নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » বুধবার সকালে পরীক্ষা,অথচ হাতে নেই প্রবেশপত্র !

বুধবার সকালে পরীক্ষা,অথচ হাতে নেই প্রবেশপত্র !

dighinala,-pic,-23-10-2013খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমাপনি পরিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বাড়তি ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। তার মধ্যে উপজেলার প্রশিক্ষণ টিলা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এসেছে। বিদ্যালয়টি নিয়ম বর্হিভূতভাবে সমাপনী পরিক্ষার্থীদের নিকট থেকে নানা অজুহাতে প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় চারগুন বেশি ফি আদায় করেছে বলে অভিযোগ করেছে অভিভাবকরা। আবার দরিদ্র পরিবারের কেউ কেউ এ বাড়তি ফি দিতে না পারায় এখন পর্যন্ত সেসব পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র দেয়া হয়নি। আগামিকাল সমাপণি পরীক্ষা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত প্রবেশ পত্র সংগ্রহ করতে না পেরে উৎকন্ঠায় রয়েছেন দরিদ্র সেসব অভিভাকরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও এ বাড়তি ফি আদায় করার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

বুধবার থেকে সাড়া দেশে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার জন্য ৬০ টাকা ফি নির্ধারিত থাকলেও উপজেলার প্রশিক্ষণ টিলা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা অজুহাতে আদায় করা হয়েছে বাড়তি ফি। ফিগুলো হচ্ছে, পরীক্ষার ফি’র নামে ৩০০ টাকা, প্রবেশ পত্র ফি বাবদ ১৫০ টাকা, এবং কেন্দ্র ফি’র নামে ২৫০ টাকা। এসব ফি যে পরীক্ষার্থীর পরিবার পরিশোধ করতে পারেনি তাদের মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রবেশ পত্র দেয়া হয়নি।

এব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের ছাত্র মো. রবিউল ইসলাম বলে, ‘স্যারদের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে পারিনি। তাই আমি মঙ্গলবার সমাপনী পরীক্ষা দিচ্ছি না।’

এব্যাপারে প্রশিক্ষণ টিলা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমার ছেলেও ওই স্কুল থেকে সমাপনি পরীক্ষার্থী। কিন্তু ফি দিতে না পারায় এখনো প্রবেশপত্র সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।

অপরদিকে কেন্দ্র ফি বাবদ টাকা নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ১নং কবাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মোঃ বদিউজ্জামান জীবন জানান, কেন্দ্র ফি নামে কোন বিদ্যালয় থেকে কোন টাকা নেয়া হয়নি। কেন্দ্র ফি’র নামে কোন ফি আছে কি না জানা নেই। কেউ আদায় করলে তা অন্যায় করছেন।

কিন্তু অভিযুক্ত প্রশিক্ষণ টিলা বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জহিরুল ইসলাম পরীক্ষার ফি ৩০০ টাকা, প্রবেশ পত্র ফি ১৫০ টাকা, এবং কেন্দ্র ফি ২৫০ টাকা আদায়ের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

এব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দিন ভুইয়া জানান, এধরনের প্রবেশপত্র, পরীক্ষার ফি এবং কেন্দ্র ফি নামে কোন ফি নেই। যদি এধরনের কেউ নিয়ে থাকে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলুল জাহিদ পাভেল জানান, পরীক্ষার নামে এধরনের বাড়তি ফি আদায় করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেহ নিয়ে থাকেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত স্বাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

খাগড়াছড়িতে ইয়াবাসহ আটক ২

খাগড়াছড়ি জেলা সদরের গামারিঢালা থেকে ১ হাজার ৪৮০ পিস ইয়াবাসহ দুই জনকে আটক করেছে পুলিশের …

Leave a Reply