই পাহাড়ীদের প্রতিনিধিত্ব করবেন,তাহলে কমিশনে বাঙালী প্রতিনিধিত্ব কোথায়? কমিশনে বাঙালী প্রতিনিধিত্ব না রেখে কিভাবে কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে ? সংশোধনীতে জলেভাসা জমিকেও সংযোজন করা হয়েছে,অথচ জলে ভাসা জমির বন্দোবস্তি হয় একসনা অস্থায়ী বন্দোবস্তি,তাহলে এই অস্থায়ী বন্দোবস্তিকে স্থায়ীরূপ দিতেই কি জলেভাসা জমিকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে ? কমিশনের সচিব,কর্মকর্তা,কর্মচারি নিয়োগে সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গীর কারণে পাহাড়ীদের অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলা হয়েছে কিন্তু একটি বিচারিক কমিশনে কর্মচারি নিয়োগে অবশ্যই জাতিগত পরিচয় নয়,যোগ্যতাই নিয়োগের একমাত্র দৃষ্টিভঙ্গী হওয়া উচিত।

পাহাড়ীদের যেখানে আপত্তি – কমিশন আইনের মোট ২৩ টি ধারা নিয়ে আপত্তি ছিলো পাহাড়ীদের। এর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয় দশটির। বাকী তেরটির সংশোধনীর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছেন তারা। এর মধ্যে বর্তমান সংশোধনীর মাধ্যমে দশটি দাবি মেনে নেয়া হলেও বাকী তিনটি মেনে না নেয়ায় পাহাড়ীদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ। ইতোমধ্যেই সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সন্তু লারমা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বন ও ভূমি অধিকার রক্ষা কমিটি নিজেদের ক্ষোভের কথা জানিয়েছে। পাহাড়ীদের বক্তব্য,সংশোধনীতে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে রীতি,নীতির কথাটি বলা হলেও পদ্ধতির কথা বলা হয়নি। আইন বহির্ভূতভাবে কোন ভূমি বন্দোবস্তি প্রদান করা হয়ে থাকলে তা বাতিল করার যে সংশোধনী আনা হয়েছে তাতে কোন ভূমি বন্দোবস্তি বা বেদখল শব্দটি সংযোন করা এবং সংরক্ষিত বনাঞ্চল,কাপ্তাই জলবিদ্যু’ প্রকল্প এলাকা,বেতবুনিয়া ভূউপগ্রহ কেন্দ্র,রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্পকারখানা ও সরকার বা সস্থানীয় কর্তৃপক্েষর নামে রেকর্ডকৃত ভূমির ক্ষেত্রে এই উপধারা প্রযোজ্য হইবেনা‘অংশটি বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন পাহাড়ী সংগঠনগুলো। একই সাথে কমিশনের সভায় কোরাম পূরণে কমিশন চেয়ারম্যানসহ অন্য দুই সদস্যের উপস্থিতির স্থলে তিন সদস্য সংযোজনের দাবি তাদের। এছাড়া ভূমি কমিশনের কার্যক্রমকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের আওতাভূক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

ক্ষোভে উত্তাল পাহাড়,ক্ষুদ্ধ বাঙালীরা – ভূমি কমিশন আইনের সাম্প্রতিক সংশোধনীর কিছু ধারা নিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানালেও এই সংশোধনীতে খুশি পাহাড়ীরা। তারা মনে করছেন,এটা তাদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের প্রাথমিক বিজয়। তথাপি তারা বাকী তিনটি বিষয়ও সংশোধনী বিলে আনার জন্য সরকারের উপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করার কৌশল গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে এই আইনের কারণে ক্ষুদ্ধ পাহাড়ে বসবাসকারি বাঙালীরা। তাই এই আইন সংশোধনের প্রতিবাদে চারদফায় ১৬৪ ঘন্টা হরতাল,অবরোধ পালিত হয়েছে পাহাড়ে,প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকার বরাবরে স্মারকলিপি পেশ,মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচী পালন করেছে বাঙালী সংগঠনগুলো। ক্ষুদ্ধ বাঙালীদের সেন্টিমেন্ট বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম,পররাষ্ট্রবিষয়ব উপদেষ্টা গওহর রিজভী স¦রাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, বাঙালী নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছেন। পৃথক পৃথক বৈঠকে তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে একজন বাঙালীকে উচ্ছেদ হতে হবেনা বলে আশ্বস্তও করেছেন।

কি বলছেন নেতারা – পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মুখপাত্র সজীব চাকমা বলেন,সরকার আমাদের তেরদফা সংশোধনী দাবির মধ্যে আটটি সম্পূর্ণ এবং ২ টি আংশিক মেনে নিয়েছে,বাকী তিনটি দাবি সংশোধনীতে আনেনি। তিনি ওই তিনটি দাবিকে সংশোধনীতে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন,এটি করা না হলে ভূমি কমিশন অধিকতর কার্যকর হতে পারবেনা। পাহাড়ে স্থানীয় শান্তির স্বার্থে ও ভূমি বিরোধের বাস্তবিক নিষ্পত্তিকল্পে বাকী সংশোধনীগুলোও মেনে না নিলে সমস্যা সমাধানে সংশয় থেকেই যায় বলে জানালেন এই নেতা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মো: জাহাঙ্গীর কামাল বলেন,সংশোধিত আইনেও কমিশনে বাঙালী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়নি,নিয়োগে উপজাতীয়দের অগ্রাধিকারের বিষয়টি সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া শরনার্থীদের ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এই কমিশন হলেও জলেভাসা জমি ও অবৈধ বন্দোবস্তিকৃত ভূমিকেও কমিশনের আওতায় আনা হয়েছে। এই সংশোধনীর কারণে পাহাড়ে বসবাসকারি বাঙালী ও রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি করেন তিনি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বন ও ভূমি অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক গৌতম দেওয়ান বলেন,যে তেরটি ধারা সংশোধনের বিষয়ে চুক্তিবাস্তবায়ন কমিটি একমত হয়েছিলো তার সবগুলো সংশোধন করা হলে কমিশন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেনা। তিনি সবগুলো সংশোধনী মেনে নেয়ার আহ্বান জানান সরকারের প্রতি। তিনি বলেন,এই সংশোধনীর কারণে বাঙালিদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোন কারণ নেই।
পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি মো: ইব্রাহীম খলিল বলেন,আমরা দেশের যেকোন প্রান্তের মতো একজন সাধারন নাগরিক হিসেবেই বাঁচতে চাইছি,আমরাতো অতিরিক্ত কিছু চাইছিনা কিংবা কারো অধিকারেও হস্তক্ষেপ করছিনা,তাহলে কেনো আমাদের সাথে অন্যায় করা হবে ? তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন,কোন চক্রান্তের কাছেই পাহাড়ের ব্ঙাালীরা নতিস্বীকার করবেনা,বাঙালী রক্ত দেবে তবু পাহাড় ছেড়ে যাবেনা।

অনিশ্চিত গন্তব্য,সংকটে পাহাড় – পাহাড়ী ও বাঙালী নেতৃবৃন্দের বিপরীতধর্মী অবস্থান নিয়ে দোটানায় পড়েছে সরকার। একদিকে পাহাড়ী ও আন্তর্জাতিক মহলের চাপ অন্যদিকে বাঙালীদের তীব্র আন্দোলন নিয়ে বিপাকে ক্ষমতাসীন দল। ক্ষমতাসীন সরকারের শেষ মেয়াদে এসে এমন সংকট বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে।

ছবি-০১ : বাঙালীদের বিক্ষোভ
ছবি-০২ : সন্তু লারমার সংবাদ সম্মেলন

Micro Web Technology

আরো দেখুন

খোকন-রঞ্জনের স্মৃতিতে রাত্রিকালিন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শহরে

রাঙামাটির একসময়কার সাড়াজাগানো ক্রিকেটার ও ক্রিকেট সংগঠক খোকন ও রঞ্জন স্মরণে তাদের হাতে গড়া ক্রিকেটারদের  …

Leave a Reply