নীড় পাতা » ফিচার » অন্য আলো » বীর বাহাদুরের স্ত্রী‘র ব্যাংক আমানত বেড়েছে এক হাজার গুণ !

বীর বাহাদুরের স্ত্রী‘র ব্যাংক আমানত বেড়েছে এক হাজার গুণ !

Bir-Bahadurপাহাড়ের মানুষ বান্দরবানের সাংসদ বীর বাহাদুর উ শৈ চিংয়ের সম্পদও এখন পাহাড়সম। আর এই সম্পদ গত পাঁচ বছরেই বেড়েছে বেশি।
পাঁচ বছরে ব্যাংকে আমানত প্রায় ১৮ গুণ ও তাঁর স্ত্রী মেলুচিং মারমার এক হাজার গুণেরও বেশি বেড়েছে। বীর বাহাদুরের ২০০৮ সালে ব্যাংকে ছিল পৌনে আট লাখ টাকা, এখন সেটি হয়েছে এক কোটি ৩৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। আর তাঁর স্ত্রীর অর্থ সাড়ে ১৭ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে এক কোটি ৮৯ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা। অর্থাৎ বীর বাহাদুরের আমানত বেড়েছে প্রায় ১৮ গুণ এবং মেলুচিংয়ের এক হাজার গুণেরও বেশি।
হলফনামায় কেবল বান্দরবানের সম্পদের বিবরণ দেখানো হলেও ঢাকা ও চট্টগ্রামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির কোনো বিবরণ নেই। হলফনামায় বীর বাহাদুরের পেশা রাবার ব্যবসা বলা হয়েছে। ২০০৮ সালে তাঁর বার্ষিক আয় ছিল ১৮ লাখ টাকা এবং বর্তমানে ৫০ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। স্ত্রীর বার্ষিক আয় ৫০ হাজার টাকা থেকে ২৭ গুণ বেড়ে এবার হয়েছে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা।
বীর বাহাদুরের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আগে কোনো দালান বা বাণিজ্যিক ভবন ছিল না, এখন হয়েছে আটটি। ৪৫ একর কৃষি জমি বেড়ে হয়েছে ৯৮ একর। ২০০৮ সালের হলফনামায় ৫০ একর চা ও রাবার বাগানের কথা উল্লেখ থাকলেও এবার ওই কলামটি খালি রাখা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ৫০ একর রাবার বাগানে এখনো রাবার আহরণ করা হয় এবং তাঁর নামেই রয়েছে।
২০০৮ সালের হলফনামায় বীর বাহাদুরের নিট সম্পদ ছিল এক কোটি ৮৪ হাজার টাকার, স্ত্রী মেলুচিংয়ের ছয় লাখ আট হাজার ৫৫১ টাকার। এবার বীর বাহাদুরের চার কোটি ১৬ লাখ ৯২ হাজার ২২০ টাকার এবং স্ত্রীর দুই কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকার সম্পদ হয়েছে।
বীর বাহাদুর জাতীয় পার্টি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করে ১৯৯১ সাল থেকে চারবার নির্বাচিত হয়ে এখনো সাংসদ। তিনি দুবার প্রতিমন্ত্রীর মর্যদায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও দুবার আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখনো সাংগঠনিক সম্পাদক। এবারের এক তরফা নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রসন্ন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যার সঙ্গে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কয়েক দিন ধরে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তাঁর ঘনিষ্ঠরা বলেছেন, নির্বাচনী কাজে তিনি দুর্গম এলাকায় রয়েছেন। জেলা শহরে এলে তাঁকে পাওয়া যাবে।

( এই প্রতিবেদনটি দেশের অন্যতম পত্রিকা দৈনিক প্রথম আলো’য় ২৪-১২-২০১৩ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে, রিপোর্টটি প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় প্রথম আলোর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতাসহ আমাদের অনলাইনে প্রকাশ করা হলো)

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লংগদুতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনপি’র প্রচারপত্র বিতরণ

রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতামূক প্রচারণা ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার …

Leave a Reply