নীড় পাতা » ফিচার » লাইফস্টাইল » ব্রণ নিয়ে যত কথা

ব্রণ নিয়ে যত কথা

ব্রণ এর সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। ব্রণ সাধারণত বেশিরভাগ মানুষের মুখে দেখা দেয়; তাছাড়া বুকে, গলায় ও ঘাড়ে। ব্রণ অসংক্রামক কিন্তু বেশি খোঁটাখুঁটি করলে সংক্রমণ হয়।

চামড়ার নিচে থাকে তৈলগ্রন্থি আর তৈল নিঃসারক নালী। এই নালী ব্যাকটেরিয়া বা অন্য কোনো কারণে বাঁধ হয়ে গেলে নালীর মধ্যে নিঃসৃত পদার্থ জমা হয়ে ব্রণ তৈরি করে। ব্রণ সৌন্দর্যের হানি করে। তাই ব্রণ নিয়ে সবাই বেশি উদ্বিগ্ন থাকে।

ব্রণ সবসময় ও নিরীহ হোয়াইট হেড বা ব্লাক হেড হিসেবে থাকে না। মাঝে মাঝে লালচে হয়, ব্যাথাও করে। ছেলে বা মেয়ে উভয়েরই ব্রণ দেখা যায়। বয়ঃসন্ধিকালের উঠতি তরুণ-তরুণীরাই এর প্রধান শিকার। ব্রণের দাগ অবশ্যই দীর্ঘসময় ধরে তার স্মৃতিচিহ্ন রেখে যায়।

ব্রণ নিয়ে বিভিন্ন ধরণের কুসংস্কার রয়েছে। রয়েছে ব্রন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নও। ব্রণ সম্পর্কিত কিছু ভ্রান্তি তুলে ধরা হল। যেমনঃ

১. অনেকেই ভাবে ব্রণ ছোঁয়াচে কিন্তু ব্রণ কোনো ছোঁয়াচে নয়। ব্রণের নৈপথ্যে কোনো জীবাণুর ভূমিকা নেই। ব্রণের পেছনে এন্ড্রোজেন হরমোন ও সিবাসিয়াস গ্ল্যান্ডের যোগাযোগ আছে। কোষ্ঠকাঠিন্য ও লিভারের গন্ডোগলে ব্রণ হয় এমন ধারণা অনেকেরই।

২. আবার অনেকে বলে ব্রণের শাঁস বের করে দেওয়া ভালো, যা মোটেও ঠিক নয়। কারন ব্রণ খুঁটলে ইনফেকশন ও মুখে বিশ্রী দাগ হয়।

৩. ব্রণ হলে অনেকে এটা সেটা মাখতে শুরু করে। কোনো তৈলাক্ত প্রসাধন মুখে লাগানো উচিৎ নয়। মুখে কিছু লাগানোর আগে চর্ম বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে লাগানো উচিত।

৪. ব্রণের দাগ সারাতে ডাবের পানি বা দুধের সরের উপকারীতা আছে এ ধারণা ভুল বলে প্রমাণিত। আবার অনেকেই বলে ব্রণের কোনো এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই। আসলে ব্রণের প্রকৃত চিকিৎসা ডার্মাটোলোজির অন্তর্ভুক্ত। এরকম আরও অনেক কুসংস্কার ও ভুল ধারণা অনেকেরই।

ব্রণের কারণগুলো কঠিন হলেও শুধুমাত্র আত্মসচেতনতার মাধ্যমে ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আর নিজের পরিচর্যার মাধ্যমে ব্রণ থেকে দূরে থাকা যায়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

৪ উপায়ে দূর করুন শীতে পা ফাটা

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। শীতকালে ত্বকের সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম …

Leave a Reply