নীড় পাতা » বান্দরবান » বোমাং রাজ পুণ্যাহ উৎসব ১৮ ডিসেম্বর

বোমাং রাজ পুণ্যাহ উৎসব ১৮ ডিসেম্বর

Bandarban-King-PiC_02বান্দরবানে রাজকীয় উৎসব ঐতিহ্যবাহী বোমাং রাজ পুণ্যাহ মেলা আগামী ১৮ ডিসেম্বর শুরু হবে। সোমবার দুপুরে মধ্যমপাড়াস্থ রাজার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বোমাং সার্কেল চীফ ১৭তম রাজা প্রকৌশলী উচপ্রু চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে বোমাং রাজা বলেন, এবারের রাজপূন্যাহ উৎসব হচ্ছে আমার (বর্তমান রাজার) দ্বিতীয় এবং বংশ পরম্পরায় ১৩৮তম রাজপূণ্যাহ। বোমাং সার্কেলের প্রজাদের কাছ থেকে জুমের বাৎসরিক খাজনা আদায়ের লক্ষ্যে এবারো ৩ দিনব্যাপী এ রাজপূন্যাহ উৎসব মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বোমাং সার্কেলের অধিনস্ত বান্দরবান জেলার ৭টি উপজেলার ৯৫টি মৌজা এবং রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই ও রাজস্থলী দুটি উপজেলার ১৪টি মৌজাসহ মোট ১০৯টি মৌজার হেডম্যান, ৮ শতাধিকেরও বেশি কারবারী, রোয়াজারা রাজাকে কুনিশ করে জুমের বাৎসরিক খাজনা ও উপঢৌকন রাজার হাতে তুলে দিবেন উৎসবে। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে রাজপরিবারের বয়জ্যেষ্ঠ সদস্য চহ্লা প্রু জিমি, সূয়ালক হেডম্যান মংথোয়াই চিং, রাজপুত্র চসিং প্রু মারমা’সহ গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৮৭৫ সালে ৫ম তম বোমাং রাজা সাকহ্ন ঞো’র আমল থেকে বংশ পরস্পরায় ধারাবাহিক ভাবে প্রতিবছর ঐতিহ্যবাহী রাজপূণ্যাহ উৎসব (পইংজ্রা) হয়ে আসছে। রাজপূণ্যাহ মেলাকে ঘিরে রাজারমাঠে আয়োজন করা হয় নাগর দোলা, সার্কাস, বিচিত্রানুষ্ঠানু, পুতুল নাচ, মৃত্যুকূপসহ ব্যাাতিক্রমি নানা আয়োজন। এছাড়াও হরেক রকম জিনিসপত্রের দোকান এবং সারারাত ব্যাপী চলে যাত্রা অনুষ্ঠান। প্রতিবছর প্রজাদের কাছ থেকে বাৎসরিক খাজনা আদায়ের লক্ষ্যে রাজপূণ্যাহ উৎসবের আয়োজন করে রাজপরিবার।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে এক দিনেই ১১ জনের করোনা শনাক্ত

শীতের আবহে হঠাৎ করেই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলায় করোনা সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বিগত কয়েকদিনের …

Leave a Reply